বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্রাথমিক শিক্ষকদের সমাপনী ও বার্ষিক পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা  » «   পুলিশের ‘জামাই’ বলে কথা!  » «   জাস্টিন ট্রুডোকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভিনন্দন  » «   ফের বাড়ছে পেঁয়াজের দাম!  » «   সুনামগঞ্জে চিকিৎসকের ওপর হামলায় চেয়ারম্যান গ্রেফতার  » «   পদ হারিয়ে যা বললেন ওমর ফারুক চৌধুরী  » «   ২৯ রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফিরেছে, জানেই না বাংলাদেশ  » «   একনেকে ৫ প্রকল্পের অনুমোদন, ব্যয় হবে ৪৬৩৬ কোটি  » «   ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সিলেটের এসপির সর্তকতা  » «   বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু  » «   হবিগঞ্জে স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী আটক  » «   পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেবে তুরস্ক  » «   এমপিও নিয়ে দুপুরে গণমাধ্যমের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর মতবিনিময়  » «   মৌলভীবাজারে চাঁদাবাজির চেষ্টায় ‘ভূয়া ডিবি পুলিশ’ আটক  » «   নতুন মেরুকরণের পথে জাতীয় পার্টি  » «  

ট্রাম্পের বাণিজ্যযুদ্ধে লাভবান বাংলাদেশ



নিউজ ডেস্ক:: চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু করায় লাভবান হচ্ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত। এখন মার্কিন কোম্পানিগুলো চীনের অর্ডার বাতিল করে বাংলাদেশ থেকে পোশাক নিচ্ছে। এ সুযোগে বাংলাদেশের অনেক প্রতিষ্ঠানই প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রফতানি করছে।

এতে বাংলাদেশের রফতানি আয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ভবিষ্যতে এ আয় আরও বাড়বে বলে মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে বলেছে ব্ল–মবার্গ। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটি তাদের বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে বলেছে, বাংলাদেশে ৩০ বছর ধরে পোশাক উৎপাদন করছে নিউএজ গ্রুপ।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে কখনই তারা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কাজের অর্ডার পায়নি। চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যযুদ্ধের পর এই প্রথম তারা দেশটির কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজ পেয়েছে। নিউএজ গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট আসিফ ইব্রাহীম বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইউরোপে পোশাক রফতানি করে আসছেন। প্রথমবারেই তারা বছরে আড়াই কোটি ডলারের পোশাক রফতানি করতে পারবেন বলে আশা করছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যমানের চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ১০ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ করা হয়। এর ফলে চীনে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্ডার প্রায় অর্ধেক কমে গেছে। অর্ডারগুলো বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ায় দেয়া হয়েছে। আসিফ ইব্রাহীম বলছেন, চীনে বাতিল হওয়া অর্ডারগুলোর প্রায় ৩০ শতাংশ বাংলাদেশে এসেছে। শুধু তাই নয়, চীনা অনেক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে বিনিয়োগও করতে যাচ্ছে।

ব্লুমবার্গ বলছে, ২০২৪ সাল নাগাদ পোশাক রফতানি বাবদ ৭২০ কোটি ডলার আয় করতে পারে বাংলাদেশ।এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বলছে, এর অর্থ হচ্ছে চীনের প্রায় ৪১০ কোটি ডলারের অর্ডার বাংলাদেশে ঢুকবে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে আরও ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ঘটবে। বাংলাদেশের সরকার ও ব্যবসায়ীরা ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেছে সংবাদমাধ্যমটি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: