বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জাফর ইকবালকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু  » «   আইডিয়া’র ২৫ বছর পূর্তি উৎসবে র‍্যালি, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  » «   উন্নয়ন করতে গিয়ে জীবন ও জীবিকার যেন ক্ষতি না হয় : প্রধানমন্ত্রী  » «   আজ দিন রাত সমান, আকাশে থাকবে সুপারমুন  » «   সহকর্মীর হাতে খুন হলেন তিন ভারতীয় সেনা  » «   মসজিদে হামলাধারী ব্রেন্টন আইএস থেকে ভিন্ন কিছু নয়: এরদোগান  » «   সিলেটে মেশিনে আদায় হবে যানবাহনের মামলার জরিমানা  » «   গ্যাসের দাম ১৩২% বৃদ্ধির প্রস্তাব হাস্যকর  » «   মেয়রের আশ্বাসে ২৮ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত  » «   দরিদ্র বলে এদেশে কিছু থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী  » «   এক সপ্তাহের মধ্যে আবরারের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ  » «   গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশি ওমরের মুখে মসজিদে হামলার লোমহর্ষক বর্ননা…  » «   আজ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী,আ. লীগের শ্রদ্ধা  » «   আল্লাহর কসম, ইসলাম গ্রহণ করে আমি সম্মানিত: মার্কিন সঙ্গীতশিল্পী  » «   তনু হত্যার ৩ বছর আজ: এখনও শনাক্ত হয়নি ঘাতক, হতাশ পরিবার  » «  

ত্রিপোলি বিমানবন্দরে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ২০



আন্তর্জাতিক ডেস্ক::লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোমবার এক সন্ত্রাসী হামলার কমপক্ষে ২০ জন নিহত ও ৬৯ জন আহত হয়েছেন। বিভিন্ন অভিযানে আটক সন্ত্রাসবাদীদের মুক্ত করতে ওই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে সিনহুয়া নেট।

ত্রিপোলি ফিল্ড হাসপাতালের পরিচালক আদুদায়েম আল-রাবরি বলেন, সোমবার মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর আমাদের সহায়তার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

বিমানবন্দরের দায়িত্বে থাকা বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা জানান, ভারি অস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসী সংগঠন বশির আল-বাকারাহর একটি গ্রুপ বিমানবন্দরে এ হামলা চালায়। তারা বিমানবন্দরের অভ্যন্তরের একটি বন্দিশালা থেকে আটক সন্ত্রাসী, আইএস এবং অন্যান্য সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সদস্যকে মুক্ত করার চেষ্টা করে।

সিভিল এভিয়েশন অথরিটির প্রধান নাসর-আদদিন শায়েব আল-আইন জানান, হামলার পর বিমানবন্দরটি সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে জাতিসংঘ সমর্থিত দেশটির বর্তমান সরকার এক বিবৃতিতে হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, আইএস, আল কায়েদাসহ বিভিন্ন সন্তাসবাদী সংগঠনের সদস্যদের মুক্ত করতে হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় সন্ত্রাসীদের মুক্ত করা সম্ভব না হলেও তা দেশটির বর্তমান স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথকে রুদ্ধ করবে। পাশাপাশি শান্তি প্রতিষ্ঠার স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক চেষ্টাকে তা বাধাগ্রস্ত করবে।

২০১১ সালে লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকেই লিবিয়া অস্থিতিশীল ও নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ে। দেশটিতে রাজনৈতিক বিভাজনের পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা।

সূত্র: সিনহুয়া নেট

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: