বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে মুসলিমদের ওপর গাড়ি হামলা, আহত ৩  » «   সরকারি চাকরিজীবীদের ৫% সুদে গৃহঋণের আবেদন অক্টোবরে  » «   ভারতে তিন তালাককে শাস্তিযোগ্য অপরাধ ঘোষণা  » «   স্কুলছাত্রীকে পিটিয়ে অজ্ঞান করলেন শিক্ষক  » «   বোমা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, আর ইয়েমেনে সেই বোমা ফেলছে সৌদি  » «   রাখঢাক রাখছেন না পর্নো তারকা ডানিয়েল স্টর্মি  » «   কাবা শরীফের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ পেলেন ইমরান  » «   মিয়ানমারে নিলামে উঠছে সুচির ভাস্কর্য  » «   এক দিনেই মিলবে পাসপোর্ট  » «   ওসমানী বিমানবন্দরে বিমানে তল্লাশি : ৪০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার, চোরাচালানী আটক  » «   কেউ বলতে পারবে না, কারো গলা টিপে ধরেছি: প্রধানমন্ত্রী  » «   সৌদি থেকে ফিরলেন ৪২ নারী গৃহকর্মী  » «   সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে আরও ২০ কোটি টাকা অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী  » «   ইয়েমেনে দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে ৫২ লাখ শিশু  » «   ‘২৩ হাজার পোস্টমর্টেম বনাম মানসিক সঙ্কট’  » «  

ধর্ষণে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণ-পোষণের নির্দেশ ও যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড



নিউজ ডেস্ক::শেরপুরে তরুণীকে (১৮) ধর্ষণের দায়ে মোস্তফা মিয়া (২২) নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে নারী-শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক (অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ মোছলেহ উদ্দিন একমাত্র আসামীর উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে জরিমানার অর্থ ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণ-পোষণে পরিশোধ করতেও আদেশ দেওয়া হয়।

দণ্ডিত যুবক মোস্তফা জেলার নকলা উপজেলার কুড়েরকান্দা গ্রামের কৃষক সিরাজ আলীর ছেলে।

ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু মামলার নথির উদ্বৃতি দিয়ে বিডি২৪লাইভকে জানান, ২০১৬ সালের ৬ ফেবব্রুয়ারি রাতে নকলা উপজেলার কুড়েরকান্দা গ্রামের মোস্তফা মিয়া ওরফে মস্তু প্রতিবেশী দরিদ্র পরিবারের তরুণীকে তার বসতঘরে ঢুকে বিয়ের প্রলোভনে ইচ্ছের বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে ওই তরুণী ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি মোস্তফার পরিবারের লোকজনকে জানালে তারা আপোষ-মীমাংসার নামে সময়ক্ষেপন করে এবং মোস্তফাকে অন্যত্র সরিয়ে রাখে।

এ ঘটনায় একই বছরের ৪ অক্টোবর ধর্ষিতা তরুণী বাদী হয়ে মোস্তফা ও তার পিতা এবং ২ ভাইসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে নকলা থানায় একটি মামলা দায়ের করলে ওই দিনই থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় ধর্ষক মোস্তফা।

পরবর্তীতে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই বন্দে আলী একই বছরের ২৩ নভেম্বর একমাত্র মোস্তফার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরই মধ্যে ধর্ষিতা তরুণীর গর্ভ থেকে জন্ম নেয় এক পুত্র সন্তান এবং তার নাম রাখা হয় সৌরভ। এরপর মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি হলে আসামীপক্ষ ওই সন্তানের পিতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় সে ধর্ষক মোস্তফার সন্তান। বিচারিক পর্যায়ে রাষ্ট্রপক্ষে বাদী-ভিকটিম. চিকিৎসক ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: