শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
২২ আগস্ট থেকে গ্রুপ চ্যাট বন্ধ করে দিচ্ছে ফেসবুক  » «   রাজনীতিতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী কন্যা পুতুল?  » «   সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজী নিহত, আহত ১৭  » «   ফের পাক-ভারত সীমান্তে গোলাগুলি  » «   গভীর রাতে স্ত্রীকে মেডিকেলে নেয়ার ভয়াবহ বর্ণনা দিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  » «   মিরপুরে বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুড়েছে ৬০০ ঘর, ধ্বংসস্তুপে চলছে অনুসন্ধান  » «   বেফাঁস মন্তব্যে ফাঁসলেন জাকির নায়েক, হারাচ্ছেন নাগরিকত্ব  » «   কাশ্মীরে খুলছে স্কুল-কলেজ, তুলে নেওয়া হচ্ছে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা  » «   কাশ্মীর সঙ্কট নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের রুদ্ধদ্বার বৈঠক সম্পন্ন, নাখোশ ভারত  » «   শিক্ষামন্ত্রীর স্বামীকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   চীনে টাইফুন লেকিমার আঘাত: নিহত ২৮, ঘরছাড়া ১০ লাখ  » «   কেমন হবে এবার কাশ্মিরীদের ঈদ?  » «   কেন ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি, কারণ বললেন সেতুমন্ত্রী  » «   কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি সোনিয়া গান্ধী  » «   সড়ক-রেল-নৌ: সব যাত্রা পথেই ভোগান্তি  » «  

তাপদাহের মধ্যে আরাফাত ময়দানে ‘শান্তির বৃষ্টি’



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: হজের দ্বিতীয় দিনে ‘লাব্বাইক, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছিল আরাফাত ময়দান। তীব্র গরম উপেক্ষা করেই সৃষ্টিকর্তার সান্নিধ্য লাভের আশায় সেখানে হাজির হয়েছেন ২০ লাখেরও বেশি ধর্মপ্রাণ মুসলমান। তবে, গরমে খুব বেশিক্ষণ কষ্ট করতে হয়নি তাদের। দুপুরের তীব্র রোদের মধ্যেই হঠাৎ আকাশ কালো করে নেমে আসে এক পশলা বৃষ্টি।

শুক্রবার (৯ আগস্ট) থেকে শুরু হয়েছে হজের আনুষ্ঠানিকতা। সেদিন মিনায় অবস্থান করে রাতেই আরাফাতের ময়দানের দিকে যাত্রা করেন সবাই। মূলত জিলহজের ৯ তারিখে এ ময়দানে অবস্থান করাই হজ। শনিবার (১০ আগস্ট) আরাফাত ময়দানে হাজির হয়ে কেউ পাহাড়ের ওপর, কেউ নিচে, কিংবা অন্য কোনো সুবিধাজনক জায়গায় বসে ইবাদত শুরু করেন। কিন্তু দুপুর পার হতেই হঠাৎ শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি ও বজ্রপাত।

অনেকের মতে, গরমের মধ্যে এমন বৃষ্টি আল্লাহর রহমত। বান্দার কষ্ট লাঘবের জন্যই তিনি রোদের মধ্যে বৃষ্টি দিয়েছেন। বৃষ্টি-বজ্রপাত হলেও হজের আনুষ্ঠানিকতার কোনো পরিবর্তন হবে না। নিয়ম অনুযায়ী, সূর্যাস্তের পর আরাফাত ময়দান থেকে মুজদালিফার ময়দানে যাবেন তারা। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন। মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে সারারাত অবস্থানের পর রোববার (১১ আগস্ট) শয়তানের স্তম্ভে নিক্ষেপের জন্য পাথর সংগ্রহ করবেন।

ফজরের নামাজ শেষে বড় জামারায় (প্রতীকী বড় শয়তান) পাথর নিক্ষেপ করতে মিনায় যাবেন তারা। শয়তানকে সাতটি পাথর মারার পর হাজিরা সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি অর্জনে পশু কোরবানি দিয়ে মাথা মুণ্ডাবেন। সেলাইবিহীন দুই টুকরো কাপড় বদল করবেন। এরপর স্বাভাবিক পোশাক পরে মিনা থেকে মক্কায় গিয়ে পবিত্র কাবা শরিফ বিদায়ী তাওয়াফ করবেন।

অবশ্য মক্কায় গিয়েই হজযাত্রীরা প্রথমে একবার পবিত্র কাবা ঘর তাওয়াফ করেন। বিদায়ী তাওয়াফের পর ইহরাম ত্যাগ করার কাজ সম্পন্ন করবেন তারা। কাবার সামনের দুই পাহাড় সাফা ও মারওয়ায় সাঈ (সাতবার দৌড়াবেন) করবেন। সেখান থেকে আবার মিনায় যাবেন তারা। মিনায় যতদিন থাকবেন, ততদিন তিন (বড়, মধ্যম, ছোট) শয়তানের উদ্দেশে ২১টি পাথর নিক্ষেপ করবেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: