সোমবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সৌদি রাজপরিবারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করলেই গুম-হত্যা!  » «   শাস্তির বিধান রেখে সম্প্রচার আইনের খসড়া অনুমোদন  » «   সম্পাদক পরিষদের তথ্যে ঘাটতি আছে: তথ্যমন্ত্রী  » «   প্রশ্নফাঁস: ঢাবির ঘ ইউনিটের ফল প্রকাশ স্থগিত  » «   আমেরিকার সতর্কতার জবাবে পাল্টা ব্যবস্থার হুমকি সৌদির  » «   বন্দরবাজারে স্বেচ্ছাসবক দলের মিছিলে পুলিশের বাধা, আটক ১  » «   সন্ত্রাসীদের হুমকি নভেম্বরেই খুন করা হবে মোদিকে!  » «   শাহবাগ-সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা বন্ধে আইনি নোটিশ  » «   ফেক এনকাউন্টার: ভারতে সাত সেনা সদস্যের যাবজ্জীবন  » «   আবারো নির্বাচন কমিশনের সভা বর্জন করলেন কমিশনার মাহবুব  » «   বিতর্কিত ৯টি ধারা সংশোধনের দাবিতে সম্পাদক পরিষদের মানববন্ধন  » «   সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিতে আজ ইসির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক  » «   পৃথিবী বাঁচাতে হলে বন্ধ করতে হবে মাংস খাওয়া!  » «   শাহজালালে ৭ কেজি সোনাসহ মালয়েশিয়ার নাগরিক আটক  » «   ইরানের ‘সরকার পরিবর্তন’ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র: রুহানি  » «  

জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট



নিউজ ডেস্ক:: স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য মনোনয়নপত্রে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর রাখার আইন চ্যালেঞ্জ করা রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়েছে।মঙ্গলবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ।

এককভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে নিজ এলাকার মোট ভোটারের ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর মনোনয়নপত্রে দাখিলের বিধান রেখে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে গেজেট আকারে প্রকাশ করে কমিশন।এতে বলা হয়, স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে ভোটারের সমর্থন সংগ্রহ, ইত্যাদি

(১) স্বতন্ত্র প্রার্থী যে নির্বাচনী এলাকা হইতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিতে ইচ্ছুক, কেবল সেই এলাকার ভোটারদের সমর্থন ফরম (ক)-তে উক্ত প্রার্থীর প্রার্থিতার অনুকূলে সংগ্রহ করিতে হইবে।

(২) স্বতন্ত্র প্রার্থী বা তদকর্তৃক মনোনীত প্রতিনিধি কর্তৃক তফসিলের ফরম-ক-তে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের তথ্য লিপিবদ্ধপূর্বক ভোটারগণের স্বাক্ষর কিংবা টিপসহি সংগ্রহ করিতে হইবে।

এই বিধানকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের রিট আবেদনটি এখনেও নিষ্পত্তি হয়নি।স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর মনোনয়নপত্রে দাখিল করার বিধান কেন বাতিল করা হবে না,তা জানতে চেয়ে জারি করা রুলের জবাব দেয়া হয়নি এখনও।

২০১৪ সালের ৫ মে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি এবিএম আলতাফ হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করে।রুলে নির্বাচন কমিশনের এ বিধান কেন বাতিল করা হবে না— এ বিষয়ে সেই বছরের ৯ জুনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের জবাব দিতে বলা হয়।কিন্তু এখনও তারা জবাব দেননি এবং সেই রুলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তিও হয়নি হাইকোর্টে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: