সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হব –জয়নুল জাকেরীন  » «   ৫৫ বছরের শিক্ষিকার পিছু ধাওয়া করায় ৬২ বছরের বৃদ্ধের কারাদণ্ড!  » «   রোহিঙ্গা ইস্যু ‘জাতির জন্য বড় চ্যা‌লেঞ্জ’  » «   স্পর্শিয়া-রাফসানের সংসারে বিচ্ছেদ  » «   বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির গণশুনানি সোমবার  » «   জেহাদুলের মুখে মা বাবা ভাই হারানোর লোমহর্ষক বর্ণনা  » «   আবারও মের্কেলের জয়  » «   রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞের ১ মাস  » «   শ্রীমঙ্গলে রোহিঙ্গা শিশু উদ্ধার  » «   যুক্তরাষ্ট্র থেকে জরুরি ফাইলে স্বাক্ষর প্রধানমন্ত্রীর  » «   প্রধান শিক্ষকের বদলি ঠেকাতে কানাইঘাটে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন  » «   মেডিকেল ছাত্রীর সতীত্ব বিক্রির বিজ্ঞাপন!  » «   ঢামেক হাসপাতাল‘মর্গের ভিতরে যেতে পারি না’  » «   বোরকা পরেও নিজেকে লুকাতে পারলেন না এই অভিনেত্রী  » «   ‘যুক্তরাষ্ট্র শয়তানের হেডকোয়ার্টার’  » «  

জন্মদিনে ভালবাসা আর শুভেচ্ছায় সিক্ত জয়



নিউজ ডেস্ক::: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৪৪তম জন্মদিনটি কাটলো আনন্দ উচ্ছ্বাসে। অনেকের ভালোবাসা সিক্ত হলেন তিনি। পেলেন দিনভর ফুলেল শুভেচ্ছা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তারা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে গণভবনে যান। যান সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিশাল একটি কেক কেটে ছেলের জন্মদিন উদযাপনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন উপলক্ষে ‘সজীব ওয়াজেদ জয়: সমৃদ্ধ আগামীর প্রতিচ্ছবি’ নামে একটি বইও প্রকাশ করা হয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় প্রকাশিত বইটি গণভবনে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে সজীব ওয়াজেদ জয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

অগ্নিঝরা একাত্তরের ২৭ জুলাই রাত ৮টার দিকে প্রখ্যাত পরমাণু বিজ্ঞানী মরহুম এমএ ওয়াজেদ মিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘরে জন্ম নেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতক চক্রের হাতে বঙ্গবন্ধু সহপরিবারের নিহত হওয়ার সময় মা শেখ হাসিনা এবং খালা শেখ রেহানার সঙ্গে লন্ডনে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান জয়। পরবর্তীতে জয় তার মায়ের সঙ্গে ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন। জয়ের শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতে।

জয় পড়‍াশোনা করেন ইন্ডিয়ার নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজ ও তামিল নাড়ুর পালানি হিল্স এর কোডাইকানাল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে। এরপর তিনি ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স, পদার্থ এবং গণিতে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ডিগ্রি অর্জন করেন। শেখার অদম্য ইচ্ছায় তিনি পরবর্তীতে টেক্সাস ইউনির্ভাসিটি থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আরেকটি ব্যাচেলর ডিগ্রি অব সায়েন্স অর্জন করেন। সবশেষে তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনে স্নাতোকোত্তর শেষ করেন।

২০০৭ সালে জয় ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম কর্তৃক গ্লোবাল লিডার অব দ্য ওর্য়াল্ড হিসেবে নির্বাচিত হন।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বিষয়টি নিয়ে আসেন। পর্দার অন্তরালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে গোটা দেশে তথ্য-প্রযুক্তির বিপ্লব ঘটান এই তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ।

২০১০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সজীব ওয়াজেদ জয়কে তার পিতৃভূমি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ দেওয়া হয়। এর মধ্যদিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিক ভাবে রাজনীতিতে আসেন।

গত সংসদ নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন ও দেশের বিভিন্ন এলাকা সফরের মধ্যে দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝেও বেশ ভালো প্রভাব সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন।

২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর সজীব ওয়াজেদ জয়কে অবৈতনিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তথ্য-প্রযুক্তি, রাজনীতি, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তথ্য-প্রযুক্তির বিকাশ, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন জয়। বিশেষ করে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের তরুণদের দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করে দেশের কাজে আত্মনিয়োগ করাতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।

দেশ গঠনে তরুণদের মতামত, পরামর্শ শুনতে তিনি ‘লেটস্ টক’ ও ‘পলিসি ক্যাফে’ দুটি প্রোগ্রাম শুরু করেন। এছাড়া তিনি তরুণ উদ্যোক্তা ও তরুণ নেতৃত্বকে এক সঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি প্রশিক্ষিত করতে তরুণদের বৃহত্তম প্লাটফর্ম ‘ইয়াং বাংলার’ সূচনা করেন।

জয় তার সৃষ্টিশীল কাজের মধ্যদিয়ে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, বিশেষ করে তরুণের মনে জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: