মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকরের ‘বিরোধিতায়’ ১১ জেলায় বাস চালানো বন্ধ  » «   নগরীতে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে পিয়াজ, ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন  » «   বলিভিয়ার অশান্তির নেপথ্যে ‘সাদা সোনা’, যা পরবর্তী বিশ্বের আকাঙ্ক্ষিত বস্তু  » «   আবরার হত্যা: পলাতক চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি  » «   ‘অপকর্মে’ সংকুচিত দ. কোরিয়ার শ্রমবাজার  » «   ৩০০ টাকার পিয়াজ সরকারের দিনবদলের সনদ: ডাকসু ভিপি নুর  » «   অযোধ্যা রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করছে মুসলিমরা  » «   ভাঙছে শরিক দল সঙ্কটে ঐক্যফ্রন্ট  » «   হলি আর্টিসান হামলা: রায় ২৭ নভেম্বর  » «   চাকা ফেটেছে নভোএয়ারের, ভাগ্যগুণে বেঁচে গেলেন ৩৩ যাত্রী  » «   হাত-পা ছাড়াই মুখে ভর করে লিখে পিইসি দিচ্ছে লিতুন  » «   প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া বিএনপির চিঠিতে আবরার হত্যার বর্ণনা  » «   ১৫০ যাত্রী নিয়ে মাঝ আকাশে বিপাকে ভারতীয় বিমান, রক্ষা করল পাকিস্তান  » «   বিমান ছাড়াও ট্রেন, ট্রাক, বাসে করে আসছে পেঁয়াজ: সিলেটে পরিকল্পনামন্ত্রী  » «   চুক্তির তথ্য জানতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিল বিএনপি  » «  

ত্রিপুরা বিমানবন্দরের জন্য বাংলাদেশের কাছে ভারত কি জমি চেয়েছে?



নিউজ ডেস্ক:: গত কয়েকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ত্রিপুরার আগরতলা বিমানবন্দর সম্প্রসারণের জন্য সরকারের কাছে জমি চেয়েছে ভারত। এ নিয়ে শুক্রবার কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে ফলাও করে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে এই খবরটি জোর গলায় অস্বীকার করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

বিবিসি বলছে, গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশ এবং ভারতের গণমাধ্যমে এই মর্মে খবর বের হয় যে, ত্রিপুরা বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য ভারত বাংলাদেশের কাছে জমি চেয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে নানা ধরনের পরস্পরবিরোধী খবরও বের হয়।

বিষয়টি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের কাছে জানতে চেয়েছিলেন বিবিসি বাংলার প্রতিনিধি। মন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘ভারত আমাদের কাছে কোনো জমি চায়নি। যে খবরটি আপনারা জেনেছেন সেটা সম্পূর্ণ অসত্য। ভারত মূলত যেটা চেয়েছে সেটা হচ্ছে, ত্রিপুরা বিমানবন্দরের রানওয়েতে লাইটের কমপ্লিট ফেইজ পূরণ করতে বাংলাদেশের অংশে কিছু লাইট বসাতে।’

তিনি বলেন, যে কোনো বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিমান ওঠানামার নির্দেশনা দেয়ার জন্য লাইটের একটি কমপ্লিট ফেইজের প্রয়োজন হয়। যেখানে কয়েক ফুট অন্তর অন্তর প্রায় ৫০টির মতো লাইট বসানো হয়। একে বলা হয় ক্যাট আই লাইট। শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘লাইটের এই কমপ্লিট প্যানেলের যে দৈর্ঘ্য সেটা বসানোর মতো জায়গা ভারতের অংশে না থাকায় তারা বাকি কিছু লাইট বাংলাদেশের অংশে বসানোর অনুরোধ করে একটি প্রস্তাবনা দিয়েছে।’

সম্প্রতি ভারত এ নিয়ে একটি অনুরোধপত্র পাঠিয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ‘ভারত লাইট বসানোর বাইরে রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য জমি বা কোননো অবকাঠামো নির্মাণের জন্য কিছু চায়নি। এসব লাইটের বেশিরভাগ ভারতের অংশেই বসবে, এরমধ্যে কিছু লাইট আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে বাংলাদেশের অংশে বসানো হতে পারে।’

তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সিভিল এভিয়েশনকে ভারতের এই অনুরোধ যাচাই বাছাই করে তাদের মতামতের জন্য বলা হয়েছে। সিভিল এভিয়েশনের মতামতের ভিত্তিতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটিতে আলাপ আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এ সময় উষ্মা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের কাছ থেকে কোন প্রস্তাব এলেই এটা নিয়ে অনেক বাড়াবাড়ি করা হয়। অন্য দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়। একটি চক্র সবসময় একে তাদের সস্তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের চেষ্টা করে। কিন্তু সরকারের নীতি হল, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং মর্যাদা সমুন্নত রেখে প্রতিবেশী দেশের সাথে ভালা সম্পর্কের ভিত্তিতে এগিয়ে যাওয়া।’

সরকারের এমন নীতির কারণেই বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও যাতায়াতে অনেক ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়ে গেছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ‘আর সব কিছুই সম্পন্ন হয়েছে একটি সুনির্দিষ্ট কার্যপ্রণালীর মাধ্যমে। এই লাইট বসানোর বিষয়টিও সেভাবেই করা হবে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: