বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দুই প্রকৌশলীকে পেটালেন আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতারা  » «   সিলেটে বিদেশী মদসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার  » «   রেল লাইন সংস্কারের দাবিতে শাহবাগে সিলেটি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধবন  » «   আসামে নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়লেন আরও এক লাখ  » «   বিশ্বনাথে ডাকাতের সঙ্গে গোলাগুলি, ৫ পুলিশ গুলিবিদ্ধ  » «   প্রাথমিকে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর  » «   স্বাস্থ্যসনদ পেলেন সাড়ে ৬২ হাজার হজ গমনেচ্ছু  » «   হবিগঞ্জে পিস্তল ঠেকিয়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই  » «   সাংবাদিকদের বিক্ষোভ কর্মসূচি, ক্ষমা চাইতে হবে দুদককে  » «   যুক্তরাষ্ট্রে যাবার সময় নদীতে ডুবলো শরণার্থী বাবা-মেয়ে  » «   দেশে ফিরছেন সাগরে ভাসা আরও ২৪ বাংলাদেশি  » «   অস্ট্রেলিয়ায় আগুনে পুড়ে ৩ ভাই-বোন নিহত  » «   অবশেষে বরখাস্ত ডিআইজি মিজান  » «   সরকারি চাকরিতে ডোপটেস্ট বাধ্যতামূলক করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   ঘুষ নেয়ার ভিডিও করায় সাংবাদিককে পেটাল পুলিশ, ৪ পুলিশ সদস্য ক্লোজড  » «  

নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য অজুহাত খোঁজে আমেরিকা: রাশিয়া



আন্তর্জাতিক ডেস্ক :রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, বিশ্বের দেশগুলোর বিরুদ্ধে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রবণতা থেকে বোঝা যায়, অবরোধ আরোপের জন্য সারাক্ষণ অজুহাতের সন্ধানে থাকে ওয়াশিংটন। খবর পার্সটুডে’র।

তিনি গতকাল আরো বলেছেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের লক্ষ্যে ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রকে নিছক অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করেছে আমেরিকা। জাখারোভা মস্কোয় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, একতরফা নিষেধাজ্ঞা আরোপের খেলা আমেরিকাই আগে শুরু করেছে এবং মস্কো এর বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, তুরস্ক, চীন, ইরান, এমনকি ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিরুদ্ধে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রবণা দেখলে মনে হয়, মার্কিন সরকার একটি প্রকৃত বাণিজ্যিক যুদ্ধ শুরু করতে চায়।

জাখারোভা বলেন, মস্কো বিশ্বাস করে, ক্রিমিয়া উপত্যকা নিয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করেছে তার সব ছিল মিথ্যা ও বানোয়াট। নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য আমেরিকার আসলে একটি অজুহাতের প্রয়োজন ছিল এবং তারা তা পেয়ে গেছে।

২০১৪ সালের ১৭ মার্চ ইউক্রেনের তৎকালীন প্রজাতন্ত্র ক্রিমিয়ায় অনুষ্ঠিত এক গণভোটে সেখানকার ৯৬.৮ শতাংশ জনগণ রাশিয়ায় যোগ দেয়ার পক্ষে রায় দেন। ওই রায়ের জের ধরে ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রকে রুশ ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত করে নেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

ওই ঘটনার পর আমেরিকা ও তার পশ্চিমা মিত্ররা রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং রাশিয়ার সীমান্তের কাছে সামরিক তৎপরতা জোরদার করে। তবে পাশ্চাত্যের এসব তৎপরতা সত্ত্বেও রাশিয়া তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেনি। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ পর্যন্ত কয়েকবার ক্রিমিয়া উপদ্বীপ সফর করেছেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: