রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে



নিউজ ডেস্ক:: বেসরকারি একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা রিনি রাজীউন তিসা। ব্যস্ত নাগরিক জীবনের মাঝে ছুটি পেলে ঘুরে বেড়ান দেশ-বিদেশে। ফিরে আসার সময় মা-বাবার জন্য কাপড়সহ বিভিন্ন ধরনের উপহার নিয়ে আসেন।

এবারের ছুটিতে গত ১৪ নভেম্বর চীনে গিয়েছিলেন তিনি। দেশে ফেরার আগে ভাবলেন বাবা-মায়ের জন্য কী আনবেন? বাবাকে কল দিয়ে জানতে চাইলেন, বাবা এবার তোমাদের জন্য কী আনবো? বাবার উত্তর, যদি প্রয়োজনীয় কিছু আনতে চাও, তাহলে কয়েক কেজি পেঁয়াজ নিয়ে এসো। এখানে (ঢাকার সেগুনবাগিচা) পেঁয়াজের দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

এরপর তিসা অন্য কোনো উপহার না কিনে ৩৮ টাকা করে ১১ কেজি পেঁয়াজ কিনলেন বাবা-মায়ের জন্য। দেশে আসার পর বিমানবন্দর কাস্টমসের লোকেরা সেই পেঁয়াজ দেখে অবশ্য মুচকি হেসেছিলেন।

তিসা জানান, চীনের একটা গ্রোসারি দোকান থেকে পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে দেখি তার কাছে ১১ কেজিই আছে। দোকানি অবাক হয়ে দেখল আমার পেঁয়াজ কেনা। ১১ কেজি হবার পর একটা পেঁয়াজ বেশি ছিল, সেটাও গিফট হিসেবে দিয়ে দিয়েছে। দোকানির হাসি দেখে মনে হয়েছে কোনো বিদেশি ভ্রমণে গিয়ে তার কাছ থেকে কোনোদিন এত পেঁয়াজ কেনেনি।

এদিকে বাসায় আসার পর পেঁয়াজ দেখে সবাই খুব খুশি। বাবা-মায়ের ইচ্ছাতে আত্মীয়-স্বজনদের কিছু পেঁয়াজ উপহার হিসেবে ভাগ করে দেয়া হয়েছে। মামা, খালা ও চাচারা সবাই পেঁয়াজ উপহার পেয়ে আনন্দিত এবং অবাক হয়েছেন।

তিসা আরও জানান, এর আগেও অনেকবার বাবা-মাকে উপহার দিয়েছি, কিন্তু এবার পেঁয়াজ পেয়ে তারা যতটা খুশি হয়েছেন এতটা খুশি হতে দেখিনি কখনও। আমার ভালো লেগেছে এত খুশি দেখে। সেই সঙ্গে খারাপ লেগেছে দেশের অন্য মানুষের কথা ভেবে। তিসা এইচএসবিচি ব্যাংকের প্রধান শাখায় কর্মরত। তিনি রাজধানীর সেগুন বাগিচায় থাকেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: