বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
১৪৪ ধারা ভঙ্গের অপরাধে ৩ জনকে জরিমানা, দায়িত্বে অবহেলায় ৪ জনকে অব্যাহতি  » «   মুক্তিযোদ্ধা হতে একাত্তরে ন্যূনতম বয়স নিয়ে রুল  » «   এবার নেচে গেয়ে দর্শক মাতাবেন শামীম ওসমান  » «   বাংলাদেশ সচেতন ছাত্র ফোরামের উদ্যেগে দুঃস্থ ও এতিমদের নিয়ে তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মদিন পালন  » «   বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস ভাংচুর মামলার আসামী যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থী  » «   ভর্তি জালিয়াতি চক্রের দুইজন আটক  » «   পাবনায় আইডিবি’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিক উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত  » «   তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মদিন পালন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল ফ্রান্স শাখা  » «   আরব সভ্যতা টিকবে না : আদোনিস  » «   জন্মদিনে তারেকের সুস্থতা কামনা করে খালেদার টুইট  » «   তনুর পরিবারকে ঢাকায় ডেকেছে সিআইডি  » «   যৌন হয়রানির শিকার উত্তর কোরিয়ার নারী সৈন্যরা  » «   মোদির বিরুদ্ধে আঙুল তুললে কেটে ফেলা হবে, হুমকি বিজেপি নেতার  » «   কমলগঞ্জে সংখ্যালঘুর বাড়িতে হামলা: পিইসি পরীক্ষার্থী সহ আহত ৩  » «   নাতির সঙ্গে পিএসপি পরীক্ষা দিচ্ছেন নানি  » «  

নতুন সম্পর্কের শুরুতে কি হয়?



লাইফস্টাইল ডেস্ক::প্রেমে পড়লে শরীরে তার ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, হাত ঘামতে থাকে, পেটের ভেতর কেমন শিরশির করে যেন একটা আরশোলা ঘুরে বেড়ায়৷ বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, এক ধরণের হরমোন আমাদের মনে উত্তেজনা ছড়ায় আর তার প্রতিক্রিয়া হিসেবেই ওইসব ঘটে৷ যে হরমোনের জন্য মন এত উতলা হয় তার নাম সেরেটোনিন।

প্রেমের সর্বোচ্চ পর্যায়ে কাজে নেমে পড়ে ডোপামিন৷ এই হরমোন-এর অন্য নাম, ‘সুখের হরমোন’৷ শুধু প্রেমে পড়লেই যে এই হরমোন ক্রিয়াশীল হয় তা কিন্তু নয়, কোকেন বা সিগারেটের নেশা করলেও ডোপামিন উজ্জীবিত হয়৷ এ কারণেই অনেকে বলেন, প্রেমে পড়া আর নেশা করা একই৷

প্রেমে পড়ার তিন-চার মাস পর সাধারণত সম্পর্কে একটা স্থিতি আসে৷ তখন শুরু হয় আরেক হরমোন অকসিটোসিনের কাজ৷ এই হরমোন দেহে বিশেষ বিশেষ মুহূ্র্তে তৈরি হয়৷ এই হরমোনের কারণে দু-জনের সম্পর্কটা আরো ঘনিষ্ঠ হয়৷ প্রেমিক-প্রেমিকা যখন চুম্বন করে, তখনও দুজনের শরীরে অকসিটোসিন তৈরি হয়৷ আর এভাবেই দুজন দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের পথে এগিয়ে যায়৷

তবে প্রেম যখন প্রথম প্রথম থাকে, তখন দুইজনের মাঝেই বিভিন্ন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। তাদের দুইজনের জীবনে শুধু একে-অপরের অধিকার প্রাধান্য পায়। একসাথে সবখানে যাবার প্রবল ইচ্ছা থাকে। একে-অপরকে ছাড়া কিছুই ভাবতে পারে না।

তখন একে-অপরের হাত এক মুহূর্তের জন্য ছাড়তে ইচ্ছে করে না। ফেসবুক-ইন্সটাগ্রামে সারাক্ষণ নিজেদের ছবি আপলোড করতে ইচ্ছা করে। যখনি একজনের সাথে আরেকজনের দেখা হয়, তখনি পেটে যেন প্রজাপতি উড়তে থাকে। তখন মনে হতে থাকে, আপনাদের মাঝে কখনও কোন সমস্যা হতেই পারে না। কিন্তু যখনি একটু ঝগড়া হবে তখনি ইচ্ছে হবে ব্রেক-আপ করে ফেললেই হয়ত সবকিছুর সমাধান হয়ে যাবে।

আবার যখন ঝগড়া শেষ হয়ে যাবে, তখন একে-অপরকে নিজেদের পৃথিবী মনে হয়। তবে সবসময় মনে রাখতে প্রতিটি সম্পর্ক খুব সুন্দর করে মানিয়ে নিতে হয়। মানিয়ে না নিলে কোন সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: