বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দিল্লির বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক সংঘর্ষে চার জন নিহত ও ৫০ জন আহত  » «   পুলিশের কব্জায় অটোরিকশা, মায়ের ক্যান্সার চিকিৎসায় শেষ সম্বলও বিক্রি  » «   ১০ লাখ শিক্ষার্থী পাবে ২৯২ কোটি টাকা  » «   ৩৪০০ টাকার পাসপোর্ট ফি ৫২০০ টাকা চেয়ে দুদকের হাতে ধরা  » «   কিশোরগঞ্জে ভাবিকে হত্যার দায়ে দেবরের মৃত্যুদণ্ড  » «   ক্ষমতাসীনরা দেশকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে  » «   চট্টগ্রামে শিশু গৃহকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু  » «   মামলা তুলে না নেয়ায় স্ত্রীকে মেরেই ফেললেন স্বামী  » «   ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরি, চার পুলিশ সদস্য কারাগারে  » «   করোনাভাইরাস : জাপানি প্রমোদতরীর আরও এক যাত্রীর মৃত্যু  » «   বঙ্গবন্ধু উপাধির ৫১ বছর  » «   ঢাকা-সিলেট ৬ লেনে এডিবির অর্থ ফেরত যাওয়ার শঙ্কা  » «   বাঈজী সরদারনি যুব মহিলালীগ নেত্রী পাপিয়ার উত্থান যেভাবে  » «   কী আছে পাপিয়ার ভিডিও ক্লিপে?  » «   ইতালিতে করোনায় আক্রান্ত ৭৯  » «  

ত্রিপুরা বিমানবন্দরের জন্য বাংলাদেশের কাছে ভারত কি জমি চেয়েছে?



নিউজ ডেস্ক:: গত কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ত্রিপুরার আগরতলা বিমানবন্দর সম্প্রসারণের জন্য সরকারের কাছে জমি চেয়েছে ভারত। এ নিয়ে শুক্রবার কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে ফলাও করে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে এই খবরটি জোর গলায় অস্বীকার করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

বিবিসি বলছে, গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশ এবং ভারতের গণমাধ্যমে এই মর্মে খবর বের হয় যে, ত্রিপুরা বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য ভারত বাংলাদেশের কাছে জমি চেয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে নানা ধরনের পরস্পরবিরোধী খবরও বের হয়।

বিষয়টি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের কাছে জানতে চেয়েছিলেন বিবিসি বাংলার প্রতিনিধি। মন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘ভারত আমাদের কাছে কোনো জমি চায়নি। যে খবরটি আপনারা জেনেছেন সেটা সম্পূর্ণ অসত্য। ভারত মূলত যেটা চেয়েছে সেটা হচ্ছে, ত্রিপুরা বিমানবন্দরের রানওয়েতে লাইটের কমপ্লিট ফেইজ পূরণ করতে বাংলাদেশের অংশে কিছু লাইট বসাতে।’

তিনি বলেন, যে কোনো বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিমান ওঠানামার নির্দেশনা দেয়ার জন্য লাইটের একটি কমপ্লিট ফেইজের প্রয়োজন হয়। যেখানে কয়েক ফুট অন্তর অন্তর প্রায় ৫০টির মতো লাইট বসানো হয়। একে বলা হয় ক্যাট আই লাইট। শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘লাইটের এই কমপ্লিট প্যানেলের যে দৈর্ঘ্য সেটা বসানোর মতো জায়গা ভারতের অংশে না থাকায় তারা বাকি কিছু লাইট বাংলাদেশের অংশে বসানোর অনুরোধ করে একটি প্রস্তাবনা দিয়েছে।’

সম্প্রতি ভারত এ নিয়ে একটি অনুরোধপত্র পাঠিয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ‘ভারত লাইট বসানোর বাইরে রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য জমি বা কোননো অবকাঠামো নির্মাণের জন্য কিছু চায়নি। এসব লাইটের বেশিরভাগ ভারতের অংশেই বসবে, এরমধ্যে কিছু লাইট আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে বাংলাদেশের অংশে বসানো হতে পারে।’

তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সিভিল এভিয়েশনকে ভারতের এই অনুরোধ যাচাই বাছাই করে তাদের মতামতের জন্য বলা হয়েছে। সিভিল এভিয়েশনের মতামতের ভিত্তিতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটিতে আলাপ আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এ সময় উষ্মা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের কাছ থেকে কোন প্রস্তাব এলেই এটা নিয়ে অনেক বাড়াবাড়ি করা হয়। অন্য দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়। একটি চক্র সবসময় একে তাদের সস্তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের চেষ্টা করে। কিন্তু সরকারের নীতি হল, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং মর্যাদা সমুন্নত রেখে প্রতিবেশী দেশের সাথে ভালা সম্পর্কের ভিত্তিতে এগিয়ে যাওয়া।’

সরকারের এমন নীতির কারণেই বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও যাতায়াতে অনেক ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়ে গেছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ‘আর সব কিছুই সম্পন্ন হয়েছে একটি সুনির্দিষ্ট কার্যপ্রণালীর মাধ্যমে। এই লাইট বসানোর বিষয়টিও সেভাবেই করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: