শুক্রবার, ২২ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সাপাহারে ট্রাক ও ভ্যানের মুখো-মুখি সংঘর্ষে নিহত-২  » «   দুর্ঘটনার দিন ঢাকাতেই ছিলাম না’  » «   ভক্তদের হতাশ করেনি ব্রাজিল : অতিরিক্ত সময়ই বিশ্বকাপে টিকিয়ে রাখল নেইমারদের  » «   হাসপাতালের এক্সরে রুমে রোগীর মাকে ধর্ষণের চেষ্টা!  » «   গজারী বনে যুবতীর অর্ধগলিত লাশ  » «   ‘খালেদা চেয়েছিলেন আমি কারাগারেই মরি’: এরশাদ  » «   রাজনীতিতে ভালবাসার কোনো স্থান নেই : কাদের  » «   ফতুল্লার ব্রাজিল বাড়িতে নিজ দেশের খেলা দেখবেন রাষ্ট্রদূত  » «   সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দিতে উদ্যোগ নিচ্ছে গুগল  » «   জামিনের ৭ দিন পরে ফের ইয়াবাসহ আটক  » «   প্রিয়জনের রাগ ভাঙাবেন যেভাবে!  » «   নদী ভাঙনে বড়লেখার ৫ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ চরমে  » «   আইসিআরসি প্রেসিডেন্ট আসছেন ৩০ জুন  » «   মা হলেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী!  » «   যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত ২  » «  

ঢাকা-৭ আসনকে পাবে নৌকার টিকিট



নিউজ ডেস্ক::জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আরও বাকি প্রায় দেড় বছর এরি মধ্যে নির্বাচনি প্রস্তুতি নিয়ে তোর জোপ শুরু করেছে ঢাকা-৭ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। এদিকে দলের টিকিট পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে প্রার্থীরা। এখন শুধু দেখার পালা কে পায় নৌকার টিকিট। লালবাগ, চকবাজার, বংশাল ও কোতোয়ালি থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৭ আসন। নবম সংসদ নির্বাচনে এই আসনে প্রার্থী ছিলেন ১৩ জন।

আর সর্বশেষ বিরোধী দলবিহীন দশম নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন তিনজন। যার মধ্যে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগেরই ছিলেন দুই জন। দল থেকে মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, আর বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে হাজী মো. সেলিম ভোট যুদ্ধ করেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে জয়ের মালা নিয়ে দশম সংসদে যায় হাজী সেলিম। নিজ দলের নৌকাকে পরাজিত করেন হাজী সেলিমের হাতি প্রতীক। আগামী একাদশ নির্বাচনেও এ দুজনই দলের টিকিট পেতে মরিয়া।

হাজী সেলিমের অনুসারিদের দাবি দল বুঝতে পেরেছে যে, এ আসনে কার জনপ্রিয়তা বেশি। তাই আগামী নির্বাচনে হাজী সেলিমই নৌকার মনোনয়ন পাবে বলে তাদের বিশ্বাস। অন্যদিকে, মহিউদ্দিনের অনুসারীদের দাবি, হাজী সেলিম যেভাবেই পাস করুক না কেন, তিনি নৌকার বিপক্ষে, দলের সিদ্ধান্তের বিপরীতে গিয়ে নির্বাচন করেছে। আর শেখ হাসিনা কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। সে হিসেবে আগামী নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনই লড়বেন বলে তাদের আশা।

স্থানীয় দোকানদার রফিকুল জানান, বর্তমান এমপি ভালো কাজ করেছে। ব্যবসা বাণিজ্য করতে আমাদের তেমন কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি তিনি দলের হয়ে নমিনেশন পেলে পেতেও পারে।

ব্যবসায়ী আতিকুল বলেন, আওয়ামী লীগ থেকে যে আসুক আমরা চাই এমন একটি লোক যে জনগণের পক্ষে কাজ করবে নিজের স্বার্থ দেখবে না। এলাকায় মাদক ব্যবসা ভয়াবহ। যুবকদের রক্ষা করতে হলে দ্রুতই পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। পানি সমস্যা এলাকায় প্রকট। ড্রেনেজ ব্যবস্থাও ভাল না। এ সমস্যা সমাধানে কাজ করতে হবে বা করবে এমন লোক চাই।

আরিফ বলেন, গত আট বছরে এলাকায় অনেক সমস্যার সমাধান হয়েছে। ব্যবসায়ীরা শান্তিতে ব্যবসা করছে। সন্ত্রাসের কোন স্থান নেই এ এলাকায়।

মহন দাশ নামের এক ব্যবসায়ী জানান, এলাকায় উন্নায়ন মোটামুটি হয়েছে তবে মাদকটা তেমন কমেনি আমরা এমন একটা নেতা চাই যিনি আমাদের কে এ মাদক মুক্ত এলাকা দিবে।

আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, আমাদের নেত্রী যাকে টিকিট দিবে আমরা তার কাজ করবো। তবে আমরা আশা করি তিনি সঠিক লোককে টিকিট দিবে।

উল্লেখ্য, দশম নির্বাচনে এই আসনে ভোটার ছিল তিন লাখ এক হাজার ২ শত ৮৯ জন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: