সোমবার, ১৫ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
টিকটক ভিডিও বানাতে গিয়ে নদীতে ঝাঁপ, ৪৮ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার  » «   ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে সিলেট পিজিএস’র মানববন্ধন  » «   সিলেটে হোমিও শিক্ষায় বেড়েছে আগ্রহ,সহযোগিতায় সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা  » «   ভারী বৃষ্টিপাতে সিলেটের পাহাড়ি এলাকায় ধসের পূর্বাভাস  » «   জীবন দিয়ে হলেও এরশাদের মরদেহ রংপুরে আটকে দেয়ার ঘোষণা  » «   শেষ মুহূর্তে থেমে গেল ভারতের চন্দ্রযান ২-এর অভিযান  » «   এবার সংবাদ সম্মেলনে মুখ খুললেন মিন্নি  » «   হজ নিয়ে সৌদি-কাতার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ  » «   এরশাদের সন্তানরা কে কোথায়  » «   ওবামার সঙ্গে জেদের কারণেই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি বাতিল!  » «   প্রধানমন্ত্রী সময় দিলে জুলাইয়েই ই-পাসপোর্ট উদ্বোধন  » «   লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই পাঁচদিন বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় জেলে! উদ্ধার চট্রগ্রামে  » «   বাংলাদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রশংসায় রানী ম্যাক্সিমা  » «   অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর হামলা  » «   পদোন্নতি পেয়ে মন্ত্রী হচ্ছেন সিলেটের ইমরান আহমদ  » «  

ছাত্রলীগের সম্মেলন: ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা দেখছে অনেক নেতাকর্মী



নিউজ ডেস্ক::ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল। এই সম্মেলন ঘিরে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। নানান আনন্দ উল্লাসের মধ্য দিয়ে সম্মেলনটি হওয়ার কথা থাকলেও, এক প্রকার দুশ্চিন্তার মধ্যে দিয়ে হতে যাচ্ছে সম্মেলনটি। কেননা এটি জাতীয় নির্বাচনের বছর। এ সময় সম্মেলন দেওয়াটা রাজনৈতিক কৌশল বলে মনে করছেন ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীরা। তাদের মতে যারা বর্তমান কমিটিতে আছেন তারা চলে যাবেন আওয়ামী লীগের অন্য যেকোন সংগঠনে। ঠিক যেমনটি আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছিলেন কদিন আগে।

তবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকর্মীদের সাথে আলাপকালে আরও জানা যায়, ছাত্রলীগের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেনের স্বেচ্ছাচারিতা ও উদাসীনতার কারণে অনেক কিছু নেতাকর্মী অসন্তুষ্ট হয়েছে। ফলে নির্বাচনের বছরে এসে এই সম্মেলনের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে নিদের্শ দিয়েছে আওয়ামী লীগ। ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকর্মীদের সাথে বর্তমান কমিটির বিরাজমান খারাপ সর্ম্পকও হতে পারে সম্মেলনের অন্যতম কারণ।

তাছাড়া সম্মেলন বাস্তবায়ন করার জন্য আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারক পর্যায়ের নেতারা ছাত্রলীগকে নিয়ন্ত্রণ করতে, সাইফুর রহমান সোহাগ ও এসএম জাকির হোসেনের ভুলত্রুটিগুলো প্রধান হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগিয়েছেন বলে জানান সাবেক নেতারা।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, আমাদের যেখানে নির্বাচন মুখী হওয়ার কথা ছিলো সেখানে সম্মেলন মুখী হওয়ার প্রশ্নের উত্তর এখনো খুঁজে পায়নি। আগার্মী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে হারানো কোনো কৌশল কিনা তা নিয়ে চিন্তিত এই নেতা।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে হত্যা করার আগে নীল নকশা হিসেবে ছাত্রলীগকে দুইভাগে ভাগ করে দিয়েছিলেন ঘাতকরা। ছাত্রলীগ দুইভাগে ভাগ হওযার পর নানান ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের দূরে সরিয়ে দেয়া হয়েছিল। ঠিক একই ধারাবাহিকতায় নির্বাচনের আগে সম্মেলন করার কারণে নির্বাচন নিয়ে আশঙ্কায় ভুগছেন অনেক নেতাকর্মী।

এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেনকে বার বার ফোন করা হলেও তারা ফোন রিসিভি করেননি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: