মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পর্নোগ্রাফির মামলা নিয়ে ভাবছেন না কুসুম শিকদার  » «   ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত আশরাফুল  » «   ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সন্তান পরিচয় দিয়ে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকুরী  » «   মানববন্ধনে রিজভীচাল নেই: সরকারি গোডাউনে ইঁদুর খেলা করছে  » «   নতুন বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন ময়ূরী  » «   ‘যৌন নিপীড়ন বন্ধে বাংলাদেশ জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে’  » «   মৌলভীবাজারে অং সান সুচির কুশপুত্তলিকা দাহ  » «   ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ুয়াদের অভিভাবকের নাম অন্তর্ভুক্তি চেয়ে রিট  » «   পদ্মায় নিখোঁজ কনস্টেবলের মরদেহ ২৪ ঘন্টায় উদ্ধার হয়নি  » «   রাজধানীর পানিতে ঝুঁকিপূর্ণ জীবন  » «   উপজেলা পর্যায়ে চালু হচ্ছে ওএমএস  » «   ‘মধ্যরাতে আমাকে ঘিরে ধরে মাতালেরা, এরপর শুরু করে…’  » «   ভদ্র চালকদের জন্য পুরস্কার  » «   শাহজালালে সিগারেটসহ ৬ ভারতীয় নাগরিক আটক  » «   ৮ সন্তানকে আনতে পেরেছি আরেকজন জেলে  » «  

নওগাঁয় খাবার পানির তীব্র সংকট



full_1674206590_1461679819নিউজ ডেস্ক: দেশের বরেন্দ্র অঞ্চল গুলোর মধ্যে ঠাঁঠাঁ বরেন্দ্র অঞ্চল নামে খ্যাত নওগাঁর পোরশা, সাপাহার, পত্নীতলা ও নিয়ামতপুর এলাকা। এসব এলাকায় পানির সংকটের পরও আশির দশকের পরে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যাবহারের মাধ্যমে এসব ঠাঁঠাঁ বরেন্দ্র এলাকার নিচু অঞ্চলে অপরিকল্পিতভাবে যত্র তত্র সেচ কাজের জন্য গভীর নলকূপ স্থাপন করায় প্রতিবছর ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর বা লেয়ার অস্বাবাভিক হারে নিচে নেমে যাচ্ছে আর সে কারণে বর্তমানে এই এলাকার বিভিন্ন গ্রামে হঠাৎ করে খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

চৈত্রের দাবাদাহ ও প্রচন্ড খরায় ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর অত্যাধিক হারে নিচে নেমে যাওয়ায় নওগাঁর সাপাহার উপজেলা সদরের নিকটবর্তী মানিকুড়া দিঘীপাড়া গ্রামের কূপগুলির পানি শুকিয়ে যাওয়ায় খাবার পানির তিব্র সংকট দেখা দিয়েছে। পানির অভাবে অত্যন্ত নোংরা পানিতে তারা নিত্য দিনের ধোয়া মোছার কাজ সারছেন।

মঙ্গলবার সরে জমিনে ওই গ্রামে গিয়ে পানি সংকটের এই চিত্র দেখা গেছে। গ্রামবাসী প্রয়োজনীয় পানির অভাবে বিপাকে পড়ে প্রতিদিন পানির সন্ধানে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে গিয়ে পানি সংগ্রহ করে জীবন যাপন করছেন। গ্রামে অবস্থিত একমাত্র কূপটি শুকিয়ে যাওয়ায় সারা রাত ধরে জমানো পানি টুকু সংগ্রহ করতে গ্রামবাসীরা রাত ৩টা থেকে ওই কূপে ভিড় জমিয়ে জীবন বাঁচানোর মতো একটু করে পানি সংগ্রহ করতেই কূপটি আবারো শুকিয়ে যাচ্ছে। ফলে তারা কোন রকমে সকালের খাবার শেষে প্রয়োজনীয় পানির জন্য প্রতিদিন বিকেলে গ্রামের মেয়ে ও বধুরা পাশের গ্রামগুলিতে সারিবদ্ধ ভাবে কলসি কাঁকে পানি সংগ্রহ করতে যাচ্ছে।

ঐ গ্রামের কয়েকজন গৃহ বধুর সাথে কথা হলে তারা জানান, পানির জন্য এক সাথে বেশ কয়েকজন পাশের কোন গ্রামের কূপে গেলে সেখানেও আস্তে আস্তে পানির সঙ্কট দেখা দিবে তাই ওই গ্রামের মানুষ তাদেরকে এক সাথে এতো পানি দিতে বাধা দেয়, তাই তারা নিরুপায় হয়ে ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে আশে-পাশের অন্যান্য গ্রামের বিভিন্ন কূপ থেকে কষ্ট করে পানি সংগ্রহ করছেন।

গ্রামবাসী জানান, নওগাঁর সাপাহার, পোরশা, পত্নীতলা ও নিয়ামতপুর এলাকা এলাকায় এমনিতেই পানির সংকট। এরপরেও আশির দশকের পরে অপরিকল্পিতভাবে যত্রতত্র সেচ কাজের জন্য গভীর নলকূপ স্থাপন করায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অস্বাভাবিক হারে নিচে নেমে যাচ্ছে।

বর্তমানে নওগাঁর সাপাহার উপজেলার মানিকুড়া দিঘীপাড়া গ্রাম সহ উপজেলার যে সমস্ত গ্রামে খাবার পানির সংকট দেখা দিয়েছে ওই সব গ্রামের সাধরণ মানুষ অচিরেই পানি সংকট মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: