সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রেল স্টেশনে স্ক্যানার বসানোর সুপারিশ  » «   পাবনায় আব্দুর রব বগা মিয়ার ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিক উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  » «   মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টে বৈঠক নয় চা খাওয়া হয়েছে  » «   ব্যাগের ভেতরে তরুণীর লাশ  » «   শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট বিল পাস  » «   বাড়ানো হয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক ভাতা  » «   খালেদার শুনানি, যা বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল  » «   স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে সন্তানসহ অবস্থান  » «   বিচারিক আদালতে খালেদার নথি  » «   শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ঘরে করুন, রাস্তায় কেন : কাদের  » «   বাহুবল থেকে নিখোঁজ ৩ মাদ্রাসা ছাত্র ফেনীতে উদ্ধার  » «   খালেদার সঙ্গে দেখা করতে গেছেন ৪ স্বজন  » «   মাদকের বিরুদ্ধে তথ্য অভিযান শুরু ১ মার্চ  » «   যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ১  » «   সোমবার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শ্রীদেবীর শেষকৃত্য  » «  

ঘুষের বিনিময়ে চোরাইপথে আমদানী হচ্ছে গরু



নিউজ ডেস্ক::চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকার চোরাইপথে শত শত গরু আমদানী হচ্ছে। আর গরুর সাথে করে নিয়ে আসা হচ্ছে হিরোইন, গাঁজা, আফিং, ভাং, চুরুট, মদ সহ বিভিন্ন ধরনের মাদক।

আর এর বিনিময়ে বিওপির অধীনস্থ এলাকায় কথিত দাললদের দেয়া লাগছে ঘুষ। এসব দালালরা সীমান্ত এলাকা দিয়ে গরু পার করার জন্য গরু প্রতি নিচ্ছে ১ হাজার ৫শ টাকা।

বুধবার (১১ অক্টোবর) সরেজমিনে কয়েকটি সীমান্ত এলাকা ঘুরে এবং বিভিন্ন পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার মাসুদপুর, সিংনগর ও মনোহরপুরসহ কয়েকটি সীমান্ত এলাকার বিওপির অধীনস্থ এলাকায় সরকার ঘোষিত কোন গরুর বীট না থাকায় কথিত দাললেরা এ সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গরু ব্যবসায়ী জানান, দালাল সদস্যদের মাঝে ১০-১৫ জন বিশেষ উল্লেখযোগ্য ও সর্দার গোছের। যারা বিভিন্ন ভাবে গরু পাচার করে এবং বিজিবি’র কতিপয় সদস্য তাদের সাহায্য করে থাকে। যদি এসব দালালদের টাকা না দেওয়া হয় তবে তারা নিজেরাই বিজিবির সোর্স হিসাবে ব্যবসায়ীদের ধরিয়ে দেয়।

তারা আরও জানান, অবৈধ ভাবে আটক হওয়া সীমান্ত এলকার গ্রামে বা মহল্লায় বাড়িতে রেখে ইউনিয়ন পরিষদ ও বিজিবির নিটক হতে কাগজ করে বাড়ির গরু হিসেবে বৈধ ভাবে উপজেলার বিভিন্ন পশুহাটে বিক্রি করে গরুর দালালরা।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, গরুর সাথে নিয়ে আসা হয় হিরোইন, গাঁজা, মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক। কিন্তু বিওপির দালালরা বেশ প্রভাবশালী তাই তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলে না।

এ ব্যাপারে মনোহরপুর বিওপি কমান্ডর সুবেদার নওসের আলি জানান, বিজিবির কোন দালাল নেই। কেউ যদি আমাদের অজুহাতে টাকা আদায় করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। তবে মাসুদপুর বিওপির কমান্ডারের সাথে মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: