বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
যেভাবে আরবদের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হয়ে উঠেছেন এরদোগান  » «   উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় নার্সকে মেরে ফেলল বখাটে  » «   সড়কে নামাজ ঠেকাতে রাস্তায় বসে বিজেপির মন্ত্র পাঠ  » «   খুনির সঙ্গে রিফাতের স্ত্রী মিন্নির ‘সম্পর্কের তথ্য’ ফাঁস  » «   প্রাথমিকের শিক্ষক বদলির নীতিমালায় ফের পরিবর্তন।  » «   রিফাতের হত্যাকারীদের গ্রেফতারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর  » «   মুসলিম যুবককে হত্যার ঘটনায় উত্তাল ভারত, বিচারের আশ্বাস দিলেন মোদী  » «   টিম ইন্ডিয়ার কমলা জার্সি নিয়ে চলছে রাজনীতি  » «   ভারতীয় এমপির যে ভাষণে উত্তাল স্যোশাল মিডিয়া  » «   দুই প্রকৌশলীকে পেটালেন আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতারা  » «   সিলেটে বিদেশী মদসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার  » «   রেল লাইন সংস্কারের দাবিতে শাহবাগে সিলেটি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধবন  » «   আসামে নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়লেন আরও এক লাখ  » «   বিশ্বনাথে ডাকাতের সঙ্গে গোলাগুলি, ৫ পুলিশ গুলিবিদ্ধ  » «   প্রাথমিকে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর  » «  

তথ্য গোপন রাখার কয়েকটি সহজ উপায়



13.তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক::
আধুনিক প্রযুক্তির কারণে মানুষের সুযোগ-সুবিধা যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে তথ্য চুরির ঘটনা। ফোর্বস এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আপনি কি উপায়ে আপনি খুব সহজেই ব্যক্তিগত তথ্য রক্ষা করতে পারেন।

পাসওয়ার্ড নিজের কাছে রাখুন:
কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের পাসওয়ার্ড যেন কখনই এক না হয়৷ আর ব্যাংক কার্ড-এর সঙ্গে যেন এই পাসওয়ার্ডের মিল না থাকে। এছাড়া কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটে কোনো পাসওয়ার্ড লিখে রাখবেন না। এর ফলে আপনার তথ্য চুরির সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়৷ বাড়ির বাইরে গেলে এগুলি ‘লক’ করে যাবেন।

নামে ‘গুগল অ্যালার্ট’ ব্যবহার করুন:
এটা খুব সহজ পন্থা, আপনি যদি দেখতে চান ইন্টারনেটে আপনার সম্পর্কে সবাই কী বলছে। সোজা এই ঠিকানায় যান – http://www.google.com/alerts এবং আপনার নাম লিখুন। তারপর আপনার নামের বিভিন্ন ধরন লিখে, তার আগে ও পরে ‘কোটেশন মার্ক’ জুড়ে দিন।

ব্যবহারের পর লক্ষ্য রাখা:
আপনি যদি অন্য কারো কম্পিউটার বা ট্যাবলেট ব্যবহার করেন, তবে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ জিনিস লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। আপনার পর যিনি সেটা ব্যবহার করবেন, তিনি যাতে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে না পারে – সেটা খেয়াল রাখুন। আপনি যদি এটা করতে ভুলে যান, তাহলে ফলাফল ভয়াবহ হতে পারে।

ফোন, ই-মেল বা জিপ কোড ব্যবহার করতে না দেয়া:
অচেনা কোনো মানুষ এই নম্বরগুলো জানতে চাইলে, আপনারা দেবেন না। দেখা যায় কোনো অফিস তার কর্মীর কাছ থেকে এ সব তথ্য চাইলে, অনেকেই সেচ্ছ্বায় তা দিয়ে দেয়। বহু অফিস এ নিয়ে একটি প্রোফাইল তৈরি করে। আপনার কিন্তু এ সব তথ্য না দেয়ার অধিকার আছে। তাই আপনি যদি এতে স্বাচ্ছ্বন্দ্যবোধ না করেন, তবে দেবেন না।

কার্ড নয় ক্যাশ:
আপনি যদি চান আপনি যে পণ্যটি কিনছেন, সেই কোম্পানি আপনারা পরিচয় না জানুক, তবে নগদ অর্থে জিনিস কিনুন।

ফেসবুকে নিরাপত্তার জন্য ‘ফ্রেন্ডস’ ব্যবহার করুন:
ফেসবুকে সবসময় ‘সিকিউরিটি’ বা নিরাপত্তা পরীক্ষা করুন। পোস্ট করার পর লক্ষ্য রাখুন আপনি আপনার ছবি বা মন্তব্য ‘ফ্রেন্ডস’ করে রেখেছেন, নাকি ‘পাবলিক’ করেছেন। আপনি যদি ‘স্পেশ্যাল’ নির্বাচন করেন এবং ঠিক করে দেন কে কে আপনার পোস্ট দেখতে পাবে, তবে সেটা আপনার তথ্য নিরাপত্তার জন্য তুলনামূলকভাবে ভালো।

‘হিস্ট্রি’ এবং ‘কুকিস’ মুছে ফেলুন:
আপনি সবশেষ কবে এটা করেছেন? আপনি যদি নিশ্চিত না হন, ব্রাউজারে গিয়ে এটা পরিবর্তন করুন। ব্রাউজারের ‘প্রাইভেসি সেটিংস’-এ যান, সেখানে ‘নেভার রিমেমবার হিস্ট্রি’ নির্বাচন করুন। এর ফলে ইন্টারনেটে আপনাকে ‘ট্র্যাক’ করাটা হ্যাকারদের জন্য কঠিন হবে। এছাড়া আপনি ‘অ্যাড অন’-ও ব্যবহার করতে পারেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: