বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বাংলাদেশে আরো সৌদি বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী  » «   কানাডায় প্রকাশ্যে গাঁজা বিক্রি শুরু, ক্রেতাদের ভিড়  » «   ৩৮৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার হবে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর  » «   ৪০ ঘণ্টা পর মানারত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী দুই নারী জঙ্গির আত্মসমর্পণ  » «   পূজায় বিজিবিকে মিষ্টি পাঠিয়েছে বিএসএফ  » «   উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ‘ট্রেনে কাটা’ পড়ে মৃত্যু  » «   আত্মসমর্পণের আহ্বানে সাড়া দিচ্ছে না জঙ্গিরা  » «   শিশু জয়নাব ধর্ষণ-হত্যা : ইমরানের ফাঁসি কার্যকর  » «   ‘বেত ও বেলুন দিয়ে মারে,পরে নখে সুই ঢুকিয়ে মাথার চুল কেটে দেয়’  » «   বউকে বৃষ্টিতে ফেলে ছাতা মাথায় ট্রাম্প!  » «   ঋণের পরিবর্তে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব ব্যাংক ম্যানেজারের,অতঃপর..  » «   খাশোগি নিখোঁজ, বেনিফিট অব ডাউটের সুবিধা পাচ্ছে সৌদি  » «   নিরাপদ খাদ্যে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি: ক্যাব সভাপতি  » «   শাবিপ্রবি’র ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ  » «   আত্মসমর্পণ না করলে ‘নিলুফা ভিলায়’ অভিযান আজ  » «  

নীতিমালা সংশোধন: ব্যান্ডউইথের গতি দশের কম হলে দুর্বল সেবা



তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক:: প্রযুক্তির যুগে উচ্চগতির (ব্যান্ডউইথ) সেবা প্রদানে তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যান্ডউইথের গতি ১০ এমবিপিএসের কম হলে তাকে দুর্বল সেবা হিসেবে গণ্য করা হবে। এ ধরনের বিধান রেখে জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা ২০০৯-এর ধারাতে সংশোধনী এনেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। এ-সংক্রান্ত নীতিমালা জারির পর এ পর্যন্ত ৩ দফা সংশোধনী আনা হলো।

এর আগে ২০০৯ সালে প্রথম জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা জারি করে ব্রান্ডউইথের গতি ১২৮ কেবিপিএস নির্ধারণ করা হয়। সময় এবং বাস্তবতার নিরীখে ওই সময়ে প্রণীত কেবিপিএসের গতি নির্ধারিত গতির কম হলে তাকে দুর্বল সেবা হিসেবে ধরা হবে; এ শর্তজুড়ে দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। এখনো তা বহাল রাখা হয়েছে। পরে পরিস্থিতি পরিবর্তে সময়ে এ ব্যান্ডউইথের গতি ২০১৩ সালে সংশোধন করে ১ এমবিপিএস (১ এমবিপিএস অর্থ ১০২৪ কেবিপিএস), ২০১৬ সালে ৫ এমবিপিএস এবং সর্বশেষ ২০১৮ সালে ব্যান্ডউইথের গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করল। গতকাল রোববার ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিবুর রহমান স্বাক্ষরে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আজ (১ অক্টোবর) থেকে এটা কার্যকর হবে।

জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যান্ডউইথকে উচ্চগতির তথ্য আদান-প্রদানকে বোঝায়, যা আগের ডায়ালআপ প্রযুক্তির প্রতিস্থাপন। কারণ ইন্টারনেটের প্রচলিত গতির চেয়ে বেশি গতি বহন করে ব্যান্ডউইথ। তবে, ন্যূনতম ব্যান্ডউইথ প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তনযোগ্য।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, গ্রাহকের কাছে এই ন্যূনতম ব্যান্ডউইথপ্রাপ্তি পরে বাড়াতে হবে, তা স্টেকহোল্ডারদের নিশ্চিত করতে হবে। সজ্ঞায় বর্তমান নির্ধারিত ১০ এমবিপিএসের কম গতির সেবা সার্ভিসকে দুর্বল (ন্যারোব্যান্ড) সেবা হিসেবে বিবেচিত হবে।

এদিকে, ২০১৩ সালে ব্যান্ডউইথের নীতিমালা প্রণয়ন করা হলেও এর আগে থেকেই ম্যাগা ব্যান্ডউইথের প্রচলন ছিল দেশে। তবে, গত বছরে বাংলাদেশ পঞ্চম সাবমেরিন কেবলে (দেশে দ্বিতীয়) যুক্ত হয়, ওই সময় নতুন করে আরো ১৫০০ গিগাবাইট ব্যান্ডউইথপ্রাপ্ত হয়। এতে গ্রাহকরা আশা করেছিলেন, নতুন ব্যান্ডউইথ যুক্ত হলে দেশে ইন্টারনেট সেবার মান বাড়বে এবং কমবে খরচ। যদিও এর আগেও ইন্টারনেট সেবার খরচ কমাতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেওয়ার পর ব্যান্ডউইথের দাম কমিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু গ্রাহকপর্যায়ে তা পৌঁছায়নি। বরং ইন্টারনেট সেবার মূল্য ও গতি নিয়ে সব সময় অভিযোগ করে আসছেন গ্রাহকরা।

বিএসসিসিএল সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে প্রতি মেগা ব্যান্ডউইথ বিক্রি হতো ৭২ হাজার টাকায়, ২০০৯ সালে ১২ হাজার টাকা, ২০১১ সালে ১০ হাজার টাকা, ২০১২ সালে ৮ হাজার টাকা এবং বর্তমানে ৬২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত ১০ বছরে প্রতি মেগা ব্যান্ডইউথে দাম কমেছে ৭১ হাজার ৩৭৫ টাকা। তবে ব্যান্ডউইথের এই মূল্য কমানোর সঙ্গে সঙ্গে ইন্টারনেটের মূল্য কমানো কিংবা উন্নতমানের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে ততটা অগ্রগতি লক্ষ করা যায়নি। সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, ব্যান্ডউইথের দামের সঙ্গে ইন্টারনেটের দাম কমার সম্পর্ক খুবই কম। কারণ ব্যান্ডউইথ কিনতে তাদের যে টাকা খরচ হয়, তা ইন্টারনেট সেবাদানের মোট খরচের মাত্র ৫ থেকে ৮ শতাংশ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: