রবিবার, ১৫ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রাশিয়া বিশ্বকাপরেকর্ড গড়া হলো না ক্রোয়েশিয়ার, চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স  » «   ভাতিজিকে ঘরে ডেকে নিয়ে চাচার কাণ্ড!  » «   যৌনরোগের ভয়ঙ্কর উপসর্গগুলি এক নজরে দেখে নিন  » «   রাশিয়া বিশ্বকাপবিশ্বজয়ের লক্ষ্যে মুখোমুখি ফ্রান্স-ক্রোয়েশিয়া  » «   মাদার তেরেসা ভণ্ড, শয়তান, জালিয়াতঃ তসলিমা  » «   যে কারণে অল্প বয়সে বিয়ে করেছেন শাহরুখ  » «   গ্রামে গ্রামে নগর সুবিধা দেয়া হবে -পাবনায় প্রধানমন্ত্রী  » «   হরিদাসের উপর হামলাকারীদেরকে ক্ষমা করা হবে না —-মোমিন মেহেদী  » «   বিয়ের পর বেশ হাসি খুশি মিঠুন পুত্র  » «   জাতীয় পরিচয়পত্র হারানোদের জন্য সুখবর  » «   ‘আমি ডিজির লোক, আমাকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই’  » «   কুবিতে ‘বরিশাল ডিভিশনাল স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন’র নবীনবরণ  » «   মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স কেন সাড়ে ১২ : হাইকোর্টের প্রশ্ন  » «   ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন পুরো টার্মিনাল : শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন  » «   স্কুল ছাত্রীর স্পর্শকাতর জায়গায় বৃদ্ধের হাত, অতঃপর  » «  

দেখুন এলিয়েনের জাদুঘর দেখতে কেমন! (ভিডিও)



তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক::একটি জাতির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, আচার-কৃষ্টি এবং হারিয়ে যাওয়া বা বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার উপক্রম এমন বিরল কীর্তি ও মনোমুগ্ধকর বিষয়বস্তু সংগ্রহ করে সবার দেখার জন্য যে স্থাপনাতে রাখা হয়, তাকেই জাদুঘর বলা হয়। কৌতূহলি বিষয়বস্তু সংগ্রহ ও সমাবেশ করে জাদুঘরের নামে এমন স্থাপনা অনেকে তৈরি করে গেছেন, যার কোনোটি চিত্তাকর্ষক আবার কোনোটি কাণ্ডজ্ঞানহীন এবং উদ্ভট। সেরকম উদ্ভট কিছু জাদুঘর নিয়েই আমাদের আজকের এই আলোচনা-

১) প্যারাসাইট মিউজিয়াম: পৃথিবীর একমাত্র পরজীবী মিউজিয়ামটি জাপানের রাজধানী টোকিওতে অবস্থিত। এই মিউজিয়ামের প্রতিষ্ঠাতা একজন জাপানি নাগরিক, নাম সাতোরু কেমেগী। পেশায় তিনি একজন চিকিৎসক। তিনি দীর্ঘদিন মানব ও অন্যান্য প্রাণী দেহে বসবাসকারী পরাশ্রয়ী সংগ্রহ এবং সেগুলো নিয়ে গবেষণা করার পর তার গবেষণালব্ধ তথ্য ও সংগৃহীত পরজীবী প্রদর্শন করার উদ্দেশ্যে ১৯৫৩ সালে মিউজিয়ামটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই মিউজিয়ামের শোকেসে কমপক্ষে ৩০০ প্রজাতির প্রাণীর দেহে বসবাসকারী প্রায় ৪৫ হাজার অদ্ভুত পরাশ্রয়ী দর্শনার্থীদের জন্য সংরক্ষিত আছে। তাছাড়া এখানে হাজারের ওপর পরজীবী নিয়ে গবেষণালব্ধ তথ্য ও প্রামাণ্য দলিলপত্র বই আকারে সংরক্ষণ করা আছে।

২) সকস মিউজিয়াম: পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মোজার মিউজিয়ামটি জাপানের টোকিও শহরে অবস্থিত। এখানে ছোট বড় ২০ হাজারের বেশি নানা রকমের মোজা অতিথিদের দর্শনের জন্য সাজানো আছে। এই মিউজিয়ামের সবচেয়ে বড় মোজাটির আকার (গোড়ালি থেকে পায়ের অগ্রভাগ পর্যন্ত) ৩২ সেন্টিমিটার যা পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বড় মোজা বলে বিবেচিত। বস্ত্রশিল্প অনুরাগীদের জন্য এই মিউজিয়ামটি বেশ আকর্ষণীয়।

৩) মিউজিয়াম অব অ্যাট (এলিয়েন): এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে অন্যান্য গ্রহের যে সমস্ত প্রাণী বা এলিয়েন বাস করছে তাদের প্রতি আনুগত্য স্বীকার এবং শ্রদ্ধাবোধ থেকেই এই মিউজিয়ামটি নির্মাণ করা হয়েছে। এই মিউজিয়ামে অন্য গ্রহের প্রাণীদের জীবনদর্শন ও জীবনচরিত নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করা ছাড়াও অত্যন্ত কারুকর্মের সাহায্যে মিউজিয়ামকে এমনভাবে মিথষ্ক্রিয় করে তোলা হয়েছে যাতে আমাদের সৌরমণ্ডল ঘিরে এলিয়েনদের অস্তিত্ব আছে সেই বিষয়ে দর্শনার্থীরা বিশ্বাস স্থাপন করতে পারে।

৪) আন্তর্জাতিক প্রসাধন ও শৌচাগার মিউজিয়াম: এই অদ্ভুত মিউজিয়ামটির প্রতিষ্ঠাতা ভারতের নাগরিক বিন্দেশ্বর পাথক এবং এটি দিল্লি শহরে অবস্থিত। এই মিউজিয়ামে শুধু প্রসাধন ও শৌচাগারে ব্যবহৃত সামগ্রী দর্শনাথীদের প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়েছে। খ্রিস্টপূর্ব ২০০৫ সাল থেকে প্রসাধন ও শৌচাগার এর জন্য ব্যবহৃত সামগ্রীর ছবি এবং মডেল এই মিউজিয়ামে সংগৃহীত আছে। হাইজেনিক ও স্যানিটেশন সমস্যায় জর্জরিত জনগণের সমস্যা দূরীকরণ এবং এসব বিষয়ে জনসাধারণের সচেতনা বৃদ্ধি করাই এই মিউজিয়ামের মূল উদ্দেশ্য।

৫) দ্য মিউজিয়াম অব মনস্ত্রুশ ক্রিয়েচার: এটি সরীসৃপ গোত্রের প্রাণীদের জাদুঘর। এই জাদুঘরে একাধিক অদ্ভুত ও বিরল সরীসৃপ প্রজাতির দেহাবশেষ ও ফসিল সংগৃহীত আছে। মধ্যযুগে নির্যাতন করার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও সাজসরঞ্জামের জাদুঘর প্রতি বছর রিপাবলিক চেকোস্লাভাকিয়ার রাজধানী প্রাগের এই জাদুঘরটিতে ঘিরে প্রচুর দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে। যে যন্ত্রপাতির সাহায্যে মধ্যযুগে বন্দিদের অমানবিক ও নির্মমভাবে নির্যাতন করা হতো এ রকম এক ডজনের অধিক সাজসরঞ্জাম সংরক্ষিত আছে এই জাদুঘরে। এখানে সংগ্রহকৃত সাজসরঞ্জামের মধ্যে এমন কতগুলো যন্ত্রণাদায়ক উপকরণ রয়েছে যা দ্বারা নির্যাতন করে ধীরগতিতে ভিকটিমের প্রাণসংহার করা হতো।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: