মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সিনেমায় এসে নাম বদলেছেন যেসব নায়ক-নায়িকা  » «   বিতর্কিত পুরস্কারের নিয়তি নিয়ে জাজের প্রতিবাদ, কিন্তু….  » «   বাজারে এলো দেশে তৈরি প্রথম ফুল ভিউ ডিসপ্লের স্মার্টফোন  » «   তদন্ত করে ডিসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস  » «   চট্টগ্রামে ঘর থেকে ১৫ ফুট লম্বা অজগর উদ্ধার  » «   চট্টগ্রাম হয়ে এলএনজি নিয়ে মাতারবাড়ি যাবে ‘এক্সিলেন্স’  » «   ‘বিনোদন নগরী’র উদ্বোধন করছেন সৌদি বাদশাহ  » «   চট্টগ্রাম ইন্ডি ফিল্ম ফেস্ট উপহার দিলো ‘দৃশ্যছায়া’  » «   শহীদ ফজলুল হক পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ে পুনর্মিলনী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত  » «   মিনিটে মেসির আয় ২৫ লাখ টাকা  » «   হাতী, জিরাফ, হিপ্পোর মৃত্যু হবে, বড় প্রাণী হবে ‘গরু’!  » «   ছেলেকে ক্রিকেটার বানাতে বাবার বাড়ি বিক্রি!  » «   পত্নীতলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নির্মল ঘোষের মৃত্যু : রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সৎকাজ সমপন্ন  » «   নির্বাচন কমিশনে নূন্যতম সৌজন্যবোধও নেই  ———————– : মোমিন মেহেদী  » «   সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত রাজীব : মৃত্যুর আগে খালার কাছে যা বলেছিল সেই রাজীব!  » «  

নতুন সম্পর্কের শুরুতে কি হয়?



লাইফস্টাইল ডেস্ক::প্রেমে পড়লে শরীরে তার ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, হাত ঘামতে থাকে, পেটের ভেতর কেমন শিরশির করে যেন একটা আরশোলা ঘুরে বেড়ায়৷ বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, এক ধরণের হরমোন আমাদের মনে উত্তেজনা ছড়ায় আর তার প্রতিক্রিয়া হিসেবেই ওইসব ঘটে৷ যে হরমোনের জন্য মন এত উতলা হয় তার নাম সেরেটোনিন।

প্রেমের সর্বোচ্চ পর্যায়ে কাজে নেমে পড়ে ডোপামিন৷ এই হরমোন-এর অন্য নাম, ‘সুখের হরমোন’৷ শুধু প্রেমে পড়লেই যে এই হরমোন ক্রিয়াশীল হয় তা কিন্তু নয়, কোকেন বা সিগারেটের নেশা করলেও ডোপামিন উজ্জীবিত হয়৷ এ কারণেই অনেকে বলেন, প্রেমে পড়া আর নেশা করা একই৷

প্রেমে পড়ার তিন-চার মাস পর সাধারণত সম্পর্কে একটা স্থিতি আসে৷ তখন শুরু হয় আরেক হরমোন অকসিটোসিনের কাজ৷ এই হরমোন দেহে বিশেষ বিশেষ মুহূ্র্তে তৈরি হয়৷ এই হরমোনের কারণে দু-জনের সম্পর্কটা আরো ঘনিষ্ঠ হয়৷ প্রেমিক-প্রেমিকা যখন চুম্বন করে, তখনও দুজনের শরীরে অকসিটোসিন তৈরি হয়৷ আর এভাবেই দুজন দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের পথে এগিয়ে যায়৷

তবে প্রেম যখন প্রথম প্রথম থাকে, তখন দুইজনের মাঝেই বিভিন্ন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। তাদের দুইজনের জীবনে শুধু একে-অপরের অধিকার প্রাধান্য পায়। একসাথে সবখানে যাবার প্রবল ইচ্ছা থাকে। একে-অপরকে ছাড়া কিছুই ভাবতে পারে না।

তখন একে-অপরের হাত এক মুহূর্তের জন্য ছাড়তে ইচ্ছে করে না। ফেসবুক-ইন্সটাগ্রামে সারাক্ষণ নিজেদের ছবি আপলোড করতে ইচ্ছা করে। যখনি একজনের সাথে আরেকজনের দেখা হয়, তখনি পেটে যেন প্রজাপতি উড়তে থাকে। তখন মনে হতে থাকে, আপনাদের মাঝে কখনও কোন সমস্যা হতেই পারে না। কিন্তু যখনি একটু ঝগড়া হবে তখনি ইচ্ছে হবে ব্রেক-আপ করে ফেললেই হয়ত সবকিছুর সমাধান হয়ে যাবে।

আবার যখন ঝগড়া শেষ হয়ে যাবে, তখন একে-অপরকে নিজেদের পৃথিবী মনে হয়। তবে সবসময় মনে রাখতে প্রতিটি সম্পর্ক খুব সুন্দর করে মানিয়ে নিতে হয়। মানিয়ে না নিলে কোন সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: