রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না থাকায় ভালো নেই সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের মানুষ  » «   সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা ‘অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু’: বিএসএফ মহাপরিচালক  » «   সর্বোচ্চ চেষ্টা’ করেও ওসি মোয়াজ্জেমকে ধরতে পারছে না পুলিশ  » «   পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড কুয়েতে  » «   রোহিঙ্গা সংকট সমাধান না হলে অস্থিতিশীল হবে এশিয়া: রাষ্ট্রপতি  » «   অবশেষে ইমরান-মোদির সৌজন্য সাক্ষাৎ  » «   এমপিও পাবেন মাদরাসার সাড়ে ২১ হাজার শিক্ষক  » «   বাজেট সমালোচকদের যে গল্প শোনালেন প্রধানমন্ত্রী  » «   সুনামগঞ্জে পরিবহন সেক্টরে নৈরাজ্য ঠেকাতে প্রতিবাদ  » «   পশ্চিমবঙ্গে থাকতে হলে বাংলায় কথা বলতে হবে: মমতা  » «   ইকোসকে বিপুল ভোটে জয় পেল বাংলাদেশ  » «   মোবাইলে ১০০ টাকার কথা বললে ২৭ টাকা কেটে নেবে সরকার  » «   সাক্ষ্য দিতে চাওয়ায় প্রাণটাই কেড়ে নিল আসামিরা  » «   পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ নয়; গুজরাট বানানো ভাল : দিলীপ ঘোষ  » «   বাজেটের প্রভাব: দাম বাড়বে যেসব জিনিসের  » «  

জেলে প্রথম রাত যেমন কাটল সালমানের!



বিনোদন ডেস্ক::হরিণ মেরে জেল খাটছেন বলিউডের টাইগার খ্যাত সুপারস্টার সালমান খান। কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় বৃহস্পতিবার (৫ এপ্রিল) ৫ বছরের কারাদণ্ড হয় সালমন খানের। সাজা ঘোষণা হওয়ার পরই যোধপুর সেন্ট্রাল জেলের ২ নম্বরে ঘরে পাঠানো হয় সালমনকে। কয়েদি নম্বর ১০৬! বৃহস্পতিবার রাত জেলের ২ নম্বর ঘরেই কাটে বলিউড ‘ভাইজান’-এর।

জেলের মধ্যে সালমানকে কোনও ভিআইপি ব্যবস্থা দেওয়া হবে না বলে আগেই জানিয়েছিলেন যোধপুরের ডিআইজি (কারা) বিক্রম সিং। যেমন কথা তেমনি কাজ। অর্থাত, গ্যালাক্সির বিলাসবহুল বিছানা ছেড়ে জেলের মধ্যে কাঠের খাটের উপর ঘুমনোর ব্যবস্থা হয় সালমানের। কিন্তু, বৃহস্পতিবার জেলের মেঝেতেই শুয়েই রাত কাটান অভিনেতা। সেই সঙ্গে জেলে প্রথম রাত কাটানোর জন্য সালমানকে ৪টি কম্বল দেওয়া হয়। কিন্তু, কোনও কিছু তিনি ব্যবহার করেননি। পাশাপাশি রাতে জেলের কোনও খাবারই তিনি মুখে তোলেননি।

শুক্রবার (৬ এপ্রিল) সালমনের জামিনের আবেদন মামলার শুনানি হবে। যোধপুর সেশন কোর্টে সকাল ১০.৩০ নাগাদ নিয়ে যাওয়া হবে ভাইজানকে। সালমানের জন্য ইতিমধ্যেই যোধপুর সেন্ট্রাল জেল নিরপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে ফেলা হয়েছে। যোধপুর সেন্ট্রাল জেলের ২ নম্বর ব্যারাকে আপাতত সালমানের সঙ্গী ধর্ষণে অভিযুক্ত স্বঘোষিত ধর্মগুরু আসরাম বাপু।

১৯৯৮ সালে জোধপুরে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিংয়ের ফাঁকে ১ অক্টোবর মাঝরাতে সইফ, তব্বু, সোনালি ও নীলমের সঙ্গে একটি মারুতি জিপসিতে বেরিয়েছিলেন সালমান। অভিযোগ, সেই সময়েই জোধপুরের কাছে বিশ্নোই সম্প্রদায়ের কঙ্কনি গ্রামে নিজের রাইফেল থেকে গুলি করে দু’টি কৃষ্ণসার হরিণ মারেন তিনি। কৃষ্ণসার বিপন্ন প্রাণী। কিন্তু, সালমানের হাত থেকে গুলি চলেছিল, এই অভিযোগেই শেষ পর্যন্ত যোধপুর সেন্ট্রাল জেল সালমানকে হাজতবাসের নির্দেশ দেয়। সেই সঙ্গে বাকিদের বেকসুর বলে ঘোষণা করা হয় আদালতের তরফে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: