শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেটে পরিবহন ধর্মঘট, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ  » «   ভারতে জনতার ওপর ট্রেন,নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬১  » «   মিয়ানমারে রোহিঙ্গা শিবিরে আগুন : পাঁচ নারীসহ নিহত ৬  » «   মহাসমাবেশে ব্যানার পোস্টার নিয়ে বিরক্ত এরশাদ  » «   ১০ বছরেও মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করতে পারেনি সরকার  » «   আফগানিস্তানে সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে  » «   জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশে লাঙ্গল নিয়ে সংঘর্ষ  » «   দু’সপ্তাহ এগোলো প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষা  » «   যুক্তরাষ্ট্রের উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা আসছেন আজ  » «   সৌদি আরব সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী  » «   খাশোগি হত্যায় আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া  » «   শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে থেকে নির্বাচন নয়!  » «   খাশোগিকে হত্যার কথা স্বীকার করলো সৌদি  » «   বিএনপির বিরুদ্ধে গায়েবি মামলার প্রমাণ নেই : আমু  » «   অংশ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য সহযোগিতা করতে প্রস্তুত ইইউ  » «  

ছেলেকে ক্রিকেটার বানাতে বাবার বাড়ি বিক্রি!



খেলাধুলা ডেস্ক::হতদরিদ্র বাবার পক্ষে ছেলে এলি মিকালের প্র্যাক্টিসের সাথে তার পুষ্টিকর খাবারের জন্য মাসে প্রয়োজনীয় খরচ বাধে অতিরিক্ত ২০ হাজার টাকার জোগাড় করা অসম্ভব হয়ে দাড়িয়েছে।

এলি মিকালের বাবার অবস্থা এমনই করুণ যে, তাকে নিজের ভিটেমাটিও বিক্রি করতে হচ্ছে ছেলেকে ক্রিকেটার বানানোর স্বপ্নে।

ম্যাজিশিয়ান শেন ওয়ার্ন স্বয়ং ছয় বছরের প্রতিভার ভূয়ষী প্রশংসাও করেছেন। সেই সঙ্গে ডেলিভারির সময়ে বোলিং আর্ম একটু উঁচুতে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। স্বয়ং ওয়ার্ন পরামর্শ দিচ্ছেন উঠতি প্রতিভাকে।

ইন্টারনেটেই প্রথম মিকাল খানকে দেখেন শেন ওয়ার্ন। শুধু ওয়ার্নই নয় ‘সুলতান অফ সুইং’ বলে খ্যাত ওয়াসিম আকরামও প্রশংসা করেছেন মিকালের।

কিন্তু দুঃখের বিষয় পাকিস্তানের সেই ‘বিস্ময়’ বালক স্পিনারের পড়াশুনা এবং খেলা চালানো অসম্ভব হয়ে উঠছে। প্রবল আর্থিক সমস্যায় পড়েছে তার পরিবার!

টুইটারে এলি মিকাল খানের লেগ স্পিন বোলিং দেখে শেন ওয়ার্ন মুগ্ধতা প্রকাশ করার পরে ক্রিকেট বিশ্বে শুরু হয়েছিল সাড়ে ৬ বছরের ছেলেকে নিয়ে কৌতুহল। মিকালের বিরুদ্ধে ব্যাট করা রমিজ রাজাও উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছিলেন।

পাকিস্তানের সেই ‘বিস্ময়’ বালক স্পিনারের পড়াশুনা এবং খেলা চালানো অসম্ভব হয়ে উঠছে। একাধিক বাণিজ্যিক সংস্থার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও গত তিন মাসে কেউ আর্থিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়ায়নি এই প্রতিভাবান ক্রিকেটারের পাশে।

মিকালের বাবা আবদুল্লাহ খান হতাশ ও ক্ষুব্ধ। তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কোয়েতায় তার বাড়ি বিক্রি করে অন্য দেশে চলে যাবেন!

রবিবার (২২ এপ্রিল) কোয়েতা থেকে ফোনে তার বক্তব্য, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কর্তাদের একাধিকবার অনুরোধ করেও মিকালের জন্য কোনও অনুদানের আশ্বাস পাইনি। তাই বাড়ি বিক্রি করে দিচ্ছি। যাতে মিকালের প্র্যাক্টিস বন্ধ না হয়।

ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ায় থাকা বন্ধুদের সঙ্গে ইতিমধ্যে কথা বলেছেন আবদুল্লাহ। জানালেন, তাদের ইংল্যান্ডে পাকাপাকিভাবে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: