শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল সংসদে ফেরত পাঠানোর আহ্বান  » «   কোনো বইকে নিষিদ্ধ করা ঠিক নয় : অর্থমন্ত্রী  » «   সিলেটে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে লাল কার্ড প্রদর্শন ও মানববন্ধন  » «   ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক হবে প্রধানমন্ত্রীর  » «   কাশ্মীর বিদ্রোহী নেতার নামে পাকিস্তানের ডাকটিকিটি প্রকাশ  » «   সংসদ নির্বাচনে হুমকি ‘সাইবার ক্রাইম’, গুজব ঠেকাতে সজাগ পুলিশ  » «   তাঞ্জানিয়ায় ফেরি ডুবি, নিহত বেড়ে ১৩৬  » «   আইনগত অনুমোদন পেলেই সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার: সিইসি  » «   সরকারি চাকরিজীবীদের কার জন্য কত টাকা গৃহঋণ  » «   গণেশের ছবি দিয়ে বিজ্ঞাপন: হিন্দুদের কাছে ট্রাম্পের দলের দুঃখ প্রকাশ  » «   প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলো কোটা বাতিলের সুপারিশ  » «   রেলের আধুনিকায়নে দুই হাজার কোটি টাকার প্রকল্প  » «   কেন মুনকে বিশেষ সেই ‘পবিত্র পর্বতে’ নিয়ে গেলেন কিম?  » «   সুখোই কিনলে ভারতকেও নিষেধাজ্ঞায় পড়তে হবে!  » «   প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কের পথে লন্ডন পৌঁছেছেন  » «  

জাপানি বন্দরের আদলে হবে মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর



নিউজ ডেস্ক:: আগামী ২০২৩ সালে কক্সবাজারের মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরটি চালুর আশাবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। জাপানের কাশিমা ও নিগাতা (পূর্ব) বন্দরের আদলে মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর নির্মিত হবে।

সোমবার (১৬ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দরের প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন ওয়ার্কশপ অন জাইকা প্রিপারেটরি সার্ভে অন মাতারবাড়ি পোর্ট ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক কর্মশালায় এতথ্য জানানো হয়।

বন্দরটি সমুদ্রের কিনারায় না করে চ্যানেল (জাহাজ চলাচলের পথ) তৈরির মাধ্যমে বন্দরকে সমুদ্রের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে চ্যানেলে যাতে পলি জমতে না পারে সেজন্য পানির প্রবাহ রোধ করা হবে।

কর্মশালায় জাইকা সার্ভে টিমের পাঁচ সদস্য পাঁচটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। কর্মশালায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান কমডোর জুলফিকার আজিজ।

বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের হাতে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি), লালদিয়া ও বে-টার্মিনালের প্রকল্প রয়েছে। এসবের নির্মাণকাজ শেষ হলে আমাদের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। তখন আমরা ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের (টিইইউস ) ৭০ লাখ কনটেইনার হ্যান্ডলিং করতে পারবো। এ মুহূর্তে আমাদের মাত্র ২০ লাখ কনটেইনারের সামান্য বেশি। কিছুদিন আগে আমরা ‘টু মিলিয়ন ক্লাব’-এ নাম লিখিয়েছি। পূর্বাভাস অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে আমাদের মাতারবাড়ি ও পায়রা নিয়ে অগ্রসর হতে হবে।

তিনি বলেন, মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে সড়ক ও রেলপথ সংযোগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ইতিমধ্যে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই, ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং ও অ্যাপ্রাইজাল মিশন সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, চলতি বছরের মে মাসের মধ্যে প্রকল্পের ঋণ নিয়ে আলোচনা এবং জুনের মধ্যে বিশদ নকশার ঋণচুক্তি হওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলম মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, প্রাথমিক অবস্থায় একটি মাল্টিপারপাস এবং একটি কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। টার্মিনালে ৩২০ থেকে ৩৫০ মিটার দীর্ঘ এবং ১৬ মিটার ড্রাফটের (জাহাজের পানির নিচের অংশ) ২০ ফুট দীর্ঘ ৮ হাজার কনটেইনারবাহী জাহাজ ভিড়তে পারবে। চট্টগ্রাম বন্দরে বর্তমানে ১৯০ মিটার দীর্ঘ এবং সাড়ে ৯ মিটার ড্রাফটের জাহাজ ভিড়তে পারে। এসব জাহাজে সর্বোচ্চ ২০ ফুট দীর্ঘ ২৫০০ থেকে ২৮০০ কনটেইনার পরিবহন করা যায়।
জোয়ার-ভাটা নির্ভর চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে বর্তমানে খোলা পণ্যবাহী মাদার ভ্যাসেল (বড় জাহাজ) ভিড়তে পারে না। ছোট ছোট জাহাজে (লাইটার) গভীর সমুদ্রে পণ্য খালাস করে আনতে হয় ঘাটে। অন্য দিকে ফিডার জাহাজে করে কনটেইনার আনা-নেওয়া করায় পরিবহন ব্যয়ও বেশি হচ্ছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: