সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রেল স্টেশনে স্ক্যানার বসানোর সুপারিশ  » «   পাবনায় আব্দুর রব বগা মিয়ার ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিক উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  » «   মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টে বৈঠক নয় চা খাওয়া হয়েছে  » «   ব্যাগের ভেতরে তরুণীর লাশ  » «   শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট বিল পাস  » «   বাড়ানো হয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা  » «   খালেদার শুনানি, যা বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল  » «   স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে সন্তানসহ অবস্থান  » «   বিচারিক আদালতে খালেদার নথি  » «   শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ঘরে করুন, রাস্তায় কেন : কাদের  » «   বাহুবল থেকে নিখোঁজ ৩ মাদ্রাসা ছাত্র ফেনীতে উদ্ধার  » «   খালেদার সঙ্গে দেখা করতে গেছেন ৪ স্বজন  » «   মাদকের বিরুদ্ধে তথ্য অভিযান শুরু ১ মার্চ  » «   যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ১  » «   সোমবার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শ্রীদেবীর শেষকৃত্য  » «  

ডাক্তারের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ



এম শরীফ আহমেদ, ভোলা থেকে: ভোলা সদরে মোহনা ডায়াগনস্টিকে থাকা আয়া ও ডাক্তারের অবহেলায় শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার (০২ সেপ্টেম্বর) রাতে ডায়াগনস্টিকে ভর্তি থাকা অবস্থায় হাসনাহেনা নামে প্রসূতির গর্ভের সন্তানের মৃত্যু হয়।

প্রসূতির পরিবারের অভিযোগে, চরপাতা কাজির হাট দৌলতখান গ্রামের হাসনাহেনা প্রসব ব্যথা নিয়ে গত রবিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ১২:৩০ মিনিটে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালের কর্তব্যরত নার্স রোগীর অবস্থা খারাপ বলে উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন।

রুগীর সাথে থাকা স্বজনরা কর্তব্যরত ডাক্তার “সাইফুর রহমানকে” কে জানালে, তিনি আলট্রান্সোগ্রাফি করতে বলে ডায়াগনস্টিকে পাঠায় এবং বিকেলে ৪ টায় রোগীর রিপোর্ট ডায়াগনস্টিকে এসে দেখবেন বলে স্বজনদের আশ্বাস দেন।

রোগীর ভাই যানায়, বিকেলে ডাক্তার এসে রোগী দেখবেন বলেও না আসায় আমি ডায়াগনস্টিক থেকে নাম্বার নিয়ে ডাক্তারের কাছে রিপোর্ট নিয়ে যাই। সন্ধ্যার পরে ডাক্তার সাইফুর রহমান এসে রোগী ও রিপোর্ট না দেখেই চলে যায়। রোগীর স্বজনরা ডাক্তারের নাম্বার বন্ধ পেয়ে ডায়াগনস্টিকে থাকা নার্সদের কাছে রোগীর কথা জানতে চাইলে তারা বলেন, ডাক্তার তাদের সব বুঝিয়ে দিয়ে গেছেন। বাচ্চা নরমালে হবে এবং ওটি তে নিলেই ডাক্তার আসবে।

এরপর, তারা প্রসূতি হাসনাহেনা ওটি রুমে নিয়ে যায়। ওটি রুমে নিয়ে যাওয়ার দেড় ঘন্টা পরে ভিতরে থাকা প্রসূতি হাসনাহেনার চিৎকার শুনেতে পায় তার স্বজনরা। রোগীর স্বজনরা দেখেন নবাজাতক টি নাড়াচাড়া করছে না। তারা নিশ্চিত হন নবজাতক শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

স্বজনদের অভিযোগ, ডায়াগনস্টিকের আয়াদের দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। তারা ব্যর্থ হওয়ায় রাত ১০:১১ মিঃ ডাক্তার কে ফোন করে আনেন। ডাক্তার আসার পূর্বেই নবজাতক শিশুটির মৃত্যু হয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: