শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
২২ আগস্ট থেকে গ্রুপ চ্যাট বন্ধ করে দিচ্ছে ফেসবুক  » «   রাজনীতিতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী কন্যা পুতুল?  » «   সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি হাজী নিহত, আহত ১৭  » «   ফের পাক-ভারত সীমান্তে গোলাগুলি  » «   গভীর রাতে স্ত্রীকে মেডিকেলে নেয়ার ভয়াবহ বর্ণনা দিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  » «   মিরপুরে বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুড়েছে ৬০০ ঘর, ধ্বংসস্তুপে চলছে অনুসন্ধান  » «   বেফাঁস মন্তব্যে ফাঁসলেন জাকির নায়েক, হারাচ্ছেন নাগরিকত্ব  » «   কাশ্মীরে খুলছে স্কুল-কলেজ, তুলে নেওয়া হচ্ছে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা  » «   কাশ্মীর সঙ্কট নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের রুদ্ধদ্বার বৈঠক সম্পন্ন, নাখোশ ভারত  » «   শিক্ষামন্ত্রীর স্বামীকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   চীনে টাইফুন লেকিমার আঘাত: নিহত ২৮, ঘরছাড়া ১০ লাখ  » «   কেমন হবে এবার কাশ্মিরীদের ঈদ?  » «   কেন ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি, কারণ বললেন সেতুমন্ত্রী  » «   কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি সোনিয়া গান্ধী  » «   সড়ক-রেল-নৌ: সব যাত্রা পথেই ভোগান্তি  » «  

জম্মু-কাশ্মীর ভাগ হচ্ছে ৩১ অক্টোবর



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ভারতের লোকসভায় পাশ হওয়ার তিন দিনের মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীর বিচ্ছিন্নতা বিলে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। ৩১ অক্টোবর থেকে জম্মু-কাশ্মীর রাজ্য ভেঙে যাবে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। একদিকে থাকবে জম্মু ও কাশ্মীর, অন্যদিকে লাদাখ।

ওই দুই এলাকার উপরাজ্যপাল কে হবেন তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি শোনা যাচ্ছে ভারতের সাবেক আইপিএস কর্মকর্তা বিজয় কুমারের নাম। তামিলনাড়ুর ১৯৭৫ ব্যাচের ওই আমলা ২০১৮ সাল থেকে রাজ্যপাল সত্যপাল মালিকের পরামর্শদাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ভারতের তথাকথিত বিচ্ছন্নতাবাদী আন্দোলন দমনে তার বিশেষ সুনাম আছে। শোনা যায় চন্দন দস্যু বীরাপ্পনকে হত্যার পিছনেও বড় ভূমিকা রেখেছিলেন ছিলেন ওই আমলা। এছাড়া ১৯৯৮ থেকে ২০০১ পর্যন্ত বিএসএফ-এর আইজি হিসাবে কাশ্মীরে ছিলেন এই বিজয়। তখন কাশ্মীরি জনতার মন থেকে স্বাধীনতার স্পৃহা চিরতরে বিনাশ করতে এই ব্যক্তিকেই রাজ্যপালের উপদেষ্টা নিয়োগ করা হয়েছিল।

এছাড়া কেরলার ক্যাডারের আইপিএস দীনেশ্বর শর্মার নামও শোনা যাচ্ছে। এর আগে ২০১৭ সালে তিনি জম্মু-কাশ্মীরের মধ্যস্থতার দায়িত্ব পালন করেছিলেন। শান্তি ফেরাতে রাজনৈতিক দলগুলি ছাড়া হুরিয়তের সঙ্গেও আলোচনার পক্ষপাতী ছিলেন তিনি। তবে পিডিপি সরকার থেকে বিজেপি সমর্থন তুলে নিতেই তার দায়িত্ব কার্যত শেষ হয়ে যায়।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় এক সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, আগামী কয়েক মাস কাশ্মীরে যে অস্থিরতা বজায় থাকবে তা নিশিবচত। তাই এখনই সেখানে ভোট হচ্ছে না। ফলে উপরাজ্যপালের হাতেই থাকবে সেখানকার পুরো শাসন ক্ষমতা। সূত্রটি আরো জানাচ্ছে, এই দু’জনকে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে।

সূত্র: আনন্দবাজার

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: