শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
২২ আগস্ট থেকে গ্রুপ চ্যাট বন্ধ করে দিচ্ছে ফেসবুক  » «   রাজনীতিতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী কন্যা পুতুল?  » «   সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজী নিহত, আহত ১৭  » «   ফের পাক-ভারত সীমান্তে গোলাগুলি  » «   গভীর রাতে স্ত্রীকে মেডিকেলে নেয়ার ভয়াবহ বর্ণনা দিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  » «   মিরপুরে বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুড়েছে ৬০০ ঘর, ধ্বংসস্তুপে চলছে অনুসন্ধান  » «   বেফাঁস মন্তব্যে ফাঁসলেন জাকির নায়েক, হারাচ্ছেন নাগরিকত্ব  » «   কাশ্মীরে খুলছে স্কুল-কলেজ, তুলে নেওয়া হচ্ছে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা  » «   কাশ্মীর সঙ্কট নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের রুদ্ধদ্বার বৈঠক সম্পন্ন, নাখোশ ভারত  » «   শিক্ষামন্ত্রীর স্বামীকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   চীনে টাইফুন লেকিমার আঘাত: নিহত ২৮, ঘরছাড়া ১০ লাখ  » «   কেমন হবে এবার কাশ্মিরীদের ঈদ?  » «   কেন ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি, কারণ বললেন সেতুমন্ত্রী  » «   কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি সোনিয়া গান্ধী  » «   সড়ক-রেল-নৌ: সব যাত্রা পথেই ভোগান্তি  » «  

টানাটানির পরিবারে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ১২৮ কোটি টাকা!



নিউজ ডেস্ক:: টানাটানির সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরোয় দশা। অথচ তাদের এক মাসের বিদ্যুতের বিল এসেছে ১২৮ কোটি টাকার, যা প্রায় একটা গোটা শহরের বিলের সমান। তা দেখে মাথায় হাত ভারতের উত্তরপ্রদেশের একটি পরিবারের।

রাজধানী দিল্লি থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে, উত্তরপ্রদেশের হাপুর জেলার চামরি গ্রামে ঘটনাটিঘটেছে। সপরিবারে সেখানে বাস শামিম নামের এক ব্যক্তির। অনেক কষ্টে বাড়িতে বিদ্যুৎসংযোগ পেয়েছিলেন। তাতেই এই পরিণতি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শামিম জানিয়েছেন, তাদের বাড়িতে ২কিলোওয়াটের বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। আলো-পাখা মিলিয়ে প্রতি মাসে ৭শত টাকার মতো বিল আসে। কিন্তু সম্প্রতি বিল হাতে পেয়ে চোখ কপালে ওঠে তার। তাতে ১২৮ কোটি ৪৫ লক্ষ ৯৫ হাজার ৪৪৪ টাকা মেটাতে বলা হয়।

শামিমের দাবি, প্রথমে কিছুই বুঝে উঠতে পারেননি তিনি। সম্বিৎ ফিরলে ছুটে যান বিদ্যুৎ দফতরে। হিসাবে কোথাও ভুল হয়েছে বলে জানান। কিন্তু তার কথা কানে তোলেননি কেউ। ওই টাকা মেটানোর সামর্থ্য ছিল না তার। তাই টাকা জমা দেওয়ার নির্ধারিত দিন পেরিয়ে গেলে বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া হয়।

সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে শামিম জানান, ‘কেউ আমাদের কথা শুনছে না। এত টাকা কী করে দেই বলুন তো? শুধু আলো-পাখা ব্যবহার করি আমরা। তাতে এত বিল হয় কী করে? মনে হচ্ছে, গোটা হাপুরের বিলই পাঠিয়ে দিয়েছে। অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলাম। কিন্তু বিল না মেটালে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে বিদ্যুত্ দফতর।’

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিদ্যুৎ দফতরে যোগাযোগ করা হলে, তাদের ইঞ্জিনিয়ার রাম শরণ বলেন, ‘সম্ভবত প্রযুক্তিগত ভুল হয়েছে। এটা এমন কিছু বড় ব্যাপার নয়। আকছার হয়েই থাকে। বিলটি হাতে পেলে, সবকিছু খতিয়ে দেখব আমরা। ভুল হয়ে থাকলে, তা সংশোধন করে নতুন বিল দেওয়া হবে ওই পরিবারকে।’

এর আগে, চলতি বছর জানুয়ারি মাসে একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন কনৌজেরবাসিন্দা আবদুল বসিত। বাড়িতে ২ কিলোওয়াটের বিদ্যুৎ সংযোগ থাকা সত্ত্বেও তাকে ২৩ কোটির বিল ধরানো হয়। আট লাখ ৬৪ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল পেয়ে গত বছর মে মাসে আত্মহত্যা করেছিলেন মহারাষ্ট্রের অওরঙ্গাবাদের এক সবজি বিক্রেতা। সেই ঘটনায় গাফিতলিত অভিযোগে বিদ্যুৎ দফতরের অ্যাকাউন্ট অ্যাসিস্ট্যান্টকে সাসপেন্ড করা হয়।

সূত্র: আনন্দবাজার

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: