শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জ্বালানি খরচ ২১ শতাংশ কমানো সম্ভব



দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জ্বালানি খরচ ২১ শতাংশ কমানো সম্ভব

দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলো ১৬ শতাংশ পর্যন্ত জ্বালানির ব্যবহারের কমাতে পারে, পাশাপাশি জ্বালানির খরচ ২১ শতাংশ এবং কার্বন-ডাই অক্সাইড নির্গমণ ১৮ শতাংশ কমানো সম্ভব।

শনিবার ডানিডার অর্থায়নে পরিচালিত দি এনার্জি এফিশিয়েন্ট প্রকল্পের সহায়তায় ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং নরডিক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এনসিসিআই) আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা এ তথ্য তুলে ধরেন।

রাজধানীর একটি হোটেলে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত মিকায়েন হেমনিটি উইন্থরা উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে দি এনার্জি এফিশিয়েন্ট প্রকল্পের সিনিয়র উপদেষ্টা স্টেফান এনভোল্ডসেন জানান, প্রকল্পে অংশ নেয়া ৩৬টি কারখানার তথ্য পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, বার্ষিক গড়ে এক লাখ ৪৫ হাজার মার্কিন ডলার করে মোট ৫২ লাখ ডলারের জ্বালানি খরচ সাশ্রয় করা সম্ভব।

স্বাগত বক্তব্যে এনসিসিআই সভাপতি শামীম উল হক বলেন, ব্যবসায় দীর্ঘ স্থায়িত্ব ও মুনাফা নিশ্চিতের জন্য দক্ষ জ্বালানি ব্যবস্থাপনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান প্রতিযোগিতার বাজারে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে জ্বালানি ব্যবহারের দক্ষতা উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ২০২১ সালে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে এবং এ খাতে জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি মূল্যের তৈরি পোশাক আমরা রফতানি করতে পারবো।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি হোসেন খালেদ বলেন, বাংলাদেশের টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক, সিমেন্ট, প্লাস্টিকপণ্য, সিরামিকস এবং সারসহ অন্যান্য খাতের শিল্প-কারখানায় চাহিদা মোতাবেক জ্বালানি সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

সেমিনারে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শিল্প খাতে জ্বালানি ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়টি বর্তমান সময়ে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জ্বালানি ব্যবহারের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে আরো মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

মুক্ত আলোচনায় ঢাকা চেম্বারের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি হুমায়ুন রশিদ, সহ-সভাপতি খন্দকার আতিক-ই-রাব্বানী, এফসিএ, পরিচালক সেলিম আকতার খান, সাবেক সভাপতি রাশেদ মাকসুদ খান, সাবেক সহ-সভাপতি মো. শোয়েব চৌধুরী, সাবেক পরিচালক দাতা মাগফুর অংশগ্রহণ করেন।

 

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: