বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বরখাস্তকৃত ন্যানগ্যাগওয়াই হচ্ছেন জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট  » «   খালেদার গাড়িবহরে হামলা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের পরিকল্পনার অংশ  » «   এক মোটরসাইকেলেই বিশ্ব রেকর্ড  » «   কাঁদলেন ঐশ্বরিয়া, ১শ শিশুর ঠোঁটের অস্ত্রোপচারে খরচ দিবেন  » «   কাল থেকে পুনরায় চালু হচ্ছে চুয়েট বাস  » «   বলি একটা লেখেন আরেকটা: সাংবাদিকদের রোনালদো  » «   এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১ ফেব্রুয়ারি  » «   মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হবে ছাত্রলীগের স্কুল কমিটি  » «   এগিয়ে থাকুন সৃজনশীলতায়  » «   সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ১ বছরে সাড়ে ৩ কোটি ইয়াবা জব্দ  » «   শ্রীমঙ্গলে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন  » «   দখলমুক্ত হচ্ছে খাল ও নদী  » «   কুমিল্লায় হানিফ‘আ’লীগকে হুংকার দিয়ে লাভ নেই’  » «   কমলগঞ্জে প্রতিহিংসায় বিনষ্ট কৃষকের শিম বাগান  » «   অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ সহ নানা অভিযোগ  » «  

ঘুষের বিনিময়ে চোরাইপথে আমদানী হচ্ছে গরু



নিউজ ডেস্ক::চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকার চোরাইপথে শত শত গরু আমদানী হচ্ছে। আর গরুর সাথে করে নিয়ে আসা হচ্ছে হিরোইন, গাঁজা, আফিং, ভাং, চুরুট, মদ সহ বিভিন্ন ধরনের মাদক।

আর এর বিনিময়ে বিওপির অধীনস্থ এলাকায় কথিত দাললদের দেয়া লাগছে ঘুষ। এসব দালালরা সীমান্ত এলাকা দিয়ে গরু পার করার জন্য গরু প্রতি নিচ্ছে ১ হাজার ৫শ টাকা।

বুধবার (১১ অক্টোবর) সরেজমিনে কয়েকটি সীমান্ত এলাকা ঘুরে এবং বিভিন্ন পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার মাসুদপুর, সিংনগর ও মনোহরপুরসহ কয়েকটি সীমান্ত এলাকার বিওপির অধীনস্থ এলাকায় সরকার ঘোষিত কোন গরুর বীট না থাকায় কথিত দাললেরা এ সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গরু ব্যবসায়ী জানান, দালাল সদস্যদের মাঝে ১০-১৫ জন বিশেষ উল্লেখযোগ্য ও সর্দার গোছের। যারা বিভিন্ন ভাবে গরু পাচার করে এবং বিজিবি’র কতিপয় সদস্য তাদের সাহায্য করে থাকে। যদি এসব দালালদের টাকা না দেওয়া হয় তবে তারা নিজেরাই বিজিবির সোর্স হিসাবে ব্যবসায়ীদের ধরিয়ে দেয়।

তারা আরও জানান, অবৈধ ভাবে আটক হওয়া সীমান্ত এলকার গ্রামে বা মহল্লায় বাড়িতে রেখে ইউনিয়ন পরিষদ ও বিজিবির নিটক হতে কাগজ করে বাড়ির গরু হিসেবে বৈধ ভাবে উপজেলার বিভিন্ন পশুহাটে বিক্রি করে গরুর দালালরা।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, গরুর সাথে নিয়ে আসা হয় হিরোইন, গাঁজা, মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক। কিন্তু বিওপির দালালরা বেশ প্রভাবশালী তাই তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলে না।

এ ব্যাপারে মনোহরপুর বিওপি কমান্ডর সুবেদার নওসের আলি জানান, বিজিবির কোন দালাল নেই। কেউ যদি আমাদের অজুহাতে টাকা আদায় করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। তবে মাসুদপুর বিওপির কমান্ডারের সাথে মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: