বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বাংলাদেশে আরো সৌদি বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী  » «   কানাডায় প্রকাশ্যে গাঁজা বিক্রি শুরু, ক্রেতাদের ভিড়  » «   ৩৮৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার হবে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর  » «   ৪০ ঘণ্টা পর মানারত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী দুই নারী জঙ্গির আত্মসমর্পণ  » «   পূজায় বিজিবিকে মিষ্টি পাঠিয়েছে বিএসএফ  » «   উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ‘ট্রেনে কাটা’ পড়ে মৃত্যু  » «   আত্মসমর্পণের আহ্বানে সাড়া দিচ্ছে না জঙ্গিরা  » «   শিশু জয়নাব ধর্ষণ-হত্যা : ইমরানের ফাঁসি কার্যকর  » «   ‘বেত ও বেলুন দিয়ে মারে,পরে নখে সুই ঢুকিয়ে মাথার চুল কেটে দেয়’  » «   বউকে বৃষ্টিতে ফেলে ছাতা মাথায় ট্রাম্প!  » «   ঋণের পরিবর্তে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব ব্যাংক ম্যানেজারের,অতঃপর..  » «   খাশোগি নিখোঁজ, বেনিফিট অব ডাউটের সুবিধা পাচ্ছে সৌদি  » «   নিরাপদ খাদ্যে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি: ক্যাব সভাপতি  » «   শাবিপ্রবি’র ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ  » «   আত্মসমর্পণ না করলে ‘নিলুফা ভিলায়’ অভিযান আজ  » «  

জেনে নিন৩০০০ বছর ধরে জীবিত রয়েছেন এই যোদ্ধা!



নিউজ ডেস্ক::বি আর চোপড়ার ‘মবাভারত’ টেলি সিরিয়ালে অশ্বত্থামার ভূমিকায় এক অভিনেতা। ছবি- ইউটিউব

ভারতের দুই মহাকাব্য নিয়ে রহস্য যেন শেষই হতে চায় না! কখনো রাম সেতু নিয়ে বিতর্ক, কখনো বা জতুগৃহ। বিতর্ক ঘিরে রয়েছে ভারতের চেনা-অচেনা নানা অংশ।

সম্প্রতি এমনই এক অদ্ভুত ও বিতর্কিত তথ্যের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, মধ্য প্রদেশের একটি গ্রামে এক চিকিৎসক নাকি দেখা পেয়েছেন মহাভারতের কৌরব বাহিনির সেনানায়ক অশ্বত্থামার।

আচার্য দ্রোণাচার্য ও তার স্ত্রী কৃপীর একমাত্র সন্তান অশ্বত্থামা, যিনি সাত ‘চিরঞ্জীবী’র একজনও বটে। চিরঞ্জীবী, অর্থাৎ মহাকাব্যের এমন সাত জন পুরুষ যারা নাকি এখনো বেঁচে রয়েছেন। কলি যুগের সঙ্গেই শেষ হবে তাদের জীবন।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্য প্রদেশের ওই ব্যক্তির কপালে একটি ক্ষত ছিল, যেখান থেকে ক্রমাগত রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। নানা ভাবে সেই রক্তপ্রবাহ বন্ধ করার চেষ্টা করেও সফল হতে পারেননি চিকিৎসক। তখন নাকি হাসতে হাসতেই তাকে অশ্বত্থামার সঙ্গে তুলনা করেন ওই চিকিৎসক।

প্রসঙ্গত, মহাকাব্যের অশ্বত্থামা জন্মেছিলেন মহাদেবের কৃপায়। জন্মলগ্ন থেকেই তার কপালে একটি মণি ছিল, যার জন্য এই মহারথীর খিদে, তৃষ্ণা বা কোনো ক্লান্তি আসত না।

কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের সময় পিতা দ্রোণাচার্যের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে অর্জুনকে হত্যা করতে উদ্যত হন অশ্বত্থামা। দুই যোদ্ধাই শক্তিশালী ব্রহ্মশীর্ষ অস্ত্র নিক্ষেপ করেন পরস্পরের উদ্দেশ্যে। বিশ্বকে বিনাশের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য তখন স্বয়ং ব্যসদেব এসে আদেশ দেন নিজ নিজ অস্ত্র প্রত্যাহার করতে। অর্জুন তা করতে পারলেও, অশ্বত্থামা তা পারেননি। উল্টে, তিনি সেই অস্ত্রের দিক পরিবর্তন করে পাঠিয়ে দেন অর্জুনের পুত্রবধূ উত্তরার দিশায়। তখন তার গর্ভে পা-বদের উত্তরসূরী পরীক্ষিত।
অর্জুন-অশ্বত্থামা দ্বৈরথ। ছবি : উইকিপিডিয়া

শ্রীকৃষ্ণের কৃপায় পরীক্ষিত রক্ষা পেযেছিলেন ঠিকই, কিন্তু অভিশাপ কুড়োন অশ্বত্থমা। কপালের মণি খুলে ফেলতে বাধ্য হন যোদ্ধা। এবং কৃষ্ণ তাকে অভিশাপ দেন যে, আগামী ৩০০০ বছর দীর্ণ-জরাগ্রস্থ অবস্থায় বেঁচে থাকবেন তিনি। তার কপালের ক্ষত থেকে অনুবরত রক্তপাত হবে বলেও বলেন শ্রীকৃষ্ণ।

মহাভারতের কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের সময় নিয়ে মতভেদ রয়েছে প্রভূত। আনুমানিক ক্রিস্টপূর্ব ৩০০০ সাল, বা তার কিছু পরে হয় এই যুদ্ধ। শ্রীকৃষ্ণের অভিশাপের কথা হিসেব করলে অশ্বত্থামা হয়তো এখনো বেঁচে রয়েছেন।

মধ্যপ্রদেশের ওই চিকিৎসকের কথাও একেবারে ফেলে দেওয়া যায় না।

ভারতের অন্যতম এক আধাত্মিক গুরু ‘পাইলট বাবা’ও বিশ্বাস করেন যে মহাভারতের অশ্বত্থামা এখনো জীবিত। হিমালয়ের পাদদেশে তিনি নিজে তার দেখা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন এই সাধক।

স্থানীয়দের মতে, বছরে নাকি একবার সেই ব্যক্তিকে দেখা যায়। প্রচুর পরিমাণে খাবার খেয়ে এবং জল পান করে আবারও তিনি মিলিয়ে যান পাহাড়ের কোলে।

হিমালয়ের এই রহস্যজনক ব্যক্তি লম্বায় ১২ ফুট বা তারও বেশি হবে, যা এ যুগে বিরল। কিন্তু, দ্বাপর যুগের পুরুষদের গড় দৈর্ঘ্য হতো ১২ থেকে ১৪ ফুট।

এমন বেশ কিছু তথ্য ইঙ্গিত করছে যে, শ্রীকৃষ্ণের অভিশাপ সত্য হলেও হতে পারে! সূত্র: এবেলা।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: