বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আফগানিস্তানে হাসপাতালে ভয়াবহ হামলা, নিহত ২০  » «   রাজনীতিতে যোগ দেবেন নুর, জানালেন দলের নাম  » «   নারায়ণগঞ্জে একই পরিবারের ৩ জনকে গলা কেটে হত্যা  » «   মোদিকে আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতি দিলোনা পাকিস্তান  » «   ৮ ভোটে হেরে গেলেন ছাত্রদলের সেই শ্রাবণ  » «   সিলেটের ৬ জনসহ বদলি হলেন ৫৩ বিচারক  » «   ক্যাসিনোর টাকার ভাগ কে কে পেতেন, নাম বলছেন খালেদ  » «   অমর নায়ক সালমানের জন্মবার্ষিকী আজ  » «   ছাত্রদলের সভাপতি খোকন, সাধারণ সম্পাদক শ্যামল  » «   মাদরাসা ছাত্রীকে জিনে নিয়ে গেছে!  » «   রোহিঙ্গাদের এনআইডি বানিয়ে দিয়ে কোটিপতি!  » «   প্রধানমন্ত্রীর পদ হারাচ্ছেন নেতানিয়াহু!  » «   ৬০ নম্বরের পরীক্ষা দিয়ে হতে হবে ছাত্রলীগ নেতা  » «   মিয়ানমার তাদের লোকদের ফেরত নিতে রাজি হয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   রাজশাহীতে মা-ছেলে হত্যায় আ.লীগ নেতাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড  » «  

নবীগঞ্জে নেই কৃষকের ঈদ আনন্দ, ব্যবসায়ীরাও হতাশ



নিউজ ডেস্ক:: নবীগঞ্জ উপজেলাজুড়ে কৃষকের মাঝে নেই ঈদ আনন্দ। ধানের মূল্য কম হওয়ায় উপজেলার কৃষক পরিবারের ঈদ আনন্দ ম্লান হয়ে গেছে। ঈদ দুয়ারে কড়া নাড়লেও ঈদের আনন্দ যেন তাদের কাছে বিষাদে রূপ নিয়েছে।

এদিকে কৃষক পরিবারে ঈদ না থাকার চাপ পড়েছে ঈদ বাজারেও। ক্রেতাশূন্য ঈদ বাজারে মাথায় হাত পড়েছে ব্যবসায়ীদেরও। বিভিন্ন ধরণের জিনিস আর বাহারি সব কাপড়ের পসরা সাজিয়ে বসলেও কাঙ্কিত ক্রেতার দেখা মিলছে না।

নবীগঞ্জ শহরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতাশূন্য বিতাণী বিতানগুলো। ক্রেতার দেখা না মেলায় বসে রয়েছে কর্মচারিরা। শুধু কৃষক পরিবারই নয়, ভালো বেচা-বিক্রি না হওয়ায় ঈদ নিয়ে বিষাদে পুড়ছেন ব্যবসায়ীরাও। কর্মচারিদের বেতন-বোনাস দেয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছে ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন- উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারগুলোতে ঈদে জামজমাট বিকি-কিনি হলেও এ বছরের দৃশ্য অন্যরকম। ঈদের বর্ণিল সাজে দোকানগুলো সাজলেও ক্রেতা কম। কারণ একটাই ধানের মূল্য কম।

নবীগঞ্জ শহরের ব্যবসায়ী মঈনুল হক জানান, ঈদ উপলক্ষে ভালো বিক্রির আশায় অনেক কাপড় দোকানে তুলেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত তিন ভাগের এক ভাগও বিক্রি করতে পারিনি।’ তিনি বলেন- ‘লাভ তো দূরের কথা, কর্মচারিদের বেতন-বোনাস কি করে দেব তা বুঝে উঠতে পারছি না। এ অবস্থা আমাদের বিশাল লোকসান গুণতে হবে।’

শেরপুর রোডের ব্যবসায়ী তৌফিক ইসলাম জানান- ‘গত বছরের তুলনায় এ বছর অনেক কম বিকি-কিনি হচ্ছে। কাপড় ব্যবসায়ীরা আশায় থাকেন ঈদে ভালো বিক্রি করার। কিন্তু এই ঈদ যেন কাপড় ব্যবসায়ীদের জন্য হতাশা নিয়ে এসেছে।

এ ব্যাপারে উপজেলার বাউশা গ্রামের আজাদ মিয়া জানান- এ বছর ধানের বাম্পার ফলন হয়েছিলো। ভেবেছিলাম ঈদে ছেলে মেয়েদের ভালো কাপড়-চোপড় কিনে দেব। কিন্তু আমাদের সেই আনন্দ মলিন করে দিয়েছে ধানের কম দাম।’

তিনি বলেন- ভালো কাপড় কেনাতো দূরের কথা পুরাতন কাপড়ও ছেলে মেয়েদের দিতে পারব কি-না জানি না।’

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: