মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
এমপি না হয়েও ল্যান্ড ক্রুজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পেলেন মুহিত  » «   খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বাড়ল এক বছর  » «   নবজাতককে মুখে নিয়ে কুকুরের টানাটনি, উদ্ধার করলেন এসআই  » «   নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধানে উদ্যোগী হতে হবে: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী  » «   জনগণের সংকট উত্তরণে নতুন নির্বাচনের বিকল্প নেই: ফখরুল  » «   পানি বণ্টনের নতুন ফর্মুলা খুঁজছে বাংলাদেশ-ভারত: জয়শঙ্কর  » «   শেখ হাসিনার ছাত্রলীগে জামায়াতি আঁচড়!  » «   অবশেষে ক্ষমা চাইলেন জাকির নায়েক  » «   অপরাধীদের শাস্তি দ্রুত নিশ্চিত না করায় ধর্ষণ বাড়ছে: হাইকোর্ট  » «   সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ‘স্পিড গান’  » «   কমলাপুর রেলওভার ব্রিজের ত্রুটির চিত্র তুলে ধরলেন ব্যারিস্টার সুমন  » «   জিন্দাবাজারে মিললো ২টি গোখরাসহ ৬ বিষধর সাপ  » «   কাশ্মীর ইস্যুতে আলোচনায় বসছেন ট্রাম্প- মোদী!  » «   মাত্র ১০০ মিটার দূরেই শত্রু  » «   অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে থাকবে সরকার: কাদের  » «  

জাতীয় দলের কোচ হওয়ার যোগ্যতা আমার আছে : সুজন



স্পোর্টস ডেস্ক:: বিশ্বকাপ ব্যর্থতার দায় কাঁধে চাপিয়ে ইংলিশ কোচ স্টিভ রোডসকে ইতোমধ্যেই দেশের বিমান ধরিয়ে দিয়েছে বিসিবি। এখন চলছে নতুন কোচ খোঁজার প্রক্রিয়া। বিসিবির ওয়েবসাইটে এতদিন ঝুলছিল প্রধান কোচের ‘চাকরি বিজ্ঞপ্তি’।

তবে চাইলেই রাতারাতি কোচ পাওয়া সম্ভব নয়। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের যুগে হাই-প্রোফাইলধারী কোচরা সারা বছরই ব্যস্ত থাকেন আইপিএল, বিপিএল, বিগ ব্যাশে। সে কারণেই দীর্ঘ মেয়াদের জন্য জাতীয় দলের প্রধান কোচ পাওয়া একটু দুষ্করই বটে। এই যেমন অস্ট্রেলিয়ান টম মুডির কথাই ধরুন। আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ, বিপিএলে রংপুর রাইডার্সে হয়ে কোচের দায়িত্ব পালন করা এই কোচকে বারবার বিসিবি প্রস্তাব দিলেও তিনি রাজি হচ্ছেন না।

এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ দলের শ্রীলঙ্কা সফরে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন। ঘরোয়া ক্রিকেটে কোচিং করিয়ে বেশ হাত পাকানো সুজন মনে করেন, জাতীয় দলের প্রধান কোচ হওয়ার ভালো যোগ্যতাই আছে তার।

সাংবাদিকদের গতকাল খালেদ মাহমুদ সুজন জানান, ‘বিদেশ থেকে যারা কোচ হিসেবে আসেন, তারা যোগ্যতা দেখান যে তাদের লেভেল থ্রি-ফোর লাইসেন্স আছে। আমি ২০০৭ সালেই তা করেছি। কোচিং ক্যারিয়ারে ১৪-১৫ বছর কাটিয়ে দিলাম, বিপিএলে প্রথমে চিটাগং ভাইকিংস, পরে ঢাকা ডায়নামাইটসের কোচিং করিয়েছি। জাতীয় দলের কোচ হওয়ার যোগ্যতা আমার ভালোভাবেই আছে, এটা কোনো রকেট সায়েন্স নয়। ক্রিকেটের নিয়মগুলো তো সবার জন্যই সমান, স্কয়ার কাট সব খেলোয়াড়কেই একইভাবে মারতে হয়। ইন সুইংগার বা আউট সুইংগারও তাই।

বিদেশী কোচ না এনে তার মতো দেশী কাউকে দায়িত্ব দেয়ার অনেক ইতিবাচক দিক দেখেন সুজন, ‘একজন বিদেশী কোচ এসে ক্রিকেটারদের ঠিকঠাকভাবে বুঝে উঠতেই অনেক সময় নিয়ে ফেলেন। সেই সঙ্গে ভাষাগত সমস্যা তো থাকেই। তাই সেই কাজটা আমিও করতে পারি, আবারও বলছি, কোচিং কোনো রকেট সায়েন্স নয়।’

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: