সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

চাপে আছেন মুসা, দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা



নিউজ ডেস্ক::পূর্বের সব সময়ের চেয়ে চাপে আছেন বিতর্কিত ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসের। চলতি মাসের (সেপ্টেম্বর) যেকোন সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে ডাকা হবে বলে জানিয়েছেন শুল্ক গোয়েন্দা সূত্র।

দিন যত যাচ্ছে এ ব্যবসায়ীর মামলার চাপও তত বাড়ছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে মুসার দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তিনি চাইলেও এখন আর দেশ থেকে পালাতে পারবেন না। এমনকি তার পরিবারের উপরও গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়সহ একাধিক মামলা রয়েছে। মামলার তদন্ত করছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এ তদন্তের স্বার্থে তাকে যে কোন সময় ডাকা হতে পারে। এ বছরের মার্চে বিতর্কিত এ ব্যবসায়ীর শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চালানো রেঞ্জ রোভার গাড়ি জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর।

গত বছর সম্পদের মিথ্যা তথ্য দেয়ার অভিযোগে বিতর্কিত ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মীর জয়নুল আবেদিন শিবলী। অবৈধ সম্পদ ও মিথ্যা তথ্য দেয়ায় দুদক আইনের ২৬ (১) ও (২) ধারায় মামলা করা হয়।

এদিকে সুইস ব্যাংকে তার (মুসা) ৯৬ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আছে। এ টাকা আয়ের উৎস জানতে চাওয়া হয়েছিল। গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা শাহরিয়ার মাহমুদ এ ব্যাপারে মুসাকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন কিন্তু এক মাস হয়ে গেলও চিঠির কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: