শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেটে নির্মাণ হতে যাচ্ছে স্মৃতিসৌধ,পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও লেটার  » «   সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের ১০ ধাপ অবনতি  » «   জাফর ইকবালকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু  » «   আইডিয়া’র ২৫ বছর পূর্তি উৎসবে র‍্যালি, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  » «   উন্নয়ন করতে গিয়ে জীবন ও জীবিকার যেন ক্ষতি না হয় : প্রধানমন্ত্রী  » «   আজ দিন রাত সমান, আকাশে থাকবে সুপারমুন  » «   সহকর্মীর হাতে খুন হলেন তিন ভারতীয় সেনা  » «   মসজিদে হামলাধারী ব্রেন্টন আইএস থেকে ভিন্ন কিছু নয়: এরদোগান  » «   সিলেটে মেশিনে আদায় হবে যানবাহনের মামলার জরিমানা  » «   গ্যাসের দাম ১৩২% বৃদ্ধির প্রস্তাব হাস্যকর  » «   মেয়রের আশ্বাসে ২৮ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত  » «   দরিদ্র বলে এদেশে কিছু থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী  » «   এক সপ্তাহের মধ্যে আবরারের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ  » «   গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশি ওমরের মুখে মসজিদে হামলার লোমহর্ষক বর্ননা…  » «   আজ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী,আ. লীগের শ্রদ্ধা  » «  

ডিআইজি মিজানের অপরাধ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী



নিউজ ডেস্ক:: ‘তুলে নিয়ে বিয়ে করার’ অভিযোগে আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অবস্) মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলছে। তার অপরাধ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

সোমবার বিকেলে রাজধানীর নাখালপাড়া হোসেন আলী স্কুলে প্রধান অতিথি হিসেবে শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যত বড় কর্মকর্তাই হোন না কেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। তিনি যদি এমন গর্হিত কাজ করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সোমবার ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০১৮’ শুরুর আগেই আলোচনায় আসেন ডিআইজি মিজান। তার বিরুদ্ধে তুলে নিয়ে বিয়ে করে প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন এক নারী। যদিও মিজান ওই নারীকে প্রতারক বলে দাবি করেছেন।

ওই নারী একটি জাতীয় দৈনিককে জানান, পান্থপথের স্কয়ার হাসপাতালের কাছে তার বাসা। সেখান থেকে কৌশলে গত বছরের জুলাই মাসে তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা মিজান। পরে বেইলি রোডের মিজানের বাসায় নিয়ে তিনদিন আটকে রাখা হয়েছিল তাকে। আটকে রাখার পর বগুড়া থেকে তার মা’কে ১৭ জুলাই ডেকে আনা হয় এবং ৫০ লাখ টাকা কাবিননামায় মিজানকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। পরে লালমাটিয়ার একটি ভাড়া বাড়িতে তাকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে রাখেন ইতোপূর্বে বিবাহিত মিজান।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, কয়েক মাস কোনো সমস্যা না হলেও ফেসবুকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে একটি ছবি তোলার পর ক্ষেপে যান মিজান। বাড়ি ভাঙচুরের একটি ‘মিথ্যা মামলা’য় তাকে গত ১২ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়। সেই মামলায় জামিন পাওয়ার পর মিথ্যা কাবিননামা তৈরির অভিযোগে আরেকটি মামলায় তাকে আটক দেখানো হয়।

দুটি মামলায় জামিনে বেরিয়ে আসার পর পুলিশ কর্মকর্তা মিজানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলেন ওই নারী।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: