বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বরখাস্তকৃত ন্যানগ্যাগওয়াই হচ্ছেন জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট  » «   খালেদার গাড়িবহরে হামলা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের পরিকল্পনার অংশ  » «   এক মোটরসাইকেলেই বিশ্ব রেকর্ড  » «   কাঁদলেন ঐশ্বরিয়া, ১শ শিশুর ঠোঁটের অস্ত্রোপচারে খরচ দিবেন  » «   কাল থেকে পুনরায় চালু হচ্ছে চুয়েট বাস  » «   বলি একটা লেখেন আরেকটা: সাংবাদিকদের রোনালদো  » «   এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১ ফেব্রুয়ারি  » «   মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হবে ছাত্রলীগের স্কুল কমিটি  » «   এগিয়ে থাকুন সৃজনশীলতায়  » «   সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ১ বছরে সাড়ে ৩ কোটি ইয়াবা জব্দ  » «   শ্রীমঙ্গলে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন  » «   দখলমুক্ত হচ্ছে খাল ও নদী  » «   কুমিল্লায় হানিফ‘আ’লীগকে হুংকার দিয়ে লাভ নেই’  » «   কমলগঞ্জে প্রতিহিংসায় বিনষ্ট কৃষকের শিম বাগান  » «   অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ সহ নানা অভিযোগ  » «  

ধর্ষণে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণ-পোষণের নির্দেশ ও যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড



নিউজ ডেস্ক::শেরপুরে তরুণীকে (১৮) ধর্ষণের দায়ে মোস্তফা মিয়া (২২) নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে নারী-শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক (অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ মোছলেহ উদ্দিন একমাত্র আসামীর উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে জরিমানার অর্থ ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণ-পোষণে পরিশোধ করতেও আদেশ দেওয়া হয়।

দণ্ডিত যুবক মোস্তফা জেলার নকলা উপজেলার কুড়েরকান্দা গ্রামের কৃষক সিরাজ আলীর ছেলে।

ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু মামলার নথির উদ্বৃতি দিয়ে বিডি২৪লাইভকে জানান, ২০১৬ সালের ৬ ফেবব্রুয়ারি রাতে নকলা উপজেলার কুড়েরকান্দা গ্রামের মোস্তফা মিয়া ওরফে মস্তু প্রতিবেশী দরিদ্র পরিবারের তরুণীকে তার বসতঘরে ঢুকে বিয়ের প্রলোভনে ইচ্ছের বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে ওই তরুণী ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি মোস্তফার পরিবারের লোকজনকে জানালে তারা আপোষ-মীমাংসার নামে সময়ক্ষেপন করে এবং মোস্তফাকে অন্যত্র সরিয়ে রাখে।

এ ঘটনায় একই বছরের ৪ অক্টোবর ধর্ষিতা তরুণী বাদী হয়ে মোস্তফা ও তার পিতা এবং ২ ভাইসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে নকলা থানায় একটি মামলা দায়ের করলে ওই দিনই থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় ধর্ষক মোস্তফা।

পরবর্তীতে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই বন্দে আলী একই বছরের ২৩ নভেম্বর একমাত্র মোস্তফার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরই মধ্যে ধর্ষিতা তরুণীর গর্ভ থেকে জন্ম নেয় এক পুত্র সন্তান এবং তার নাম রাখা হয় সৌরভ। এরপর মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি হলে আসামীপক্ষ ওই সন্তানের পিতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় সে ধর্ষক মোস্তফার সন্তান। বিচারিক পর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষে বাদী-ভিকটিম. চিকিৎসক ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: