রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চমক থাকছে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে  » «   দুই-তিন দিনের মধ্যে ইসিতে যাবে বিএনপি  » «   কাদের সিদ্দিকী রাজাকার, বদমাইশ : মির্জা আজম  » «   নির্বাচনের ৭ দিন আগে ব্যালট পৌঁছে যাবে: ইসি সচিব  » «   রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চান ড. কামাল  » «   যুক্তরাষ্ট্র-অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড কানাডায় বোমা হামলার হুমকি  » «   ক্ষমা চাইলেন ড. কামাল  » «   মন্দিরের প্রসাদ খেয়ে ১১ জনের মৃত্যু, অসুস্থ ৮১  » «   ২৪ ডিসেম্বর মাঠে নামছে সেনাবাহিনী, থাকবেন ম্যাজিস্ট্রেটও  » «   ইন্টারনেটে ধীর গতি ও মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধ চায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী  » «   প্রার্থিতা নিয়ে শুনানি: আদালতের প্রতি খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের অনাস্থা  » «   আওয়ামী লীগ ১৬৮ থেকে ২২০ আসনে জিতবে: জয়  » «   সিলেট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার মনোনয়ন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট  » «   আম্বানি কন্যার বিয়েতে নাচলেন হিলারি ক্লিনটন [ভিডিও ]  » «   সিলেট-১ আসনে ধানের শীষের প্রচারণার একসঙ্গে মুক্তাদির-আরিফ  » «  

নীতিমালা সংশোধন: ব্যান্ডউইথের গতি দশের কম হলে দুর্বল সেবা



তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক:: প্রযুক্তির যুগে উচ্চগতির (ব্যান্ডউইথ) সেবা প্রদানে তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যান্ডউইথের গতি ১০ এমবিপিএসের কম হলে তাকে দুর্বল সেবা হিসেবে গণ্য করা হবে। এ ধরনের বিধান রেখে জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা ২০০৯-এর ধারাতে সংশোধনী এনেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। এ-সংক্রান্ত নীতিমালা জারির পর এ পর্যন্ত ৩ দফা সংশোধনী আনা হলো।

এর আগে ২০০৯ সালে প্রথম জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা জারি করে ব্রান্ডউইথের গতি ১২৮ কেবিপিএস নির্ধারণ করা হয়। সময় এবং বাস্তবতার নিরীখে ওই সময়ে প্রণীত কেবিপিএসের গতি নির্ধারিত গতির কম হলে তাকে দুর্বল সেবা হিসেবে ধরা হবে; এ শর্তজুড়ে দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। এখনো তা বহাল রাখা হয়েছে। পরে পরিস্থিতি পরিবর্তে সময়ে এ ব্যান্ডউইথের গতি ২০১৩ সালে সংশোধন করে ১ এমবিপিএস (১ এমবিপিএস অর্থ ১০২৪ কেবিপিএস), ২০১৬ সালে ৫ এমবিপিএস এবং সর্বশেষ ২০১৮ সালে ব্যান্ডউইথের গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করল। গতকাল রোববার ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিবুর রহমান স্বাক্ষরে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আজ (১ অক্টোবর) থেকে এটা কার্যকর হবে।

জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যান্ডউইথকে উচ্চগতির তথ্য আদান-প্রদানকে বোঝায়, যা আগের ডায়ালআপ প্রযুক্তির প্রতিস্থাপন। কারণ ইন্টারনেটের প্রচলিত গতির চেয়ে বেশি গতি বহন করে ব্যান্ডউইথ। তবে, ন্যূনতম ব্যান্ডউইথ প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তনযোগ্য।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, গ্রাহকের কাছে এই ন্যূনতম ব্যান্ডউইথপ্রাপ্তি পরে বাড়াতে হবে, তা স্টেকহোল্ডারদের নিশ্চিত করতে হবে। সজ্ঞায় বর্তমান নির্ধারিত ১০ এমবিপিএসের কম গতির সেবা সার্ভিসকে দুর্বল (ন্যারোব্যান্ড) সেবা হিসেবে বিবেচিত হবে।

এদিকে, ২০১৩ সালে ব্যান্ডউইথের নীতিমালা প্রণয়ন করা হলেও এর আগে থেকেই ম্যাগা ব্যান্ডউইথের প্রচলন ছিল দেশে। তবে, গত বছরে বাংলাদেশ পঞ্চম সাবমেরিন কেবলে (দেশে দ্বিতীয়) যুক্ত হয়, ওই সময় নতুন করে আরো ১৫০০ গিগাবাইট ব্যান্ডউইথপ্রাপ্ত হয়। এতে গ্রাহকরা আশা করেছিলেন, নতুন ব্যান্ডউইথ যুক্ত হলে দেশে ইন্টারনেট সেবার মান বাড়বে এবং কমবে খরচ। যদিও এর আগেও ইন্টারনেট সেবার খরচ কমাতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেওয়ার পর ব্যান্ডউইথের দাম কমিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু গ্রাহকপর্যায়ে তা পৌঁছায়নি। বরং ইন্টারনেট সেবার মূল্য ও গতি নিয়ে সব সময় অভিযোগ করে আসছেন গ্রাহকরা।

বিএসসিসিএল সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে প্রতি মেগা ব্যান্ডউইথ বিক্রি হতো ৭২ হাজার টাকায়, ২০০৯ সালে ১২ হাজার টাকা, ২০১১ সালে ১০ হাজার টাকা, ২০১২ সালে ৮ হাজার টাকা এবং বর্তমানে ৬২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত ১০ বছরে প্রতি মেগা ব্যান্ডইউথে দাম কমেছে ৭১ হাজার ৩৭৫ টাকা। তবে ব্যান্ডউইথের এই মূল্য কমানোর সঙ্গে সঙ্গে ইন্টারনেটের মূল্য কমানো কিংবা উন্নতমানের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে ততটা অগ্রগতি লক্ষ করা যায়নি। সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, ব্যান্ডউইথের দামের সঙ্গে ইন্টারনেটের দাম কমার সম্পর্ক খুবই কম। কারণ ব্যান্ডউইথ কিনতে তাদের যে টাকা খরচ হয়, তা ইন্টারনেট সেবাদানের মোট খরচের মাত্র ৫ থেকে ৮ শতাংশ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: