মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ইসি প্রশ্নবিদ্ধ ভোট করতে চায় না: সিইসি  » «   বিয়ানীবাজারে ‘পুলিশ প্রহরায়’ নাহিদের প্রচারণা!  » «   হবিগঞ্জে ধানের শীষ পেলেন রেজা কিবরিয়া  » «   কাতারে কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম সিলেটের সাইয়্যেদ  » «   প্রিয়ডটকম-বিএনপিনিউজ২৪-সিএনএনবিডি২৪ সহ ৫৮ নিউজ পোর্টাল বন্ধের নির্দেশ  » «   আজ থেকে শুরু জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ  » «   নিজেকে ট্রাম্পকন্যা দাবি এক পাকিস্তানি তরুণীর!  » «   প্রতীক বরাদ্দ আজ, শঙ্কা নিয়ে শুরু হচ্ছে ভোটযুদ্ধ  » «   আজ খালেদা জিয়ার ভাগ্য নির্ধারণ  » «   নৌকা প্রতীকে লড়বেন জাতীয় পার্টির যে ২৯ প্রার্থী  » «   জাপা পেলো ৩০ আসন, উন্মুক্ত ১৩২  » «   মেয়র পদে থেকেই সংসদ নির্বাচন করা যাবে: হাইকোর্ট  » «   সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি প্রবেশ করছে: প্রধান বিচারপতি  » «   প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে হিরো আলম  » «   যেসব আসনে ধানের শীষের প্রার্থী পরিবর্তন  » «  

ত্রিপোলি বিমানবন্দরে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ২০



আন্তর্জাতিক ডেস্ক::লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোমবার এক সন্ত্রাসী হামলার কমপক্ষে ২০ জন নিহত ও ৬৯ জন আহত হয়েছেন। বিভিন্ন অভিযানে আটক সন্ত্রাসবাদীদের মুক্ত করতে ওই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে সিনহুয়া নেট।

ত্রিপোলি ফিল্ড হাসপাতালের পরিচালক আদুদায়েম আল-রাবরি বলেন, সোমবার মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর আমাদের সহায়তার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

বিমানবন্দরের দায়িত্বে থাকা বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা জানান, ভারি অস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসী সংগঠন বশির আল-বাকারাহর একটি গ্রুপ বিমানবন্দরে এ হামলা চালায়। তারা বিমানবন্দরের অভ্যন্তরের একটি বন্দিশালা থেকে আটক সন্ত্রাসী, আইএস এবং অন্যান্য সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সদস্যকে মুক্ত করার চেষ্টা করে।

সিভিল এভিয়েশন অথরিটির প্রধান নাসর-আদদিন শায়েব আল-আইন জানান, হামলার পর বিমানবন্দরটি সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে জাতিসংঘ সমর্থিত দেশটির বর্তমান সরকার এক বিবৃতিতে হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, আইএস, আল কায়েদাসহ বিভিন্ন সন্তাসবাদী সংগঠনের সদস্যদের মুক্ত করতে হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় সন্ত্রাসীদের মুক্ত করা সম্ভব না হলেও তা দেশটির বর্তমান স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথকে রুদ্ধ করবে। পাশাপাশি শান্তি প্রতিষ্ঠার স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক চেষ্টাকে তা বাধাগ্রস্ত করবে।

২০১১ সালে লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকেই লিবিয়া অস্থিতিশীল ও নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ে। দেশটিতে রাজনৈতিক বিভাজনের পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা।

সূত্র: সিনহুয়া নেট

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: