শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
তিন সিটিতে বিএনপির মেয়র প্রার্থী যারা  » «   ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: চিদম্বরমের সময় অমিত, অমিতের সময় চিদম্বরম গ্রেপ্তার  » «   অক্টোবর থেকে মোবাইল অ্যাপে মিলবে বিমানের টিকিট  » «   আগামীকাল জুমার নামাজের পর গণবিক্ষোভের ডাক কাশ্মীরিদের  » «   হবিগঞ্জে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে নবজাতক চুরি, নারী আটক  » «   কলকাতায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশির মৃত্যু, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ  » «   ভীতি কাটাতে চা বিস্কুট খেতে খেতে ভাইভা দেবেন বিসিএস পরীক্ষার্থীরা  » «   তৃতীয় ড্রিমলাইনার ‘গাঙচিল’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   রাস্তার পাশে চা বানাচ্ছেন মমতা! ভিডিও ভাইরাল  » «   ঋণের টাকায় ভারত থেকে অস্ত্র কিনবে বাংলাদেশ  » «   কানাইঘাটে মৃত্যুর পাঁচ মাস পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন  » «   কাশ্মীরে ফের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, গুলি চালিয়েছে পাকিস্তান  » «   রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হতে পারে আজ  » «   পুলিশের ছেলে বিশ্বের এক নম্বর ডন  » «   জাহালম কাণ্ড: ১১ তদন্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা  » «  

নির্বাচন নিয়ে বিএনপির হুঁশিয়ারি



নিউজ ডেস্ক::নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যতই মহাপরিকল্পনা করুক, বিএনপি এবং খালেদা জিয়া ছাড়া দেশে কোন নির্বাচন হতে দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

আগামী নির্বাচনে কোন পার্টি আসলো বা আসলো না তাতে কিছু আসে যায় না, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে।আদালতের সাজা পেয়ে খালেদা জিয়া কারাগারে, এখানে সরকারের কিছু করার নেই। গতকাল (২ মে) সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিকারগ্রস্ত মনেরই বহি:প্রকাশ। এটা বাকশালী শাসনতন্ত্রের কন্ঠস্বর। কারণ বাকশালী শাসকরা জনগণকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, কারণে অকারণে জ্ঞান দেয়। গতকাল প্রধানমন্ত্রী সেটাই করেছেন। তাঁর গতকালের সাংবাদিক সম্মেলনের বক্তব্য হিংসায়-প্রতিহিংসায় আকন্ঠ আপ্লুত।

বৃহস্পতিবার (৩ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন দায়িত্ব নেন তখন তাঁর বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা ছিল। স্বাভাবিক গতিতে মামলা চললে উনার যাবজ্জীবন দন্ড হতে পারতো। প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতার জোরে মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্ব সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলতে চাই-আপনি ‘৮১ সালে দলের সভানেত্রী কিভাবে এবং কোন দেশে থেকে হয়েছিলেন সেটা কি আপনার মনে আছে ? তখন আওয়ামী লীগে অনেক বর্ষিয়ান নেতা ছিলেন, তাদেরকে ডিঙ্গিয়ে আপনি কিভাবে দলের সভাপতি হয়েছিলেন। আপনি তো আওয়ামী লীগের সদস্যও ছিলেন না।

তিনি বলেন, তারেক রহমান দলে ধাপে ধাপে সদস্য, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং পরে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন। তিনি ধারাবাহিকভাবেই জাতীয় রাজনীতির আজকের অবস্থানে উন্নীত হয়েছেন। আপনার এবং আপনার আন্দোলনের ফসলদের ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত-নির্যাতন-নিপীড়ণ সহ্য করেও জনাব তারেক রহমান নিজস্ব আদর্শে অটল থেকে জনগণের মধ্যে যে আস্থার জায়গাটি পেয়েছেন সেজন্যই প্রধানমন্ত্রীর অত্যুগ্র হিংসা জনাব তারেক রহমানের দিকে ধেয়ে আসে। আর আপনি কোন রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ব্যতিরেকেই সরাসরি আওয়ামী লীগের সভাপতির পদে উড়ে এসে জুড়ে বসেছেন। প্রধানমন্ত্রী আয়নার দিকে তাকিয়ে কথা বলেন না, এটাই তাঁর সমস্যা।

তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান ভোটারবিহীন সরকার যেভাবে ক্ষমতায় আসীন হয়েছে সেটির পূণরাবৃত্তির দিবাস্বপ্ন আওয়ামী নেতারা দেখতে পারেন, কিন্ত এদেশে আর একতরফা জাতীয় নির্বাচন হবে না। তাই শেখ হাসিনা যতই মহাপরিকল্পনা করুন না কেন, সেই নীলনকশার নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে পারবেন না। পরিবর্তনের ঝড়ো বাতাস বইতে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রীর গতকালের বক্তব্যের আস্ফালন অন্তর্গত ভীতিরই বহি:প্রকাশ। আদালতকে ব্যবহার করে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা সাজানো মামলায় সাজা দিয়ে কারাবন্দী করে রেখেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলছেন, খালেদা জিয়ার সাজা আদালতের ব্যাপার। কিন্তু আদালত নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিহিংসার রায় এটি। প্রধানমন্ত্রী আপনার কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই, যে দেশের প্রধান বিচারপতিকে বন্দুকের নলের মুখে দেশ ছাড়তে হয়, পদত্যাগ করে দেশের বাইরে নির্বাসিত জীবন যাপন করতে হয়, সেখানে আদালতের স্বাধীনতা থাকে কি করে ? আপনি যতই মিথ্যাচার করুন না কেন, আপনার কথা জনগণ বিশ্বাস করে না। আমি জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির পক্ষ থেকে আপনাকে পরিস্কার করে বলে দিতে চাই-বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ছাড়া কোন জাতীয় নির্বাচন হবে না। বাংলাদেশের জনগণ তা হতে দেবে না। আপনি যতই কুটকৌশল করেন না কেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে এবং সব দলের অংশগ্রহণে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: