মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

জম্মু-কাশ্মীর ভাগ হচ্ছে ৩১ অক্টোবর



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ভারতের লোকসভায় পাশ হওয়ার তিন দিনের মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীর বিচ্ছিন্নতা বিলে স্বাক্ষর করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। ৩১ অক্টোবর থেকে জম্মু-কাশ্মীর রাজ্য ভেঙে যাবে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। একদিকে থাকবে জম্মু ও কাশ্মীর, অন্যদিকে লাদাখ।

ওই দুই এলাকার উপরাজ্যপাল কে হবেন তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি শোনা যাচ্ছে ভারতের সাবেক আইপিএস কর্মকর্তা বিজয় কুমারের নাম। তামিলনাড়ুর ১৯৭৫ ব্যাচের ওই আমলা ২০১৮ সাল থেকে রাজ্যপাল সত্যপাল মালিকের পরামর্শদাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ভারতের তথাকথিত বিচ্ছন্নতাবাদী আন্দোলন দমনে তার বিশেষ সুনাম আছে। শোনা যায় চন্দন দস্যু বীরাপ্পনকে হত্যার পিছনেও বড় ভূমিকা রেখেছিলেন ছিলেন ওই আমলা। এছাড়া ১৯৯৮ থেকে ২০০১ পর্যন্ত বিএসএফ-এর আইজি হিসাবে কাশ্মীরে ছিলেন এই বিজয়। তখন কাশ্মীরি জনতার মন থেকে স্বাধীনতার স্পৃহা চিরতরে বিনাশ করতে এই ব্যক্তিকেই রাজ্যপালের উপদেষ্টা নিয়োগ করা হয়েছিল।

এছাড়া কেরলার ক্যাডারের আইপিএস দীনেশ্বর শর্মার নামও শোনা যাচ্ছে। এর আগে ২০১৭ সালে তিনি জম্মু-কাশ্মীরের মধ্যস্থতার দায়িত্ব পালন করেছিলেন। শান্তি ফেরাতে রাজনৈতিক দলগুলি ছাড়া হুরিয়তের সঙ্গেও আলোচনার পক্ষপাতী ছিলেন তিনি। তবে পিডিপি সরকার থেকে বিজেপি সমর্থন তুলে নিতেই তার দায়িত্ব কার্যত শেষ হয়ে যায়।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় এক সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, আগামী কয়েক মাস কাশ্মীরে যে অস্থিরতা বজায় থাকবে তা নিশিবচত। তাই এখনই সেখানে ভোট হচ্ছে না। ফলে উপরাজ্যপালের হাতেই থাকবে সেখানকার পুরো শাসন ক্ষমতা। সূত্রটি আরো জানাচ্ছে, এই দু’জনকে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের দায়িত্বও দেওয়া হতে পারে।

সূত্র: আনন্দবাজার

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: