বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বরখাস্তকৃত ন্যানগ্যাগওয়াই হচ্ছেন জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট  » «   খালেদার গাড়িবহরে হামলা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের পরিকল্পনার অংশ  » «   এক মোটরসাইকেলেই বিশ্ব রেকর্ড  » «   কাঁদলেন ঐশ্বরিয়া, ১শ শিশুর ঠোঁটের অস্ত্রোপচারে খরচ দিবেন  » «   কাল থেকে পুনরায় চালু হচ্ছে চুয়েট বাস  » «   বলি একটা লেখেন আরেকটা: সাংবাদিকদের রোনালদো  » «   এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১ ফেব্রুয়ারি  » «   মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হবে ছাত্রলীগের স্কুল কমিটি  » «   এগিয়ে থাকুন সৃজনশীলতায়  » «   সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ১ বছরে সাড়ে ৩ কোটি ইয়াবা জব্দ  » «   শ্রীমঙ্গলে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন  » «   দখলমুক্ত হচ্ছে খাল ও নদী  » «   কুমিল্লায় হানিফ‘আ’লীগকে হুংকার দিয়ে লাভ নেই’  » «   কমলগঞ্জে প্রতিহিংসায় বিনষ্ট কৃষকের শিম বাগান  » «   অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ সহ নানা অভিযোগ  » «  

ডাক্তারের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ



এম শরীফ আহমেদ, ভোলা থেকে: ভোলা সদরে মোহনা ডায়াগনস্টিকে থাকা আয়া ও ডাক্তারের অবহেলায় শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার (০২ সেপ্টেম্বর) রাতে ডায়াগনস্টিকে ভর্তি থাকা অবস্থায় হাসনাহেনা নামে প্রসূতির গর্ভের সন্তানের মৃত্যু হয়।

প্রসূতির পরিবারের অভিযোগে, চরপাতা কাজির হাট দৌলতখান গ্রামের হাসনাহেনা প্রসব ব্যথা নিয়ে গত রবিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ১২:৩০ মিনিটে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালের কর্তব্যরত নার্স রোগীর অবস্থা খারাপ বলে উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

রুগীর সাথে থাকা স্বজনরা কর্তব্যরত ডাক্তার “সাইফুর রহমানকে” কে জানালে, তিনি আলট্রান্সোগ্রাফি করতে বলে ডায়াগনস্টিকে পাঠায় এবং বিকেলে ৪ টায় রোগীর রিপোর্ট ডায়াগনস্টিকে এসে দেখবেন বলে স্বজনদের আশ্বাস দেন।

রোগীর ভাই যানায়, বিকেলে ডাক্তার এসে রোগী দেখবেন বলেও না আসায় আমি ডায়াগনস্টিক থেকে নাম্বার নিয়ে ডাক্তারের কাছে রিপোর্ট নিয়ে যাই। সন্ধ্যার পরে ডাক্তার সাইফুর রহমান এসে রোগী ও রিপোর্ট না দেখেই চলে যায়। রোগীর স্বজনরা ডাক্তারের নাম্বার বন্ধ পেয়ে ডায়াগনস্টিকে থাকা নার্সদের কাছে রোগীর কথা জানতে চাইলে তারা বলেন, ডাক্তার তাদের সব বুঝিয়ে দিয়ে গেছেন। বাচ্চা নরমালে হবে এবং ওটি তে নিলেই ডাক্তার আসবে।

এরপর, তারা প্রসূতি হাসনাহেনা ওটি রুমে নিয়ে যায়। ওটি রুমে নিয়ে যাওয়ার দেড় ঘন্টা পরে ভিতরে থাকা প্রসূতি হাসনাহেনার চিৎকার শুনেতে পায় তার স্বজনরা। রোগীর স্বজনরা দেখেন নবাজাতক টি নাড়াচাড়া করছে না। তারা নিশ্চিত হন নবজাতক শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

স্বজনদের অভিযোগ, ডায়াগনস্টিকের আয়াদের দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। তারা ব্যর্থ হওয়ায় রাত ১০:১১ মিঃ ডাক্তার কে ফোন করে আনেন। ডাক্তার আসার পূর্বেই নবজাতক শিশুটির মৃত্যু হয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: