মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অগ্নিঝুঁকিতে ঢাকার ৪১৬ হাসপাতাল-ক্লিনিক  » «   ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাবেন অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   ফেসবুক ‘ডিজিটাল গ্যাংস্টার’: ব্রিটিশ পার্লামেন্ট  » «   মানহানির মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন নামঞ্জুর  » «   পাকিস্তান থেকে ভারতে না গিয়ে দেশে ফিরলেন সৌদি যুবরাজ  » «   দুই বছরের মধ্যে বিলুপ্ত হবে বিএনপি!  » «   মেয়র আরিফের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিকী আত্মহুতি  » «   আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে আজ শেষ হল বিশ্ব ইজতেমা  » «   আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক  » «   ট্রাম্পের জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিরুদ্ধে ১৬ অঙ্গরাজ্যের মামলা  » «   মেডিকেলের ডাস্টবিনে শিশুসহ ২৬ মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ  » «   উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপ থেকে ইভিএম: ইসি সচিব  » «   হজ পালনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি হিজড়াদের  » «   সব বাধা উপেক্ষা করে গণশুনানি করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট  » «   অভিজিৎ হত্যা: অব্যাহতি পাচ্ছেন সাতজন, আসামি ছয়  » «  

নৃশংস গণধর্ষণের পর গোপনাঙ্গে ঢোকানো হল লাঠি!



নিউজ ডেস্ক::এক গৃহবধূকে চারজন যুবক মিলে গণধর্ষণ করেছে। এখানেই শেষ নয়, ধর্ষণের পর ওই নারীকে নৃশংস অত্যাচারও করেছে ধর্ষকরা। নির্যাতিতা নারীর গোপনাঙ্গে লাঠি ঢোকায় তারা। এরপর স্বামীর কাছে ধর্ষণের ঘটনা বলায় ওই নারীকে ‘নগ্ন’ করে গোটা গ্রাম ঘোরানো হয়।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানায় অভিযোগ জানালেও কোনো সুফল মেলেনি। অবশেষে ভুক্তভোগী ওই নির্যাতিতা নারীর পরিবার পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়। পরে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

নির্যাতিতা গৃহবধূর দাবি, তার স্বামীর ভাইপোর সঙ্গে একই এলাকার এক যুবতীর সম্পর্ক ছিল। ওই সম্পর্ক চললে এর পরিণতি ভাল হবে না বলে হুমকি দিয়েছিল অভিযুক্ত ব্যক্তিরা। সে সময় গৃহবধূকে ধর্ষণের হুমকি দিয়েছিল তারা। হুমকি দেয়ার পরই গত ২৯ জুন এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার দিন বাড়িতে একাই ছিলেন ওই গৃহবধূ। সেই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে তার বাড়িতে ঢুকে পরে গগন, হরি লাল, ছোটে লাল ও জয় কিশোর। তারা পর্যায়ক্রমে একে একে চারজনই ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে কাউকে কিছু বললে গৃহবধূর পরিবার-পরিজনদের খুনের হুমকিও দেয় ওই চার যুবক।

কিন্তু, স্বামী বাড়ি ফেরার পর পুরো ঘটনা তাকে জানান, ওই নির্যাতিতা গৃহবধূ। এরপর তার স্বামী অভিযুক্তদের সে কথা জানালে। আবারও চূড়ান্ত হেনস্থার শিকার হন ওই নারী। গৃহবধূর গোপনাঙ্গে লাঠি ঢুকিয়ে দেয়া হয়। অভিযুক্তরা এখানেই থেমে থাকেননি এরপর নগ্ন করে গোটা গ্রামে ঘোরানো হয় নির্যাতিতাকে। নৃশংস অত্যাচারের পরও পুরো পরিবারকে খুনের হুমকিও দেয় অভিযুক্তরা।

নির্যাতিতার স্বামীর দাবি, অভিযুক্ত ওই চার যুবক এলাকায় যথেষ্ট প্রভাবশালী। তাই নৃশংস অত্যাচারের সময় তারা কাউকেই পাশে পাননি। গ্রামের কেউ যেমন তাদের পাশে এগিয়ে আসেননি, তেমনই জানাজানি হওয়া সত্ত্বেও পুলিশও এ ব্যাপরে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

তাই বাধ্য হয়েই নির্যাতিতা ও তার স্বামী কুয়ারা থানায় অভিযোগ করেন। কিন্তু তারপরেও কোনো উদ্যোগ নেয়নি পুলিশ।

অবশেষে পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হন নির্যাতিতা ও তার স্বামী। পুরো ঘটনা পুলিশ সুপার অজয় কুমারকে জানান তারা।

পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে নড়ে চড়ে বসে কুয়ারা থানা পুলিশ। তারপরই গ্রেফতার করা হয় চারজনকে। ধৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়৷

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় পুলিশ সুপার অজয় কুমার জানান, ‘ঘটনার তদন্তে উদাসীন পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে৷’ তিনি আরো বলেন, নির্যাতিতা নারী আপাতত হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার গোপন জবানবন্দি নেয়া হয়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: