শনিবার, ২২ জুলাই ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ শ্রাবণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
স্বামীর জন্য নৌকায় ভোট চাইলেন শাবানা  » «   সৌদিতে ৬ মাসের উপার্জন ৪৩১ রিয়াল, তা নিয়েও নাটক!  » «   সমুদ্র বন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত  » «   অভিনেতা আবদুর রাতিন আর নেই  » «   বরফের নিচে মিলল ৭৫ বছর ধরে নিখোঁজ দম্পতির মৃতদেহ  » «   নারীরা কি করব জিয়ারত করতে পারবে?  » «   চট্টগ্রামে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১  » «   মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলায় পালিয়ে বেড়াচ্ছে মানবাধিকার কর্মী  » «   ধূমপান ছাড়তে ইব্রাহিমের কান্ড!  » «   ‘নির্বাচনের আগে সব দলকে এক রাস্তায় আনতে হবে’  » «   যে ১২টি তথ্য ফেসবুকে রাখলে বিপদ ঘটবে  » «   সৌদি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ  » «   কুমিল্লা মেডিকেলের অব্যবস্থাপনা নিয়ে হাইকোর্টে রিট  » «   বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী খাজা নাজিবুল্লাহ্ চৌধুরীর গণসংযোগ  » «   বিচার না পেলে আত্মহত্যা করবে ধর্ষিতা কিশোরী  » «  

দেশে আসছে নতুন কোম্পানির নতুন সিম



অনলাইন ডেস্ক: গত কয়েকবছর দরেই গুঞ্জন ছিল দেশে ৭ম মোবাইল অপারেটর হিসেবে ভোডাফোন বাজারে আসছে। তবে সেই গুঞ্জনের আর সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে এবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রন কমিশন (বিটিআরসি) আগামী স্পেকট্রাম (তরঙ্গ) নিলামের সময় নতুন একটি মোবাইল অপারেটর কোম্পানি আনার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে খবরে প্রকাশ।

গত বছরেই রবি আজিয়াটা লিমিটেড ও এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড একীভূত হয়েছে। তাদের এই একীভূত হওয়া এবং অন্য একটি মোবাইল অপারেটর অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে চালু আছে মাত্র চারটি।

এছাড়া দেশের সবচেয়ে পুরোনো মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেল গত আট মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। এমনকি সিটিসেলের সিইও মেহবুব চৌধুরীকে গত ১ জুলাই গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

বিটিআরসির তথ্যমতে, এখন গ্রামীণফোন, রবি এবং বাংলালিংকের মোট মার্কেট শেয়ার ৯৭.৩ শতাংশ। আর অবশিষ্ট ২.৭ শতাংশ মার্কেট শেয়ার রয়েছে সরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের। দেশে সর্বশেষ ২০০৫ সালে এয়ারটেলকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলছেন, অন্তত একটি নতুন মোবাইল ফোন অপারেটরকে আগামী স্পেকট্রাম নিলামে অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করছি। তিনি বলেন, আমরা নতুন একটি মোবাইল ফোন অপারেটরের জন্য অপেক্ষা করছি।

তিনি জানান, পরবর্তী স্পেকট্রাম নিলাম অনুষ্ঠিত হবে আগামী তিন মাসের মধ্যেই। এ সময়ের মধ্যেই নতুন অপারেটর আসতে পারে।

তবে টেলিকম বিশেষজ্ঞ আবু সাঈদ খান বলছেন, বাংলাদেশে নতুন মোবাইল ফোন অপারেটরকে বিনিয়োগ করানোর বিষয়টি সহজ হবে না। এ খাতের ভবিষ্যৎ-বাণী করা সহজ নয়। তবে এজন্য রেগুলেটরকে অবশ্যই নতুন বিনিয়োগে আকর্ষণ করানোর জন্য কাজ করতে হবে। নতুন অপারেটর আসার ক্ষেত্রে রেগুলেটর যদি কোনো ইনসেন্টিভ দেয় তাহলে হয়তো এ পথ সুগম হবে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: