বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ডিএনসিসি নির্বাচন বন্ধ: যা বলল ইসি  » «   আইভীর পেছনে পিস্তল হাতে থাকা সুমন যুবদলের : শামীম ওসমান  » «   বিজয় মেলায় জুয়া, ইউএনও’কে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ  » «   ‘সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে’  » «   শরীরের কোথায় তিল থাকলে আয় হবে প্রচুর!  » «   সিলেটে চলন্ত ট্রেন থেকে নামার চেষ্টা,পা পিছলে ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু  » «   নরসিংদীতে ১১ দফা দাবিতে ইউএমসি পাটকল শ্রমিকদের বিক্ষোভ  » «   ১৩০০ রোহিঙ্গা বিদ্রোহীর নাম বাংলাদেশকে দিয়েছে মিয়ানমার  » «   ‘স্যার আপনার প্রবলেম এখনই সল্‌ভ করে দিচ্ছি’  » «   মৌসুমি হামিদের গোপন মেসেজ ফাঁস করলেন ফারিয়া!  » «   প্রণব মুখার্জিকে জার্সি উপহার দিলেন সাকিব  » «   বৌদ্ধদের ওপর গুলি, বহু হতাহত!  » «   ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের ৫ নেতাকর্মী বহিষ্কার  » «   ১০ বছরে ২৯৫ কোটি ২২ লাখ ১৩ হাজার ৬৪ বই বিতরণ  » «   দুর্বল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারল হাথুরুসিংহের শ্রীলঙ্কা  » «  

জেলের মধ্যেও মেয়েকে ‘সঙ্গিনী’ হিসেবে চাইলেন রাম রহিম



নিউজ ডেস্ক::বাবার ম’য়ের ‘টান’ প্রবল৷ ম’ মানে মেয়ে৷ মেয়েকে(দের) ছাড়া এক মুহুর্ত থাকতে পারেন না ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত ডেরা প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিং৷ সিরসা ছেড়ে বাবার ঠিকানা এখন রোহতকের শ্রীঘর৷ কিন্তু এত কিছুর পরেও তার মেয়ের ‘টান’ যে কমছে না৷ তাই শ্রীঘরে সঙ্গিনী হিসাবে নিজের পালিতকন্যাকে চেয়ে জেল কর্তৃপক্ষের কাছে আবদার করে বসেছেন রাম রহিম৷

২০০৯ সালে বাবার আশ্রমে বউ প্রিয়াঙ্কা তানেজাকে নিয়ে গিয়েছিলেন বিশ্বাস গুপ্ত৷ প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে আলাপের পর তাকে নিজের পালিত কন্যা করার সিদ্ধান্ত নেন রাম রহিম৷ তাকে দত্তক নেন৷ নতুন নামকরণও হয় প্রিয়াঙ্কার৷ পালিতকন্যা হওয়ার পর তার নাম হয় হানিপ্রীত৷ বাবা-মেয়ের সম্পর্ক ভালোই চলছিল৷ তাল কাটল ২০১১ সালে৷ তখনই ফাঁস হল বাবা-মেয়ের আড়ালে আসলে দুজনের মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল৷ এমনকী তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক ছিল৷ সমাজে যাতে এই কীর্তি যাতে প্রকাশ্যে না আসে সেই জন্য বাবা-মেয়ের ‘নাটক’ করত তারা৷ চাঞ্চল্যকর এই অভিযোগটি করেছিলেন হানিপ্রীতের স্বামী বিশ্বাস গুপ্ত৷ ২০১১ সালে স্ত্রীর থেকে আলাদা হতে চেয়ে আদালতে পিটিশনও দায়ের করেন তিনি৷ এখন অবশ্য তারা আলাদা হয়ে গিয়েছেন৷

হানিপ্রীত বাবার পালিতকন্যাই হোক অথবা তার প্রেয়সী, তাকে ছাড়া যে রাম রহিম এতটুকুও থাকতে পারেন না তা শুক্রবারই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল৷ দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর হানিপ্রীতকে তার সঙ্গে হেলিকপ্টারে করে জেলে যেতে দেখা গিয়েছিল৷ এরপর রোহতক জেলের ভিআইপি কামরায় হানিপ্রীতের সঙ্গে দুই ঘন্টা কাটাতে দেওয়া হয় বাবাকে৷ চোখের মণি মেয়েকে কিছুতেই যেতে দিতে চাইছিলেন না রাম রহিম৷ হানিপ্রীতের সঙ্গে রাত কাটাতে চেয়ে জেল কর্তৃপক্ষের কাছে আবদার করে বসেছিলেন বাবা রাম রহিম৷ বাবার এমন আবদার শুনে চোখ কপালে উঠে গিয়েছিল জেলের আধিকারকদের৷ পরে জেল কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন খারিজ করে দেয়৷

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: