শনিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আদালতে হাজির করা হবেনা খালেদা জিয়াকে  » «   আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হলো আঞ্চলিক ইজতেমা  » «   খালেদা জিয়ার জেল অস্বাভাবিক কিছু নয়  » «   কানাইঘাটে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন,শ্বশুড়-শ্বাশুড়ি আটক  » «   আজ নায়ক মান্নার মৃত্যুবার্ষিকী  » «   সুপারসহ ৫ ভুয়া পরীক্ষার্থী আটক  » «   অনার্স ৪র্থ বর্ষের ফল প্রকাশ  » «   শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু  » «   প্রেসক্লাবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী‘খালেদাকে কারাগারের রোজনামচা পাঠানো উচিৎ’  » «   পদত্যাগ করার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি : শিক্ষামন্ত্রী  » «   প্রিয়াতে বেসামাল লুঙ্গি!  » «   বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা করল ব্রাজিল  » «   শিশু জয়নবের ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড  » «   অবসরে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী  » «   বিএনপির গণস্বাক্ষর অভিযান আজ  » «  

দেশে আসছে নতুন কোম্পানির নতুন সিম



অনলাইন ডেস্ক: গত কয়েকবছর দরেই গুঞ্জন ছিল দেশে ৭ম মোবাইল অপারেটর হিসেবে ভোডাফোন বাজারে আসছে। তবে সেই গুঞ্জনের আর সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে এবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রন কমিশন (বিটিআরসি) আগামী স্পেকট্রাম (তরঙ্গ) নিলামের সময় নতুন একটি মোবাইল অপারেটর কোম্পানি আনার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে খবরে প্রকাশ।

গত বছরেই রবি আজিয়াটা লিমিটেড ও এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড একীভূত হয়েছে। তাদের এই একীভূত হওয়া এবং অন্য একটি মোবাইল অপারেটর অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে চালু আছে মাত্র চারটি।

এছাড়া দেশের সবচেয়ে পুরোনো মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেল গত আট মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। এমনকি সিটিসেলের সিইও মেহবুব চৌধুরীকে গত ১ জুলাই গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

বিটিআরসির তথ্যমতে, এখন গ্রামীণফোন, রবি এবং বাংলালিংকের মোট মার্কেট শেয়ার ৯৭.৩ শতাংশ। আর অবশিষ্ট ২.৭ শতাংশ মার্কেট শেয়ার রয়েছে সরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের। দেশে সর্বশেষ ২০০৫ সালে এয়ারটেলকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলছেন, অন্তত একটি নতুন মোবাইল ফোন অপারেটরকে আগামী স্পেকট্রাম নিলামে অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করছি। তিনি বলেন, আমরা নতুন একটি মোবাইল ফোন অপারেটরের জন্য অপেক্ষা করছি।

তিনি জানান, পরবর্তী স্পেকট্রাম নিলাম অনুষ্ঠিত হবে আগামী তিন মাসের মধ্যেই। এ সময়ের মধ্যেই নতুন অপারেটর আসতে পারে।

তবে টেলিকম বিশেষজ্ঞ আবু সাঈদ খান বলছেন, বাংলাদেশে নতুন মোবাইল ফোন অপারেটরকে বিনিয়োগ করানোর বিষয়টি সহজ হবে না। এ খাতের ভবিষ্যৎ-বাণী করা সহজ নয়। তবে এজন্য রেগুলেটরকে অবশ্যই নতুন বিনিয়োগে আকর্ষণ করানোর জন্য কাজ করতে হবে। নতুন অপারেটর আসার ক্ষেত্রে রেগুলেটর যদি কোনো ইনসেন্টিভ দেয় তাহলে হয়তো এ পথ সুগম হবে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: