মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বড়লেখায় জাকির হোসেন শিক্ষা ও সেবা ফাউন্ডেশনের পরীক্ষা উপকরণ বিতরণ  » «   ইসির নতুন উদ্যোগ : যেসব অফিসে মিলবে হারানো পরিচয়পত্র  » «   ঢাবিকে কলঙ্কমুক্ত করতে ভিসির পদত্যাগ দাবী সাবেক ছাত্রদল অর্গানাইজেশন ইউরোপের  » «   অপহরণকারীর সাথে প্রেম, অতঃপর…  » «   শাহবাগে শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষ, সময় বাড়ল প্রতিবেদন দাখিলের  » «   পোগবা ব্রিটিশদের ‘বিদ্রুপ’ করলেন !  » «   ওয়ানডে সিরিজের আগে টাইগারদের জন্য বড় সুসংবাদ!  » «   যে কারণে রাতে কাজ করবেন না!  » «   দুর্নীতি মামলায় জামিন পেলেন খালেদা জিয়া  » «   উচ্চ আদালতের সেই রায়  » «   গণভবনে প্রধানমন্ত্রী‘আল্লাহ যাকে ইচ্ছে ক্ষমতা দেন’  » «   পবিত্র হজ পালনমক্কায় বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু  » «   আমার গার্লফ্রেন্ডের সংখ্যা ১০টারও কম-রণবীর  » «   মেসির বাংলাদেশ সফর, যা বলল ইউনিসেফ  » «   বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ! অতঃপর…  » «  

নৃশংস গণধর্ষণের পর গোপনাঙ্গে ঢোকানো হল লাঠি!



নিউজ ডেস্ক::এক গৃহবধূকে চারজন যুবক মিলে গণধর্ষণ করেছে। এখানেই শেষ নয়, ধর্ষণের পর ওই নারীকে নৃশংস অত্যাচারও করেছে ধর্ষকরা। নির্যাতিতা নারীর গোপনাঙ্গে লাঠি ঢোকায় তারা। এরপর স্বামীর কাছে ধর্ষণের ঘটনা বলায় ওই নারীকে ‘নগ্ন’ করে গোটা গ্রাম ঘোরানো হয়।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানায় অভিযোগ জানালেও কোনো সুফল মেলেনি। অবশেষে ভুক্তভোগী ওই নির্যাতিতা নারীর পরিবার পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়। পরে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

নির্যাতিতা গৃহবধূর দাবি, তার স্বামীর ভাইপোর সঙ্গে একই এলাকার এক যুবতীর সম্পর্ক ছিল। ওই সম্পর্ক চললে এর পরিণতি ভাল হবে না বলে হুমকি দিয়েছিল অভিযুক্ত ব্যক্তিরা। সে সময় গৃহবধূকে ধর্ষণের হুমকি দিয়েছিল তারা। হুমকি দেয়ার পরই গত ২৯ জুন এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার দিন বাড়িতে একাই ছিলেন ওই গৃহবধূ। সেই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে তার বাড়িতে ঢুকে পরে গগন, হরি লাল, ছোটে লাল ও জয় কিশোর। তারা পর্যায়ক্রমে একে একে চারজনই ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে কাউকে কিছু বললে গৃহবধূর পরিবার-পরিজনদের খুনের হুমকিও দেয় ওই চার যুবক।

কিন্তু, স্বামী বাড়ি ফেরার পর পুরো ঘটনা তাকে জানান, ওই নির্যাতিতা গৃহবধূ। এরপর তার স্বামী অভিযুক্তদের সে কথা জানালে। আবারও চূড়ান্ত হেনস্থার শিকার হন ওই নারী। গৃহবধূর গোপনাঙ্গে লাঠি ঢুকিয়ে দেয়া হয়। অভিযুক্তরা এখানেই থেমে থাকেননি এরপর নগ্ন করে গোটা গ্রামে ঘোরানো হয় নির্যাতিতাকে। নৃশংস অত্যাচারের পরও পুরো পরিবারকে খুনের হুমকিও দেয় অভিযুক্তরা।

নির্যাতিতার স্বামীর দাবি, অভিযুক্ত ওই চার যুবক এলাকায় যথেষ্ট প্রভাবশালী। তাই নৃশংস অত্যাচারের সময় তারা কাউকেই পাশে পাননি। গ্রামের কেউ যেমন তাদের পাশে এগিয়ে আসেননি, তেমনই জানাজানি হওয়া সত্ত্বেও পুলিশও এ ব্যাপরে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

তাই বাধ্য হয়েই নির্যাতিতা ও তার স্বামী কুয়ারা থানায় অভিযোগ করেন। কিন্তু তারপরেও কোনো উদ্যোগ নেয়নি পুলিশ।

অবশেষে পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হন নির্যাতিতা ও তার স্বামী। পুরো ঘটনা পুলিশ সুপার অজয় কুমারকে জানান তারা।

পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে নড়ে চড়ে বসে কুয়ারা থানা পুলিশ। তারপরই গ্রেফতার করা হয় চারজনকে। ধৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়৷

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় পুলিশ সুপার অজয় কুমার জানান, ‘ঘটনার তদন্তে উদাসীন পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে৷’ তিনি আরো বলেন, নির্যাতিতা নারী আপাতত হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার গোপন জবানবন্দি নেয়া হয়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: