শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নিজেকে খলিফা ও ইমাম মাহাদী দাবিকারী গ্রেফতার  » «   কুয়েতে এসি বিস্ফোরণে নিহত: গ্রামের বাড়িতে মরদেহ গ্রহণ, স্বজনদের কান্নার রোল  » «   ‘রোহিঙ্গা সংকটের জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দায়ী’  » «   অভিষেক ম্যাচেই যাদু, কে এই বিষ্ময় যুবক!  » «   দোয়ারাবাজারে মাছের অাঘাতে একজনের মৃত্যু !  » «   সৌদিতে থাকা বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর  » «   তরুণ ও গৃহবধূকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, আটক ৬  » «   এ মাসেই নির্মাণকাজ উদ্বোধন বস্তিবাসীদের জন্য ৫৫০ বহুতল ভবন  » «   কান কি পরিষ্কার করা উচিত? জানলে চমকে যাবেন  » «   ভারতীয় তিন টিভির সম্প্রচার বন্ধে আপিল শুনানি রোববার  » «   ঢাবিতে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টরের দায়িত্ব গোলাম রব্বানী  » «   আইপিইউ সম্মেলনে রোহিঙ্গা ইস্যুবাংলাদেশের কাছে ৯৮০ ভোটে হেরে গেল মিয়ানমার  » «   প্রেমিকসহ ধর্ষিতা নিখোঁজপ্রেমিককে গাছে বেঁধে প্রেমিকাকে গণধর্ষণ  » «   লেজ আকৃতির অদ্ভুত সন্তান প্রসব গৃহবধূর!  » «   সাগরে নিম্নচাপ, ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত  » «  

ঢামেক হাসপাতাল‘সরকারী কাজ এমনই হয়!’



ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সরকারী এ্যাম্বুলেন্স আছে কিন্তু চালক নেই। চালক সংকটে রোগীদের সঠিক সেবা দিতে পারছে না বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের যানবাহন শাখার সুপার ভাইজার মোঃ নাছির উদ্দিন নান্নু।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা মেডিকেল ইমারজেন্সি বিভাগের সামনে কোন সরকারী এ্যাম্বুলেন্স দাঁড়ানো নেই কিন্তু প্রাইভেট এ্যাম্বুলেন্সের অভাব নেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, এক প্রাইভেট এ্যাম্বুলেন্সের মালিক বলেন, সরকারী এ্যাম্বুলেন্স কোথাও যায় না। আর যদি যায় তাহলে ভাড়া আমাদের থেকে কম নেয় না। ঐ ভাড়ার চাট শুধু লাগানো থাকে কাজের বেলায় কিছুই না।

ঢাকা মেডিকেলের ইমারজেন্সি বিভাগের সামনে দাঁড়িয়ে দেখা যায়, সরকারী এ্যাম্বুলেন্স থেকে রোগী নামার পর ভাড়া আদায় করছে। সরকারী ভাড়া থেকে তিন গুণ বেশী।

এক রোগীর ছেলে ইয়াসিন শিকদার  জানান, সরকারী এ্যাম্বুলেন্স নাকি তা জানি না। আমার ইমারজেন্সি এ্যাম্বুলেন্স দরকার ছিল। তাই আমি চলে এসেছি। সরকারি না বেসরকারী আমি তা বলতেও পারবো না।

হাসপাতাল থেকে বের হওয়া এক রোগীর জন্য এ্যাম্বুলেন্স খোঁজ করছিলেন রোগীর আত্মীয়রা। সেখানে দেখা যায় বেসরকারী এ্যাম্বুলেন্সের চালকরা তার দিকে দৌড়ে আসে এবং রোগীকে বেসরকারী এ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাচ্ছে। তার কাছে সরকারী এ্যাম্বুলেন্সের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঐ এ্যাম্বুলেন্স আসতে আসতে আমার রোগীর বারোটা বেজে যাবে।

মেডিকেলের সামনে সরকারী এ্যাম্বুলেন্সের সাথে যোগাযোগ করার জন্য যে নম্বর দেওয়া আছে, সেই নম্বরে একাধিক বার ফোন দিলেও কেউ সেই ফোন ধরে নি। ফোন না ধরার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তথ্য দাতার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সরকারী কাজ এমনই হয়, আপনি প্রাইভেট এ্যাম্বুলেন্স নেন।’

ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের জন্য সরকারী এ্যাম্বুলেন্স আছে ৬টি। তার মধ্যে ৪টি এ্যাম্বুলেন্সই নষ্ট। আর ২টি এ্যাম্বুলেন্স সেবায় বাহিরে আছে বলে জানান যানবাহন শাখার সুপারভাইজার।

তিনি বলেন, আমারা ২০টি এ্যাম্বুলেন্স আর ১০ জন চালকের জন্য আবেদন করেছি মন্ত্রণালয়। আগামী বছরের মধ্যে আশা করছি সরকার আমাদের এই চাহিদা পূরণ করবে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: