রবিবার, ১৫ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রাশিয়া বিশ্বকাপরেকর্ড গড়া হলো না ক্রোয়েশিয়ার, চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স  » «   ভাতিজিকে ঘরে ডেকে নিয়ে চাচার কাণ্ড!  » «   যৌনরোগের ভয়ঙ্কর উপসর্গগুলি এক নজরে দেখে নিন  » «   রাশিয়া বিশ্বকাপবিশ্বজয়ের লক্ষ্যে মুখোমুখি ফ্রান্স-ক্রোয়েশিয়া  » «   মাদার তেরেসা ভণ্ড, শয়তান, জালিয়াতঃ তসলিমা  » «   যে কারণে অল্প বয়সে বিয়ে করেছেন শাহরুখ  » «   গ্রামে গ্রামে নগর সুবিধা দেয়া হবে -পাবনায় প্রধানমন্ত্রী  » «   হরিদাসের উপর হামলাকারীদেরকে ক্ষমা করা হবে না —-মোমিন মেহেদী  » «   বিয়ের পর বেশ হাসি খুশি মিঠুন পুত্র  » «   জাতীয় পরিচয়পত্র হারানোদের জন্য সুখবর  » «   ‘আমি ডিজির লোক, আমাকে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই’  » «   কুবিতে ‘বরিশাল ডিভিশনাল স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন’র নবীনবরণ  » «   মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স কেন সাড়ে ১২ : হাইকোর্টের প্রশ্ন  » «   ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন পুরো টার্মিনাল : শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন  » «   স্কুল ছাত্রীর স্পর্শকাতর জায়গায় বৃদ্ধের হাত, অতঃপর  » «  

জেলের মধ্যেও মেয়েকে ‘সঙ্গিনী’ হিসেবে চাইলেন রাম রহিম



নিউজ ডেস্ক::বাবার ম’য়ের ‘টান’ প্রবল৷ ম’ মানে মেয়ে৷ মেয়েকে(দের) ছাড়া এক মুহুর্ত থাকতে পারেন না ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত ডেরা প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিং৷ সিরসা ছেড়ে বাবার ঠিকানা এখন রোহতকের শ্রীঘর৷ কিন্তু এত কিছুর পরেও তার মেয়ের ‘টান’ যে কমছে না৷ তাই শ্রীঘরে সঙ্গিনী হিসাবে নিজের পালিতকন্যাকে চেয়ে জেল কর্তৃপক্ষের কাছে আবদার করে বসেছেন রাম রহিম৷

২০০৯ সালে বাবার আশ্রমে বউ প্রিয়াঙ্কা তানেজাকে নিয়ে গিয়েছিলেন বিশ্বাস গুপ্ত৷ প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে আলাপের পর তাকে নিজের পালিত কন্যা করার সিদ্ধান্ত নেন রাম রহিম৷ তাকে দত্তক নেন৷ নতুন নামকরণও হয় প্রিয়াঙ্কার৷ পালিতকন্যা হওয়ার পর তার নাম হয় হানিপ্রীত৷ বাবা-মেয়ের সম্পর্ক ভালোই চলছিল৷ তাল কাটল ২০১১ সালে৷ তখনই ফাঁস হল বাবা-মেয়ের আড়ালে আসলে দুজনের মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল৷ এমনকী তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক ছিল৷ সমাজে যাতে এই কীর্তি যাতে প্রকাশ্যে না আসে সেই জন্য বাবা-মেয়ের ‘নাটক’ করত তারা৷ চাঞ্চল্যকর এই অভিযোগটি করেছিলেন হানিপ্রীতের স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত৷ ২০১১ সালে স্ত্রীর থেকে আলাদা হতে চেয়ে আদালতে পিটিশনও দায়ের করেন তিনি৷ এখন অবশ্য তারা আলাদা হয়ে গিয়েছেন৷

হানিপ্রীত বাবার পালিতকন্যাই হোক অথবা তার প্রেয়সী, তাকে ছাড়া যে রাম রহিম এতটুকুও থাকতে পারেন না তা শুক্রবারই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল৷ দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর হানিপ্রীতকে তার সঙ্গে হেলিকপ্টারে করে জেলে যেতে দেখা গিয়েছিল৷ এরপর রোহতক জেলের ভিআইপি কামরায় হানিপ্রীতের সঙ্গে দুই ঘন্টা কাটাতে দেওয়া হয় বাবাকে৷ চোখের মণি মেয়েকে কিছুতেই যেতে দিতে চাইছিলেন না রাম রহিম৷ হানিপ্রীতের সঙ্গে রাত কাটাতে চেয়ে জেল কর্তৃপক্ষের কাছে আবদার করে বসেছিলেন বাবা রাম রহিম৷ বাবার এমন আবদার শুনে চোখ কপালে উঠে গিয়েছিল জেলের আধিকারকদের৷ পরে জেল কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন খারিজ করে দেয়৷

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: