বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকরের ‘বিরোধিতায়’ ১১ জেলায় বাস চালানো বন্ধ  » «   নগরীতে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে পিয়াজ, ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন  » «   বলিভিয়ার অশান্তির নেপথ্যে ‘সাদা সোনা’, যা পরবর্তী বিশ্বের আকাঙ্ক্ষিত বস্তু  » «   আবরার হত্যা: পলাতক চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি  » «   ‘অপকর্মে’ সংকুচিত দ. কোরিয়ার শ্রমবাজার  » «   ৩০০ টাকার পিয়াজ সরকারের দিনবদলের সনদ: ডাকসু ভিপি নুর  » «   অযোধ্যা রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করছে মুসলিমরা  » «   ভাঙছে শরিক দল সঙ্কটে ঐক্যফ্রন্ট  » «   হলি আর্টিসান হামলা: রায় ২৭ নভেম্বর  » «   চাকা ফেটেছে নভোএয়ারের, ভাগ্যগুণে বেঁচে গেলেন ৩৩ যাত্রী  » «   হাত-পা ছাড়াই মুখে ভর করে লিখে পিইসি দিচ্ছে লিতুন  » «   প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া বিএনপির চিঠিতে আবরার হত্যার বর্ণনা  » «   ১৫০ যাত্রী নিয়ে মাঝ আকাশে বিপাকে ভারতীয় বিমান, রক্ষা করল পাকিস্তান  » «   বিমান ছাড়াও ট্রেন, ট্রাক, বাসে করে আসছে পেঁয়াজ: সিলেটে পরিকল্পনামন্ত্রী  » «   চুক্তির তথ্য জানতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিল বিএনপি  » «  

নির্বাচনে পুরনো কৌশলেই এরশাদ!



নিউজ ডেস্ক::সরকার দল, বিরোধী দল পাল্টাপাল্টি পদত্যাগ নিয়ে ২০১৪ সালে যেমন নানা নাটকীয়তার পর তাদের কোনো ঘোষণাই টেকেনি। এবারও নির্বাচন সামনে রেখে একই কৌশলে এগোচ্ছে জাতীয় পার্টি। এছাড়া দেশের অন্যতম দল বিএনপির নির্বাচনে অংশ নেয়া নিয়ে জাতীয় পার্টির নেতাদের বক্তব্যও অনেকটা তারই ইঙ্গিত দেয়।

শিগগিরই তার দলের মন্ত্রীরা পদত্যাগ করবেন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ এর মুখে পদত্যাগের এমন ঘোষণার পরে এমনটাই মনে করছেন সবাই।

জাতীয় পার্টির সূত্র জানিয়েছে, এ পর্যন্ত দলের তিন মন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে দলীয়ভাবে কোনো আলোচনা হয়নি। এ পর্যন্ত আলোচনার কোনো লক্ষণও নেই। এছাড়া এ নিয়ে অতীতে কয়েকবার আলোচনা হলেও মন্ত্রীরা ওই আলোচনাকে গুরুত্ব দেননি। দলীয় সূত্র বলছে, এরশাদ পদত্যাগের ঘোষণা দিলেও খুব শিগগিরই তারা পদত্যাগ করছেন না। পরিস্থিতি দেখেই এরশাদ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। আসন্ন নির্বাচন কেমন হবে, ওই নির্বাচনে সব দল অংশ নিলে কি পরিস্থিতি হয় তার একটা আগাম বার্তা পেলেই তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

পার্টির কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ হন বিরোধী দলের নেতা। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূতের দায়িত্ব নেন পার্টি চেয়ারম্যান এরশাদ। দলের তিন নেতা দায়িত্ব নেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর।

দেশের রাজনীতিতে বিরল এক ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় দলটি। একই সঙ্গে সরকার ও বিরোধী দলে অবস্থান নিয়ে দেশে-বিদেশে সমালোচনার মুখে পড়লেও গত চার বছরে অনেকটা নির্বিকারই ছিল দলটি। কিন্তু জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে হঠাৎ সরব হয়েছেন নেতারা। তারা এবার পদত্যাগের সুর তুলেছেন। সংসদের বিরোধী দলের নেতা রওশন এরশাদ নিজেই প্রশ্ন তুলেছেন, তারা সরকারে আছেন না বিরোধী দলে? প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন জানিয়েছেন, জাতীয় মন্ত্রীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়ার।

শুক্রবার (২ মার্চ) রংপুরে পার্টি চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ ঘোষণা দিয়েছেন কিছু দিনের মধ্যেই তিনিসহ দলের মন্ত্রীরা পদত্যাগ করবেন। তবে দলের নেতারা মন্ত্রীদের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো তথ্যই জানেন না। এ নিয়ে দলীয় ফোরামেও এখন পর্যন্ত কোনো আলোচনা হয়নি।

এদিকে ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর সরকার ও বিরোধী দলের অবস্থান নেয়া নিয়ে দলেই অস্বস্তি দেখা দেয়। দলীয় বিভিন্ন সভা-সমাবেশে নেতারা এ নিয়ে প্রকাশ্যে উষ্মা প্রকাশ করেন। সমালোচনার মুখে পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ কয়েক দফা পদত্যাগের ঘোষণা দেন। যদিও কোনোবারই দলীয় মন্ত্রীদের পদত্যাগের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি পার্টি ফোরামে। সরকার গঠনের বছরেই একটি টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে জাপার মন্ত্রীদের পদত্যাগের কথা জানান এরশাদ।

তার এ ঘোষণার পর গণমাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন জাতীয় পার্টির তিন মন্ত্রী। তাদের কেউ কেউ উল্টো মন্ত্রী মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূতের দায়িত্বে থাকা এরশাদের পদত্যাগ দাবি করেন। পরে অবশ্য কিছুদিন এরশাদ এ নিয়ে আর কথা বলেননি। ২০১৫ সালে রংপুরে এক অনুষ্ঠানে ফের এ নিয়ে কথা বলেন এরশাদ। জাতীয় পার্টিকে প্রকৃত বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করতে দলের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের পদত্যাগ করতে বলেন তিনি। পরের বছর জানুয়ারিতে পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্যদের নিয়ে বৈঠকের পর এরশাদ বলেছিলেন, শিগগিরই তিনি পার্টির মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পদত্যাগ করতে বলবেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: