শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়ে দুই পুরস্কার পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী  » «   ডিজিটাল পাঠ্যবই শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়ের জন্য সহায়ক হবে: শিক্ষামন্ত্রী  » «   কাল পবিত্র আশুরা, তাজিয়া মিছিলে ছুরি-তলোয়ার নিষিদ্ধ  » «   জেল থেকে বাসায় ফিরলেন নওয়াজ-মরিয়ম  » «   রোহিঙ্গাদের জন্য বিশ্বব্যাংকের ৫ কোটি ডলার সহায়তা  » «   রান্নাঘরের গ্রিল কেটে শাবির ছাত্রী হলে চুরি,নিরাপত্তাহীনতায় ছাত্রীরা  » «   এখনও জঙ্গি হামলার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ : যুক্তরাষ্ট্র  » «   মোদিকে ইমরানের চিঠি: পুনরায় শান্তি আলোচনা শুরুর তাগিদ  » «   খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতেই বিচার চলবে: আদালত  » «   ফুটপাতের খাবার বিক্রেতা থেকে সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রপতি!  » «   বিএনপি নেতাদের ওপর ক্ষুব্ধ তারেক রহমান!  » «   পায়রা বন্দরের নিরাপত্তায় পুলিশের বিশেষ আয়োজন  » «   সরকারের চাপের মুখে দেশত্যাগ করতে হয়েছে: এসকে সিনহা  » «   পুতিন আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছে : রাশিয়ান মডেল  » «   বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ: ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত  » «  

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল চলাচল ব্যাহত



নিউজ ডেস্ক::বৃষ্টির কারণে ভৈরবে রেললাইনের মাটি সরে যাওয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে প্রায় এক ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে।

বুধবার সকাল ৬টা থেকে ৬টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত এ পথে কোনো ট্রেন চলাচল করেনি। আখাউড়া থেকে ঢাকাগামী কমিউটার ট্রেন তিতাস ভৈরব বাজারের পাশে আটকা পড়ে। খবর পেয়ে রেলওয়ের ভৈরব বাজার ঘাটের সহকারী প্রকৌশলী আহসান হাবিবের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পরে ত্রুটি মেরামত করলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ভৈরব রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার রাত ও আজ সকালে প্রবল বৃষ্টিপাত হয় ভৈরবে। সেই বৃষ্টির পানি রেললাইন বেয়ে নিচে নামার ফলে ভৈরব বাজার রেলওয়ে জংশন স্টেশনের অদূরে ২৯ নম্বর সেতুর কাছে রেললাইনের নিচ থেকে মাটি সরে যায়। সকাল ৬টার দিকে আখাউড়া থেকে ঢাকাগামী কমিউটার ট্রেন তিতাস এক্সপ্রেস ওই স্থান অতিক্রমের সময় বিষয়টি নজরে এলে চালক ট্রেনটি থামিয়ে রাখেন।

এ বিষয়ে ভৈরব রেলওয়ের সহকারী প্রকৌশলী আহসান হাবিব জানান, ভৈরব রেলওয়ে জংশন স্টেশনের পর থেকে পূর্ব দিকে ভৈরব রেলওয়ে সেতু পর্যন্ত এলাকায়, বিশেষ করে ২৯ নম্বর থেকে ২৮ নম্বর সেতু এলাকায় রেললইনের পাশে অর্ধশত অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। আর ওই সব স্থাপনার কারণে রেললাইনের ওপর থেকে পানি গড়িয়ে নিচে নামতে পারে না। ফলে বৃষ্টিতে রেললাইনের পাশে পানি জমে থাকে। এতে করে ওই সব এলাকায় রেললাইনের পাশে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

ভৈরব রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী (পূর্ত) মো. বিল্লাল হোসেন জানান, অবৈধ দখলকারী ব্যক্তিরা স্থানীয় প্রভাবশালী, তাই তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাচ্ছে না। তবে বিষয়টি রেলওয়ের স্ট্রেট বিভাগকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: