মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রাজমিস্ত্রি সেজে খুনি ধরলেন এসআই লালবুর রহমান!  » «   আগামী ৫ জুন পবিত্র ঈদুল ফিতর!  » «   বাংলাদেশের সঙ্গে ঝামেলা করতে চাচ্ছে পাকিস্তান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   লুটপাটের উন্নয়নের কথা শুনতে শুনতে জনগণ অতিষ্ঠ: রিজভী  » «   শ্লীলতাহানির বিচার না পেয়ে কিশোরীর আত্মহত্যা, ওসি প্রত্যাহার  » «   ৩৪ পয়েন্টে ওয়াসার পানি পরীক্ষার নির্দেশ  » «   যেভাবে গণনা হবে ভারতে লোকসভা নির্বাচনের ভোট  » «   ঋণখেলাপিদের গণসুবিধার নীতিমালায় স্থিতি অবস্থার আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট  » «   স্বামী- স্ত্রী পরিচয়ে পতিতাবৃত্তি, সাংবাদিক পরিচয়ে ব্লাকমেইল!  » «   পাকিস্তানের নাগরিকদের ভিসা বন্ধ করল বাংলাদেশ  » «   সৌদি আরবের মক্কা ও জেদ্দা নগরীতে হুতিদের মিসাইল হামলা  » «   সারাদেশের পাস্তুরিত দুধ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট  » «   আত্মহত্যাচেষ্টার আগে শোভন-রাব্বানীর উদ্দেশে ফেসবুকে যা লিখলেন দিয়া  » «   এক সময়ের কোটিপতি এখন ভাঙারি দোকানের শ্রমিক!  » «   বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌঁড়ে এগিয়ে সিরাজ  » «  

তাহিরপুরে তরুণীর আত্মহত্যা : প্রেমিকসহ গ্রেফতার ২



latest1তাহিরপুর সংবাদদাতা: দীর্ঘ ৫ বছর মন দেয়া-নেয়ার পর প্রেমিক ও তার পরিবারের লোকজনের বাধার মুখে স্ত্রীর স্বীকৃতি না পেয়ে লোকসমাজে হেয় হওয়ার কারণে এক তরুণী আত্মহত্যা করেছে। মৃত্যুর আগে প্রেমিক ও তার পরিবারের লোকজন, এমনকি কথিত সমাজপতিসহ বেশ কয়েকজনকে মৃত্যুর জন্য দায়ী করে ঐ তরুণী একটি চিরকুট লিখে গেছে। নিহত তরুণীর নাম সাহেবা আক্তার মহিমা। সে উপজেলার বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের কাউকান্দি গ্রামের তারা মিয়ার মেয়ে।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কাউকান্দি গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে আক্তার হোসেনের সাথে একই গ্রামের তারা মিয়ার মেয়ে সাহেবা আক্তার মহিমার গত ৫ বছর ধরেই মন দেয়া-নেয়া চলছিল। গত কয়েক মাস আগে গ্রামে এবং উভয়ের পরিবারের লোকজনের মধ্যে মন দেয়া নেয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে মহিমার পরিবারের পক্ষ থেকে তারা মিয়ার পরিবারের লোকজনকে বিয়ের আলাপ-আলোচনা করার প্রস্তাব দেয়া হয়। এনিয়ে কয়েক দফা সালিশি এবং আলোচনা হলেও কতিথ সমাজপতি এবং আক্তারের পরিবারের লোকজন দরিদ্র পরিবারের মহিমার বিয়েতে অস্বীকৃতি জানায়।
এ ঘটনার পর মহিমা ও তার পরিবারের লোকজনকে নিয়ে গ্রামে মুখরোচক আলোচনা শুরু হলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে মহিমা। একদিকে প্রেমিকের কাছ থেকে স্ত্রীর স্বীকৃতি না পাওয়া, অন্যদিকে গ্রামের লোকজনের সমালোচনার মুখে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ার মানসিক যন্ত্রণা সইতে না পেরে মহিমা গত বৃহম্পতিবার রাতের কোনো এক সময় বাড়ির পার্শ্ববর্তী গাছের ঢালে ওরনা পেছিয়ে আত্মহত্যা করে। মৃত্যুর আগে একটি চিরকুটে মহিমা এই মুত্যুর জন্য দায়ী হিসেবে প্রেমিক আক্তার ও তার পরিবারের লোকজন এবং সমাজপতিসহ বেশ কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে গেছে। পুলিশ ঐ চিরকুটটি উদ্ধার করেছে।
এদিকে এ ঘটনায় পুলিশ গত শুক্রবার প্রেমিক আক্তার হোসেন ও তার চাচাত ভাই একই গ্রামের মৃত আব্দুস সাহিদের ছেলে জুনায়েদ আহমদকে গ্রেফতার করেছে।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনিছুর রহমান খাঁন গতকাল শনিবার জানান, নিহতের পিতা আত্মহত্যার প্ররোচণার অভিযোগ এনে থানায় আক্তারসহ ৭ জনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মহিমার চিরকুট ও মামলার সূত্র ধরে অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: