শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
২৪ ডিসেম্বর মাঠে নামছে সেনাবাহিনী, থাকবেন ম্যাজিস্ট্রেটও  » «   ইন্টারনেটে ধীর গতি ও মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধ চায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী  » «   প্রার্থিতা নিয়ে শুনানি: আদালতের প্রতি খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের অনাস্থা  » «   আওয়ামী লীগ ১৬৮ থেকে ২২০ আসনে জিতবে: জয়  » «   সিলেট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার মনোনয়ন স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট  » «   আম্বানি কন্যার বিয়েতে নাচলেন হিলারি ক্লিনটন [ভিডিও ]  » «   সিলেট-১ আসনে ধানের শীষের প্রচারণার একসঙ্গে মুক্তাদির-আরিফ  » «   সহিংসতার ঘটনা খতিয়ে দেখতে সিইসির নির্দেশ  » «   ‘ইডিয়ট’ লিখে গুগলে সার্চ দিলে কেনো আসে ট্রাম্পের ছবি?  » «   বিশ্ব ভ্রমণ করবে বাংলাদেশের প্রথম বিদ্যুৎচালিত গাড়ি  » «   খাশোগি হত্যাকাণ্ডে সৌদি আরব ছাড়পত্র পাবে না: নিক্কি হ্যালি  » «   গুগলে সবচেয়ে বেশি খোঁজ খালেদা ও হিরো আলম  » «   আস্থা ভোট, নেতৃত্বের পরীক্ষায় উতরে গেলেন তেরেসা মে  » «   ফোনালাপ ফাঁস: খন্দকার মোশাররফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ  » «   নির্বাচনে এজেন্ট পাওয়া নিয়ে চিন্তায় বিএনপি  » «  

দক্ষিণ আফ্রিকায় নিরাপত্তাঝুঁকিতে প্রবাসী বাংলাদেশি



প্রবাস ডেস্ক:: প্রবাসী বাংলাদেশির জন্য সাউথ আফ্রিকা দিন দিন অনিরাপদ হয়ে যাচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় কমবেশি পৃথিবীর সব দেশের মানুষ ব্যবসা বানিজ্য করে বসবাস করলেও একমাত্র বাংলাদেশিরা এ দেশে নিরাপদ নয়।

কোন না কোন কারণে গড়ে প্রতি বছর সাউথ আফ্রিকায় প্রায় ২০০ জন বাংলাদেশি হত্যাকান্ডের শিকার হয়ে আসছে।শুধুমাত্র গত তিন সাপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ২১ জন বাংলাদেশির৷এছাড়া চলতি বছরে জানুয়ারি থেকে এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১০৯ জন বাংলাদেশি নাগরিকের।এছাড়া অপহরণ করে মুক্তিপন আদায়ের ঘটনা প্রায় ঘটে থাকে।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে লানেসিয়া থেকে ৩ জন বাংলাদেশিকে অপহরণের ঘটনা ঘটে।প্রতিনিয়ত অপহরণ ও হত্যাকান্ড ঘটে আসলেও অধিকাংশ হত্যাকান্ডকে চোর ডাকাতের গুলিতে নিহত বলে চালিয়ে দেয়া হয়। বাকী হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন হয়না।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী হত্যাকান্ডের পর পুলিশের পক্ষে একটি ইউ ডি মামলা ছাড়া ভিকটিমের পক্ষে কোন মামলা হয়না।তাই কি কারণে এ হত্যাকান্ডটি সংঘটিত হয়েছে তা পুলিশী তদন্তের বাইরে থেকে যায়।অনেক সময় দেখা যায় হত্যাকান্ডের শিকার হওয়া ব্যক্তির কোন আত্নীয় স্বজন সাউথ আফ্রিকায় না থাকায় এ হত্যাকান্ড নিয়ে তেমন কেউ আগ্রহ দেখায় না।

অপরদিকে বাংলাদেশি ছাড়া অন্যকোন বিদেশী নাগরিক সাউথ আফ্রিকায় খুনের শিকার হলে ঐ দেশের কমিউনিটি নেতারা বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় অজ্ঞাত আসামীর নামে মামলা দায়ের করে এবং মামলার চুড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত ঐ মামলার তদারকি করে যায়। এমন কি ঐ দেশের অ্যাম্বাসী পর্যন্ত মামলার তদারকির জন্য নিজস্ব ল’ইয়ার নিয়োগ করে থাকে।

কিন্ত একমাত্র বাংলাদেশি প্রবাসীদের বেলায় সবকিছু উল্টো। যে কোন এলাকায় কোন বাংলাদেশি নাগরিক হত্যাকান্ডের শিকার হলে স্থানীয় বাংলাদেশিরা চাঁদা তুলে লাশটা কোনরকমে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।এ ক্ষেত্রে আমরা কোনদিন দেখিনি বাংলাদেশ কমিউনিটির কোনো নেতা একটি লাশের তদারকি করতে বা কমিউনিটি বাদী হয়ে মামলা করতে।

বাংলাদেশ প্রশাসন যে কোনো প্রকারেই হোক দক্ষিণ আফ্রিকাস্থ অসহায় প্রবাসী বাংলাদেশির বিষয় নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের সঙ্গে একটি শক্তিধর চুক্তিনামা করা এবং সরকারিভাবে দেশীয় আন্তর্জাতিক ইমপোর্ট এক্সপোর্ট করার জোরালো দাবী জানান দক্ষিণ আফ্রিকাস্থ সকল শ্রেনীর প্রবাসী বাংলাদেশি ও হাইকমিশন।তাতেই হয়তো দক্ষিণ আফ্রিকাস্থ প্রবাসী বাংলাদেশির শান্তি ফিরিয়ে আসতে পারে।বাংলাদেশ সরকার ব্যতীত এ সমস্যার সমাধান কখনোই সম্ভব নয়। যার জন্য দিনদিন প্রবাসীদের লাশের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: