শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ  » «   কমতে শুরু করেছে চালের দাম  » «   কনডমের বিজ্ঞাপনে সানি লিওন, চটেছেন ভারতীয়রা  » «   সাতক্ষীরায় ১৩ রোহিঙ্গা উদ্ধার করেছে পুলিশ  » «   পরিচালক এফআই মানিকের পাশে দাঁড়ালেন অনন্ত জলিল  » «   ‘মেসির কারণেই নেইমার বার্সা ছেড়েছেন’  » «   রিয়াল মাদ্রিদে যাচ্ছেন কাভানি!  » «   কাশিমপুরে পাঁচ কারারক্ষী বরখাস্ত  » «   নাটোর থেকে তিন’শ মণ পাট বোঝাই ট্রাক উধাও  » «   সাপাহারে কারিতাসের ভেলিডেশন এট ওয়ার্ড লেভেল অনুষ্ঠিত  » «   ঢামেক হাসপাতাল‘সরকারী কাজ এমনই হয়!’  » «   সাপাহারে বিদ্যুৎস্পৃৃষ্টে রাজমিস্ত্রী নিহত!  » «   যে নয়টি কারণে প্রতিদিন খেতে পারেন দই  » «   লড়াই করতে চান রোহিঙ্গারা  » «   সীতাকুণ্ডে মাইক্রোবাস চাপায় নিহত ১  » «  

দেশে আসছে নতুন কোম্পানির নতুন সিম



অনলাইন ডেস্ক: গত কয়েকবছর দরেই গুঞ্জন ছিল দেশে ৭ম মোবাইল অপারেটর হিসেবে ভোডাফোন বাজারে আসছে। তবে সেই গুঞ্জনের আর সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে এবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রন কমিশন (বিটিআরসি) আগামী স্পেকট্রাম (তরঙ্গ) নিলামের সময় নতুন একটি মোবাইল অপারেটর কোম্পানি আনার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে খবরে প্রকাশ।

গত বছরেই রবি আজিয়াটা লিমিটেড ও এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড একীভূত হয়েছে। তাদের এই একীভূত হওয়া এবং অন্য একটি মোবাইল অপারেটর অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে চালু আছে মাত্র চারটি।

এছাড়া দেশের সবচেয়ে পুরোনো মোবাইল ফোন অপারেটর সিটিসেল গত আট মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। এমনকি সিটিসেলের সিইও মেহবুব চৌধুরীকে গত ১ জুলাই গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

বিটিআরসির তথ্যমতে, এখন গ্রামীণফোন, রবি এবং বাংলালিংকের মোট মার্কেট শেয়ার ৯৭.৩ শতাংশ। আর অবশিষ্ট ২.৭ শতাংশ মার্কেট শেয়ার রয়েছে সরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের। দেশে সর্বশেষ ২০০৫ সালে এয়ারটেলকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলছেন, অন্তত একটি নতুন মোবাইল ফোন অপারেটরকে আগামী স্পেকট্রাম নিলামে অংশগ্রহণের প্রত্যাশা করছি। তিনি বলেন, আমরা নতুন একটি মোবাইল ফোন অপারেটরের জন্য অপেক্ষা করছি।

তিনি জানান, পরবর্তী স্পেকট্রাম নিলাম অনুষ্ঠিত হবে আগামী তিন মাসের মধ্যেই। এ সময়ের মধ্যেই নতুন অপারেটর আসতে পারে।

তবে টেলিকম বিশেষজ্ঞ আবু সাঈদ খান বলছেন, বাংলাদেশে নতুন মোবাইল ফোন অপারেটরকে বিনিয়োগ করানোর বিষয়টি সহজ হবে না। এ খাতের ভবিষ্যৎ-বাণী করা সহজ নয়। তবে এজন্য রেগুলেটরকে অবশ্যই নতুন বিনিয়োগে আকর্ষণ করানোর জন্য কাজ করতে হবে। নতুন অপারেটর আসার ক্ষেত্রে রেগুলেটর যদি কোনো ইনসেন্টিভ দেয় তাহলে হয়তো এ পথ সুগম হবে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: