শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার খবরটি ‘টোটালি ফলস’  » «   শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে: খাদ্যমন্ত্রী  » «   জামায়াত নতুন নামে পুরনো চরিত্রে ফিরে আসে কিনা তা ভাবনার বিষয়  » «   সুস্থ থাকলে শেখ হাসিনার বিকল্প দরকার নেই  » «   নন্দলালের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন না: ইসি রফিকুল  » «   এমপি হিসেবে শপথ নিলেন সৈয়দ আশরাফের বোন ডা. জাকিয়া  » «   রোহিঙ্গাদের নৃশংসতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান মিয়ানমার সেনাপ্রধানের!  » «   যেসব শর্তে আত্মসমর্পণ করছেন ১০২ ইয়াবা ব্যবসায়ী  » «   নাসা আ্যপস চ্যালেঞ্জে বিশ্বসেরা শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়  » «   বাংলা একাডেমিতে আল মাহমুদের মরদেহ, শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে জোবায়ের অনুসারীদের ইজতেমা শেষ  » «   যেভাবে ভারতীয় সেনাবহরে হামলা চালায় জঙ্গিরা  » «   রোহিঙ্গা নিপীড়ন তদন্তে মার্চে বাংলাদেশ আসছে আইসিসি প্রতিনিধিদল  » «   ব্যাটিং ব্যর্থতায় সিরিজ হার বাংলাদেশের  » «   যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন ট্রাম্প  » «  

ঢাকায় ইলিশের কেজি মাত্র ৪০০ টাকা!



নিউজ ডেস্ক::ইলিশের তেমন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না আষাঢ় মাসে। যে সময়টাকে ইলিশের ভরা মৌসুম বলে দাবি করা হয় সে সময়টাতে তেমন ইলিশের দেখা না পাওয়ায় অনেকেই যেন কিছুটা হতাশ হয়েছিলেন। কিন্তু একটু দেরি করে হলেও খবর মিলেছে ইলিশের। পদ্মায় এখন ঝাঁক বাঁধতে শুরু করেছে এই সুস্বাদু মাছ। বঙ্গোপসাগরের মোহনা সংলগ্ন বিষখালী, বলেশ্বর নদী ও গভীর সমুদ্রে এখন ইলিশের জোয়ার।

আর এর ফলে মাছের দাম কমেছে সারা দেশে। মাছের ঢল নামতে শুরু করেছে রাজধানীর বাজারে। মঙ্গলবার (১৪ আগস্ট) রাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া বাজারে ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।

শুধু শনির আখড়া নয়, প্রায় এক থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে রায়েরবাগের ছোটও বাজারে দেখা যায়, মোটামুটি আধা কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজিতে।

তবে বড় মাছ যে বড় দামে বিক্রি হচ্ছে না, তা নয়। প্রায় এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকায়।

বিক্রেতারা বলছেন, ইলিশের ভরা মৌসুমেও এবার খরা ছিল; সে কারণে এতদিন এ ধরনের ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৭০০ থেকে ১০০০ টাকা। এখন ইলিশ বেশি ধরা পড়ছে। তার জন্য দাম কমছে। তবে সামনে কুরবানির ঈদ হওয়ায় চাহিদা কমতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

২০০৭ সালে প্রায় তিন লাখ মেট্রিক টন ইলিশ ধরা পড়েছিল। সর্বশেষ মৌসুমে তা পাঁচ লাখ মেট্রিক টনের মতো হয়েছে। অর্থাৎ দশ বছরে ইলিশের উৎপাদন প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জাটকা এবং প্রজননের সময় ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকা, অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করাসহ বিভিন্ন প্রচেষ্টার ফলে ২০১৬-১৭ সালে যেমন ইলিশের উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। এছাড়া লক্ষ্যমাত্রা-অতিক্রম করে মাছ উৎপাদনেও বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

চলতি বছরেও পর্যাপ্ত ইলিশ মাছ পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন সংশিষ্টরা।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: