বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
১৪৪ ধারা ভঙ্গের অপরাধে ৩ জনকে জরিমানা, দায়িত্বে অবহেলায় ৪ জনকে অব্যাহতি  » «   মুক্তিযোদ্ধা হতে একাত্তরে ন্যূনতম বয়স নিয়ে রুল  » «   এবার নেচে গেয়ে দর্শক মাতাবেন শামীম ওসমান  » «   বাংলাদেশ সচেতন ছাত্র ফোরামের উদ্যেগে দুঃস্থ ও এতিমদের নিয়ে তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মদিন পালন  » «   বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস ভাংচুর মামলার আসামী যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থী  » «   ভর্তি জালিয়াতি চক্রের দুইজন আটক  » «   পাবনায় আইডিবি’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিক উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত  » «   তারেক রহমানের ৫৩তম জন্মদিন পালন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল ফ্রান্স শাখা  » «   আরব সভ্যতা টিকবে না : আদোনিস  » «   জন্মদিনে তারেকের সুস্থতা কামনা করে খালেদার টুইট  » «   তনুর পরিবারকে ঢাকায় ডেকেছে সিআইডি  » «   যৌন হয়রানির শিকার উত্তর কোরিয়ার নারী সৈন্যরা  » «   মোদির বিরুদ্ধে আঙুল তুললে কেটে ফেলা হবে, হুমকি বিজেপি নেতার  » «   কমলগঞ্জে সংখ্যালঘুর বাড়িতে হামলা: পিইসি পরীক্ষার্থী সহ আহত ৩  » «   নাতির সঙ্গে পিএসপি পরীক্ষা দিচ্ছেন নানি  » «  

জেলের মধ্যেও মেয়েকে ‘সঙ্গিনী’ হিসেবে চাইলেন রাম রহিম



নিউজ ডেস্ক::বাবার ম’য়ের ‘টান’ প্রবল৷ ম’ মানে মেয়ে৷ মেয়েকে(দের) ছাড়া এক মুহুর্ত থাকতে পারেন না ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত ডেরা প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিং৷ সিরসা ছেড়ে বাবার ঠিকানা এখন রোহতকের শ্রীঘর৷ কিন্তু এত কিছুর পরেও তার মেয়ের ‘টান’ যে কমছে না৷ তাই শ্রীঘরে সঙ্গিনী হিসাবে নিজের পালিতকন্যাকে চেয়ে জেল কর্তৃপক্ষের কাছে আবদার করে বসেছেন রাম রহিম৷

২০০৯ সালে বাবার আশ্রমে বউ প্রিয়াঙ্কা তানেজাকে নিয়ে গিয়েছিলেন বিশ্বাস গুপ্ত৷ প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে আলাপের পর তাকে নিজের পালিত কন্যা করার সিদ্ধান্ত নেন রাম রহিম৷ তাকে দত্তক নেন৷ নতুন নামকরণও হয় প্রিয়াঙ্কার৷ পালিতকন্যা হওয়ার পর তার নাম হয় হানিপ্রীত৷ বাবা-মেয়ের সম্পর্ক ভালোই চলছিল৷ তাল কাটল ২০১১ সালে৷ তখনই ফাঁস হল বাবা-মেয়ের আড়ালে আসলে দুজনের মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল৷ এমনকী তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক ছিল৷ সমাজে যাতে এই কীর্তি যাতে প্রকাশ্যে না আসে সেই জন্য বাবা-মেয়ের ‘নাটক’ করত তারা৷ চাঞ্চল্যকর এই অভিযোগটি করেছিলেন হানিপ্রীতের স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত৷ ২০১১ সালে স্ত্রীর থেকে আলাদা হতে চেয়ে আদালতে পিটিশনও দায়ের করেন তিনি৷ এখন অবশ্য তারা আলাদা হয়ে গিয়েছেন৷

হানিপ্রীত বাবার পালিতকন্যাই হোক অথবা তার প্রেয়সী, তাকে ছাড়া যে রাম রহিম এতটুকুও থাকতে পারেন না তা শুক্রবারই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল৷ দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর হানিপ্রীতকে তার সঙ্গে হেলিকপ্টারে করে জেলে যেতে দেখা গিয়েছিল৷ এরপর রোহতক জেলের ভিআইপি কামরায় হানিপ্রীতের সঙ্গে দুই ঘন্টা কাটাতে দেওয়া হয় বাবাকে৷ চোখের মণি মেয়েকে কিছুতেই যেতে দিতে চাইছিলেন না রাম রহিম৷ হানিপ্রীতের সঙ্গে রাত কাটাতে চেয়ে জেল কর্তৃপক্ষের কাছে আবদার করে বসেছিলেন বাবা রাম রহিম৷ বাবার এমন আবদার শুনে চোখ কপালে উঠে গিয়েছিল জেলের আধিকারকদের৷ পরে জেল কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন খারিজ করে দেয়৷

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: