বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে মুসলিমদের ওপর গাড়ি হামলা, আহত ৩  » «   সরকারি চাকরিজীবীদের ৫% সুদে গৃহঋণের আবেদন অক্টোবরে  » «   ভারতে তিন তালাককে শাস্তিযোগ্য অপরাধ ঘোষণা  » «   স্কুলছাত্রীকে পিটিয়ে অজ্ঞান করলেন শিক্ষক  » «   বোমা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, আর ইয়েমেনে সেই বোমা ফেলছে সৌদি  » «   রাখঢাক রাখছেন না পর্নো তারকা ডানিয়েল স্টর্মি  » «   কাবা শরীফের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ পেলেন ইমরান  » «   মিয়ানমারে নিলামে উঠছে সুচির ভাস্কর্য  » «   এক দিনেই মিলবে পাসপোর্ট  » «   ওসমানী বিমানবন্দরে বিমানে তল্লাশি : ৪০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার, চোরাচালানী আটক  » «   কেউ বলতে পারবে না, কারো গলা টিপে ধরেছি: প্রধানমন্ত্রী  » «   সৌদি থেকে ফিরলেন ৪২ নারী গৃহকর্মী  » «   সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে আরও ২০ কোটি টাকা অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী  » «   ইয়েমেনে দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে ৫২ লাখ শিশু  » «   ‘২৩ হাজার পোস্টমর্টেম বনাম মানসিক সঙ্কট’  » «  

ত্রিপোলি বিমানবন্দরে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ২০



আন্তর্জাতিক ডেস্ক::লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোমবার এক সন্ত্রাসী হামলার কমপক্ষে ২০ জন নিহত ও ৬৯ জন আহত হয়েছেন। বিভিন্ন অভিযানে আটক সন্ত্রাসবাদীদের মুক্ত করতে ওই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে সিনহুয়া নেট।

ত্রিপোলি ফিল্ড হাসপাতালের পরিচালক আদুদায়েম আল-রাবরি বলেন, সোমবার মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর আমাদের সহায়তার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

বিমানবন্দরের দায়িত্বে থাকা বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা জানান, ভারি অস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসী সংগঠন বশির আল-বাকারাহর একটি গ্রুপ বিমানবন্দরে এ হামলা চালায়। তারা বিমানবন্দরের অভ্যন্তরের একটি বন্দিশালা থেকে আটক সন্ত্রাসী, আইএস এবং অন্যান্য সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সদস্যকে মুক্ত করার চেষ্টা করে।

সিভিল এভিয়েশন অথরিটির প্রধান নাসর-আদদিন শায়েব আল-আইন জানান, হামলার পর বিমানবন্দরটি সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়।

এ বিষয়ে জাতিসংঘ সমর্থিত দেশটির বর্তমান সরকার এক বিবৃতিতে হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, আইএস, আল কায়েদাসহ বিভিন্ন সন্তাসবাদী সংগঠনের সদস্যদের মুক্ত করতে হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় সন্ত্রাসীদের মুক্ত করা সম্ভব না হলেও তা দেশটির বর্তমান স্থিতিশীলতা ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথকে রুদ্ধ করবে। পাশাপাশি শান্তি প্রতিষ্ঠার স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক চেষ্টাকে তা বাধাগ্রস্ত করবে।

২০১১ সালে লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকেই লিবিয়া অস্থিতিশীল ও নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ে। দেশটিতে রাজনৈতিক বিভাজনের পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়ে সহিংসতা।

সূত্র: সিনহুয়া নেট

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: