সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ইতালির নাগরিকত্ব হারাতে পারেন ৩ হাজার বাংলাদেশি  » «   নবীগঞ্জে আগুনে পুড়ে ছাই ৫টি ঘর, ১২ লাখ টাকার ক্ষতি  » «   ছাত্রলীগের নতুন সভাপতি-সম্পাদকের প্রতিশ্রুতি  » «   শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, আহত ৩০  » «   চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর  » «   মাসিক বেতনে চালক নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের  » «   কাশ্মিরের মুসলমানদের ওপর নির্যাতন বন্ধের দাবিতে মৌলভীবাজারে বিক্ষোভ মিছিল  » «   হাজিদের দেশে ফেরার শেষ ফ্লাইট আজ  » «   আফগান সীমান্তে ৪ পাকিস্তানি সেনা নিহত  » «   ঈদের খরচ হিসেবে ‘ন্যায্য পাওনা’ চেয়েছিলাম: রাব্বানী  » «   পুলিশ সুপারদের কুচকাওয়াজে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  » «   ছাত্রলীগের নেতৃত্বে জয়-লেখক  » «   হিন্দি চাপিয়ে দিলে ভাষা যুদ্ধের হুমকি, রাজ্যে রাজ্যে প্রতিবাদ  » «   শিক্ষামন্ত্রীর কড়া চিঠি  » «   পরিবহন ধর্মঘটে বিপর্যস্ত প্যারিস; ৩৮০ কিমি ট্র্যাফিক জ্যাম!  » «  

দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জ্বালানি খরচ ২১ শতাংশ কমানো সম্ভব



দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জ্বালানি খরচ ২১ শতাংশ কমানো সম্ভব

দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলো ১৬ শতাংশ পর্যন্ত জ্বালানির ব্যবহারের কমাতে পারে, পাশাপাশি জ্বালানির খরচ ২১ শতাংশ এবং কার্বন-ডাই অক্সাইড নির্গমণ ১৮ শতাংশ কমানো সম্ভব।

শনিবার ডানিডার অর্থায়নে পরিচালিত দি এনার্জি এফিশিয়েন্ট প্রকল্পের সহায়তায় ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং নরডিক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এনসিসিআই) আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা এ তথ্য তুলে ধরেন।

রাজধানীর একটি হোটেলে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত মিকায়েন হেমনিটি উইন্থরা উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে দি এনার্জি এফিশিয়েন্ট প্রকল্পের সিনিয়র উপদেষ্টা স্টেফান এনভোল্ডসেন জানান, প্রকল্পে অংশ নেয়া ৩৬টি কারখানার তথ্য পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, বার্ষিক গড়ে এক লাখ ৪৫ হাজার মার্কিন ডলার করে মোট ৫২ লাখ ডলারের জ্বালানি খরচ সাশ্রয় করা সম্ভব।

স্বাগত বক্তব্যে এনসিসিআই সভাপতি শামীম উল হক বলেন, ব্যবসায় দীর্ঘ স্থায়িত্ব ও মুনাফা নিশ্চিতের জন্য দক্ষ জ্বালানি ব্যবস্থাপনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান প্রতিযোগিতার বাজারে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে জ্বালানি ব্যবহারের দক্ষতা উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ২০২১ সালে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে এবং এ খাতে জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি মূল্যের তৈরি পোশাক আমরা রফতানি করতে পারবো।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি হোসেন খালেদ বলেন, বাংলাদেশের টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক, সিমেন্ট, প্লাস্টিকপণ্য, সিরামিকস এবং সারসহ অন্যান্য খাতের শিল্প-কারখানায় চাহিদা মোতাবেক জ্বালানি সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

সেমিনারে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শিল্প খাতে জ্বালানি ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়টি বর্তমান সময়ে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জ্বালানি ব্যবহারের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে আরো মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

মুক্ত আলোচনায় ঢাকা চেম্বারের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি হুমায়ুন রশিদ, সহ-সভাপতি খন্দকার আতিক-ই-রাব্বানী, এফসিএ, পরিচালক সেলিম আকতার খান, সাবেক সভাপতি রাশেদ মাকসুদ খান, সাবেক সহ-সভাপতি মো. শোয়েব চৌধুরী, সাবেক পরিচালক দাতা মাগফুর অংশগ্রহণ করেন।

 

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: