বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

ছেলের কফিন আনতে গিয়ে লাশ হলেন বাবা



নিউজ ডেস্ক:: প্রায় এক মাস পূর্বে সৌদি আরবে মারা যান মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া এলাকার আলী আহমদের ছেলে জজ মিয়া (২২)। শুক্রবার বিকেলে তার মরদেহের কফিন সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। সেই ছেলের লাশ বিমানবন্দর থেকে আনতে গিয়ে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় লাশ হয়ে ফিরেছেন বাবা আলী আহমদ (৬০)। আলী আহমদ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া এলাকার মৃত সারা মিয়ার ছেলে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় তিনি মারা যান। এ সময় কফিনবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি রাস্তা থেকে প্রায় ২০ ফুট নিচের খাদে পড়ে যায়। খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পিতা-পুত্রের লাশ উদ্ধার করেছে।

শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদুজ্জামান জানান, প্রায় এক মাস পূর্বে সৌদি আরবে দুর্ঘটনায় জজ মিয়া (২২) নামের ওই যুবক মারা গেলে শুক্রবার বিকেলে তার মরদেহের কফিন সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। সেখানে ছেলের কফিনটি গ্রহণ করে অ্যাম্বুলেন্সযোগে বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা দেন আলী আহমদ। অ্যাম্বুলেন্সটি বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সৈয়দপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যান হঠাৎ রং সাইডে চলে আসে।

তাৎক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স চালক মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়াতে গেলে অ্যাম্বুলেন্সটি রাস্তার পার্শ্ববর্তী প্রায় ২০ ফুট নিচের একটি খাদে পড়ে যায়। পরে খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছেলের কফিনসহ বাবার মরদেহটি উদ্ধার করে।

এদিকে, দুর্ঘটনার পর পরিবারের লোকজন ছেলের মরদেহের কফিনটি বাড়িতে নিয়ে গেছেন। নিহত বাবা আলী আহমদের মরদেহ শেরপুর হাইওয়ে থানায় রাখা হয়েছে। সেখানে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হবে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: