মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

জাতীয় দলের কোচ হওয়ার যোগ্যতা আমার আছে : সুজন



স্পোর্টস ডেস্ক:: বিশ্বকাপ ব্যর্থতার দায় কাঁধে চাপিয়ে ইংলিশ কোচ স্টিভ রোডসকে ইতোমধ্যেই দেশের বিমান ধরিয়ে দিয়েছে বিসিবি। এখন চলছে নতুন কোচ খোঁজার প্রক্রিয়া। বিসিবির ওয়েবসাইটে এতদিন ঝুলছিল প্রধান কোচের ‘চাকরি বিজ্ঞপ্তি’।

তবে চাইলেই রাতারাতি কোচ পাওয়া সম্ভব নয়। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের যুগে হাই-প্রোফাইলধারী কোচরা সারা বছরই ব্যস্ত থাকেন আইপিএল, বিপিএল, বিগ ব্যাশে। সে কারণেই দীর্ঘ মেয়াদের জন্য জাতীয় দলের প্রধান কোচ পাওয়া একটু দুষ্করই বটে। এই যেমন অস্ট্রেলিয়ান টম মুডির কথাই ধরুন। আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ, বিপিএলে রংপুর রাইডার্সে হয়ে কোচের দায়িত্ব পালন করা এই কোচকে বারবার বিসিবি প্রস্তাব দিলেও তিনি রাজি হচ্ছেন না।

এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ দলের শ্রীলঙ্কা সফরে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন। ঘরোয়া ক্রিকেটে কোচিং করিয়ে বেশ হাত পাকানো সুজন মনে করেন, জাতীয় দলের প্রধান কোচ হওয়ার ভালো যোগ্যতাই আছে তার।

সাংবাদিকদের গতকাল খালেদ মাহমুদ সুজন জানান, ‘বিদেশ থেকে যারা কোচ হিসেবে আসেন, তারা যোগ্যতা দেখান যে তাদের লেভেল থ্রি-ফোর লাইসেন্স আছে। আমি ২০০৭ সালেই তা করেছি। কোচিং ক্যারিয়ারে ১৪-১৫ বছর কাটিয়ে দিলাম, বিপিএলে প্রথমে চিটাগং ভাইকিংস, পরে ঢাকা ডায়নামাইটসের কোচিং করিয়েছি। জাতীয় দলের কোচ হওয়ার যোগ্যতা আমার ভালোভাবেই আছে, এটা কোনো রকেট সায়েন্স নয়। ক্রিকেটের নিয়মগুলো তো সবার জন্যই সমান, স্কয়ার কাট সব খেলোয়াড়কেই একইভাবে মারতে হয়। ইন সুইংগার বা আউট সুইংগারও তাই।

বিদেশী কোচ না এনে তার মতো দেশী কাউকে দায়িত্ব দেয়ার অনেক ইতিবাচক দিক দেখেন সুজন, ‘একজন বিদেশী কোচ এসে ক্রিকেটারদের ঠিকঠাকভাবে বুঝে উঠতেই অনেক সময় নিয়ে ফেলেন। সেই সঙ্গে ভাষাগত সমস্যা তো থাকেই। তাই সেই কাজটা আমিও করতে পারি, আবারও বলছি, কোচিং কোনো রকেট সায়েন্স নয়।’

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: