শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আদালতে হাজির করা হবেনা খালেদা জিয়াকে  » «   আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হলো আঞ্চলিক ইজতেমা  » «   খালেদা জিয়ার জেল অস্বাভাবিক কিছু নয়  » «   কানাইঘাটে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন,শ্বশুড়-শ্বাশুড়ি আটক  » «   আজ নায়ক মান্নার মৃত্যুবার্ষিকী  » «   সুপারসহ ৫ ভুয়া পরীক্ষার্থী আটক  » «   অনার্স ৪র্থ বর্ষের ফল প্রকাশ  » «   শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু  » «   প্রেসক্লাবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী‘খালেদাকে কারাগারের রোজনামচা পাঠানো উচিৎ’  » «   পদত্যাগ করার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি : শিক্ষামন্ত্রী  » «   প্রিয়াতে বেসামাল লুঙ্গি!  » «   বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা করল ব্রাজিল  » «   শিশু জয়নবের ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড  » «   অবসরে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী  » «   বিএনপির গণস্বাক্ষর অভিযান আজ  » «  

নয়াপল্টনে মির্জা ফখরুল‘রাজনৈতিক সংকট, রোড ম্যাপ দিয়ে সমাধান সম্ভব নয়’



নিউজ ডেস্ক::নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা একটি রাজনৈতিক সংকট, এটিকে নির্বাচনকালীন রোডম্যাপ দিয়ে সমাধান করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রবিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, নির্বাচন কমিশন নির্বাচনকালীন রোড ম্যাপ প্রকাশ করলে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

আজ ইসিতে নির্বাচনকেন্দ্রিক কর্ম পরিকল্পনায় ৭টি করণীয় দিক ঠিক করে আনুষ্ঠানিকভাবে এক রোডম্যাপ ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা।

কর্মপরিকল্পনায় নির্বাচন ঘিরে ২৫ জুলাই থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, সেই তালিকা ২০১৭ সালের ৩১ জানুয়ারি মধ্যে প্রকাশ করা, আগস্টে নির্বাচনী এলাকার সীমানা চূড়ান্তের কাজ শুরু করে পরের বছরের এপ্রিলের মধ্যে তা শেষ করে গেজেট আকারে প্রকাশ করা, আগামী বছরের জুন থেকে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের কাজ শুরু করে ওই বছরের জুলাই মাসে ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা এবং তার আগে মার্চের মধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন যাচাই করা হবে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, নির্বাচন কমিশন যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছেন, আমরা মনে করি এটা কোন বড় বিষয় বা প্রধান সংকট নয়। প্রধান সংকট হচ্ছে আদোও নির্বাচনটা কিভাবে হবে? নির্বাচনে সরকারের কি অবস্থায় থাকবে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা কি থাকবে? এই মুহূর্তে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের বড় প্রয়োজন বলে মনে করে বিএনপি বলেও জানান তিনি।

সহায়ক সরকারের বিষয়ে কোন আলোচনা না করে এই রোড ম্যাপ দিয়ে কোন সমস্যা সমাধান হবে না। দেশে সংকট নিরসন হবে না। নির্বাচনের জন্য রোড তো থাকতে হবে। এখন পর্যন্ত আমরা কোন রোড দেখতে পাচ্ছি না। সুতরাং ম্যাপ তো পরের প্রশ্ন। এটি একটি স্পর্শকাতর বিষয়। আমাদের সিনিয়র নেতা এবং নেত্রীর সাথে কথা বলে দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

রোড ম্যাপ প্রকাশে নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্য খুব ভালো উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারও বলছেন, নির্বাচন নিরপেক্ষ করতে চাই, সহায়তা করতে চাই। কিন্তু প্রকৃত দৃশ্য তো দেখেছেন, আমরা কোন সভা করতে পারি না। গতকাল নেত্রী বিদেশে যাবার সময় আমাদের সিনিয়র নেতাদের রাস্তায় দাঁড় করে রাখলো। এই পরিবেশ, পরিস্থিতিতে আদো নির্বাচনের পরিবেশ আছে কি না সেটাও সবার আগে দেখতে হবে।

নির্বাচন কমিশনের ডাকা আলোচনায় বিএনপি অংশ গ্রহণ করবে কি না এমন প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক, নিয়মতান্ত্রিক যতগুলো পদ্ধতি আছে, সেগুলোতে আমরা যেতে চাই। এটা নির্ভর করছে নির্বাচন কমিশন এবং সরকারের সদিচ্ছার উপরে। তারা আমাদের সে পথে যেতে দিতে চায় কি না?

এসময় উপস্থিত ছিলেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ ও ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রমুখ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: