শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার খবরটি ‘টোটালি ফলস’  » «   শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে: খাদ্যমন্ত্রী  » «   জামায়াত নতুন নামে পুরনো চরিত্রে ফিরে আসে কিনা তা ভাবনার বিষয়  » «   সুস্থ থাকলে শেখ হাসিনার বিকল্প দরকার নেই  » «   নন্দলালের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন না: ইসি রফিকুল  » «   এমপি হিসেবে শপথ নিলেন সৈয়দ আশরাফের বোন ডা. জাকিয়া  » «   রোহিঙ্গাদের নৃশংসতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান মিয়ানমার সেনাপ্রধানের!  » «   যেসব শর্তে আত্মসমর্পণ করছেন ১০২ ইয়াবা ব্যবসায়ী  » «   নাসা আ্যপস চ্যালেঞ্জে বিশ্বসেরা শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়  » «   বাংলা একাডেমিতে আল মাহমুদের মরদেহ, শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে জোবায়ের অনুসারীদের ইজতেমা শেষ  » «   যেভাবে ভারতীয় সেনাবহরে হামলা চালায় জঙ্গিরা  » «   রোহিঙ্গা নিপীড়ন তদন্তে মার্চে বাংলাদেশ আসছে আইসিসি প্রতিনিধিদল  » «   ব্যাটিং ব্যর্থতায় সিরিজ হার বাংলাদেশের  » «   যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন ট্রাম্প  » «  

নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য অজুহাত খোঁজে আমেরিকা: রাশিয়া



আন্তর্জাতিক ডেস্ক :রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, বিশ্বের দেশগুলোর বিরুদ্ধে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রবণতা থেকে বোঝা যায়, অবরোধ আরোপের জন্য সারাক্ষণ অজুহাতের সন্ধানে থাকে ওয়াশিংটন। খবর পার্সটুডে’র।

তিনি গতকাল আরো বলেছেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের লক্ষ্যে ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রকে নিছক অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করেছে আমেরিকা। জাখারোভা মস্কোয় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, একতরফা নিষেধাজ্ঞা আরোপের খেলা আমেরিকাই আগে শুরু করেছে এবং মস্কো এর বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেবে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, তুরস্ক, চীন, ইরান, এমনকি ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিরুদ্ধে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রবণা দেখলে মনে হয়, মার্কিন সরকার একটি প্রকৃত বাণিজ্যিক যুদ্ধ শুরু করতে চায়।

জাখারোভা বলেন, মস্কো বিশ্বাস করে, ক্রিমিয়া উপত্যকা নিয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করেছে তার সব ছিল মিথ্যা ও বানোয়াট। নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য আমেরিকার আসলে একটি অজুহাতের প্রয়োজন ছিল এবং তারা তা পেয়ে গেছে।

২০১৪ সালের ১৭ মার্চ ইউক্রেনের তৎকালীন প্রজাতন্ত্র ক্রিমিয়ায় অনুষ্ঠিত এক গণভোটে সেখানকার ৯৬.৮ শতাংশ জনগণ রাশিয়ায় যোগ দেয়ার পক্ষে রায় দেন। ওই রায়ের জের ধরে ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রকে রুশ ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত করে নেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

ওই ঘটনার পর আমেরিকা ও তার পশ্চিমা মিত্ররা রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং রাশিয়ার সীমান্তের কাছে সামরিক তৎপরতা জোরদার করে। তবে পাশ্চাত্যের এসব তৎপরতা সত্ত্বেও রাশিয়া তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেনি। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ পর্যন্ত কয়েকবার ক্রিমিয়া উপদ্বীপ সফর করেছেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: