বুধবার, ১৮ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
২৭ জুলাই খালেদার মুক্তি দাবিতে জাতিসংঘের সামনে বিক্ষোভ  » «   মৌসুমি বায়ু দুর্বল, বর্ষার বর্ষণ নেই  » «   সিলেটে দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্রের মৃত্যু  » «   হরিণাকুণ্ডুতে র‌্যাবের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত সদস্য নিহত  » «   পুলিশের সোর্স মামুন মাদক ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও  » «   ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরি, সালিসে জরিমানার টাকা ভাগাভাগি!  » «   আইনমন্ত্রীর বাসায় প্রধানমন্ত্রী  » «   ‘এদেরকে নিয়েই মান্না সাহেব দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিবেন’  » «   রাশিয়ায় বিশ্বকাপ দেখতে গিয়ে পুলিশের জালে বাংলাদেশী যুবক  » «   বিদেশ ও জেল থেকে আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ করছে শীর্ষ সন্ত্রাসীরা  » «   বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত মনোনীত রবার্ট মিলার  » «   বেবী নাজনীন অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি  » «   কোটা আন্দোলন: ছাত্রলীগের হুমকিতে ক্যাম্পাস ছাড়া চবি শিক্ষক  » «   ভেবেই ক্লাব বদল করেছেন রোনালদো  » «   ভারতে নিষিদ্ধ, অন্য দেশে পুরস্কৃত যেসব ছবি  » «  

জাতীয় প্রেসক্লাবে গয়েশ্বর‘নেত্রীর লাশ নিতে জেলগেটে অপেক্ষা করতে হবে



নিউজ ডেস্ক::বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, আন্দোলন করে সরকারের পতন ঘটাতে না পারলে শেখ হাসিনা আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়াকে জীবিত মুক্তি দেবেন না। জেলগেটে তার লাশ ফেরত নিতে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।

মঙ্গলবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও এম ইলিয়াস আলীর সন্ধান দাবিতে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় তিনি একথা বলেন।

দীর্ঘ বক্তব্যে সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন গয়েশ্বর। আর এই অবস্থা থেকে উত্তরণে আন্দোলনের জন্য জনগণকে প্রস্তুত থাকতে বলেছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের সময় মানুষ অত্যাচার, খুন, গুম আর জুলুম ছাড়া কিছুই পায়নি। এসব এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।’

‘বিএনপি আগামী নির্বাচনে যাবে কি যাবে না, সেই সিদ্ধান্ত খালেদা জিয়াই দেবেন’ বলেও জানিয়েছেন সদ্য কারামুক্ত দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তিনি বলেন, ‘আদালত খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে কিন্তু জনগণের আদালতে খালেদা জিয়া নির্দোষ। তাই তার মুক্তির আন্দোলনের জন্য জনগণ প্রস্তুত।’

‘আগামীতে কৌশল হবে একটাই। সেটা হল আন্দোলনে মাঠে নামা। আন্দোলন বাদ দিয়ে যদি আমরা হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যাই তাহলে জনগণ আমাদেরকে ‘বেইমান’ বলবে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমরা নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার চাই। হাসিনা মার্কা সরকারের অধীনে নির্বাচন নয়। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার দিলে বিএনপি চিন্তা করতে পারে নির্বাচনে যাবে কি যাবে না।’

বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, ‘বিভিন্ন দিক থেকে শোনা যাচ্ছে, ৯০ আসন বিএনপিকে দিতে চায়। আসনের মালিক হাসিনা নাকি? আমরা জনগণের প্রতিফলন চাই। একটি সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন চাই। ৫ জানুয়ারির মতো কোনো নির্বাচনের সুযোগ এখন নেই।’

‘যে ৯০ জনকে আসন দেয়ার কথা শোনা যাচ্ছে সে ৯০ জন আদৌ খালেদা জিয়ার, তারেক রহমান এবং বিএনপির না। আমরা রাজপথে যাবো। আন্দোলন করবো। আমরা গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করছি, আসনের জন নয়’ বলেও জানান তিনি।

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ঐক্যের বিকল্প নেই। তবে সেই ঐক্য যেন মান্নান ভূঁইয়ার মতো খালেদা জিয়াকে মাইনাস করার ঐক্য না হয়। সেই ঐক্য যদি খালেদা জিয়ার বিপক্ষে যায় তাহলে যাদের কোনো পদ-পদবি নাই তাদের হাতে মার খাওয়ার জন্য প্রস্তুত হও।’

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে গয়েশ্বর বলেন, ‘ইতিহাস বলে আন্দোলনে যারা শিরোপা পায় তারাই নির্বাচনে জয় লাভ করে। আন্দোলনে জয় হলে নির্বাচনে জয়ের প্রেক্ষাপট এমনিতেই তৈরি হয়ে যায়। সব আসন পেলেই ক্ষমতায় যাওয়া যায় না। তার জন্য আন্দোলন করতে হয়। এখন ভাবেন, সেই আন্দোলন নির্বাচনের পরে করবেন নাকি আগে করবেন?’

‘নিরামিষ খাওয়া ভালো তবে সব বয়সীদের জন্য ভালো নয়। আমাদের দাবি একটাই ‘হাসিনা মার্কা সরকার চাইনা’। মহিউদ্দিন খান আলমগীর ও মোফাজ্জল হোসেন মায়াসহ যারা সাজা প্রাপ্ত আছেন তারা যদি নির্বাচন করতে পারেন তাহলে খালেদা জিয়াও নির্বাচন করতে পারবেন’ যোগ করেন তিনি।

প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান এনাম আহমেদ চৌধুরী, যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সফু প্রমুখ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: