শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পাবলিক পরীক্ষার সব ফি দেবে সরকার  » «   বাচ্চারা সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ইভিএম, দাবি লালুপুত্রের  » «   আগামীকাল প্রাথমিকের প্রথম ধাপের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা  » «   পরাজিত হওয়া মানেই হার নয়: মমতা  » «   কুলাউড়ায় ওজন বাড়াতে চিংড়িতে বিষাক্ত জেলি!  » «   শতবর্ষী বৃদ্ধাকে ধর্ষণ: ‘আমাকে ছেড়ে দাও, আমি রোজা রাখছি’  » «   কিছুটা সময় লাগলেও ইসরাইল-আমেরিকার পতন অনিবার্য: ধর্মীয় নেতা  » «   মেয়াদোত্তীর্ণ সেমাই ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার তৈরি: সিলেটে ওয়েল ফুডকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা  » «   একক দল হিসেবেই ম্যাজিক ফিগারে মোদির বিজেপি!  » «   পারিবারিক কলহে সৎ মাকে কুপিয়ে জখম করেছে ছেলে  » «   রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়োগ দেয়া হবে: অর্থমন্ত্রী  » «   পবিত্র কোরআন কেটে ভেতরে ইয়াবা পাচার, ৩ রোহিঙ্গা আটক  » «   গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের চার জন নিহত  » «   খালেদার কারামুক্তি, এবারও ‘হ্যান্ডল’ করতে পারেনি বিএনপি!  » «   বালিশ মাসুদের খোলা চিঠি  » «  

ঘুরে দাঁড়ালেন নোবেল!



বিনোদন ডেস্ক:: পরপর তিনবার নোবেল আশাহত করেছিলেন। অবশ্য নোবেল আশাহত করেছেন এমনটা মানতে রাজি নন ভক্তরা। কিন্তু যেটা বিচার হয়ে যায় সেটা নিয়ে আর বলার কিছুই থাকে না। কিন্তু গতকাল শনিবার রাতে নোবেল একদম ঘুরে দাঁড়ালেন। গাইলেন বেশ কয়েকজন বৃদ্ধার সামনে। গাইলেন নচিকেতার বিখ্যাত গান। নোবেলের গান শুনে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি উপস্থিতরা।

টেলিভিশনের বাইরের দর্শক-শ্রোতাদের অবস্থা কী হয়েছিল তা না জানা গেলেও বিচারকরাও যে রীতিমতো আবেগাক্রান্ত হয়েছিলেন তা গান শেষেই বোঝা গেল। নোবেলের কণ্ঠে বৃদ্ধাশ্রম শুনে কেউ বিচারকের আসনে বসে থাকতে পারেননি। এসে জড়িয়ে ধরলেন নোবেলকে। শ্রীকান্তো এদিন প্রশংসায় ভাসান নোবেলকে।

ভারতের টিভি চ্যানেল জি বাংলার রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’ তে অংশ নিয়ে দুই বাংলাতেই সাড়া ফেলে দিয়েছেন বাংলাদেশের নোবেল। শুরু থেকেই সেখানকার বিচারকসহ সকলের মন জয় করেছেন এই তরুণ। সৃজিত মুখার্জীর আপকামিং ছবিতে প্লেব্যাকও করে ফেলেছেন। অনেকেই বলছেন, নোবেলই এবারের আসরের বিজয়ী হতে যাচ্ছেন।

নদী রহমান নামের একজন মন্তব্য করেছেন, সত্যিই নোবেল গানটি পরিবেশনার সময় আসল গানটি কোথায় যেন হারিয়ে গেছিল। নোবেলের ভয়েস এর texture এই গানটির জন্য একেবারেই উপযুক্ত হয়েছে। প্রত্যেক বারের মতো নোবেল নিজস্বতা এবং গানের প্রতিটা কথা হৃদয়ে রপ্ত করার ফলে গানটি গাওয়ার সময় নোবেলের স্বাভাবিক অভিব্যক্তি যেটা গানের প্রতিটা কথার মাধ্যমে বেরিয়ে এল তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী।

তিনি বলেন, গানটির মাধ্যমে ব্যাঙ্গাত্মকভাবে আসলে যে শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে তা যেন ফলপ্রসূ হয়। আর নোবেল কথা মতই বৃদ্ধাশ্রমের ধারণাটিই যেন সমাজ থেকে মুছে যায়। সন্তানের ঘর ই হোক প্রতিটি বাবা মায়ের শ্রেষ্ঠ আশ্রম। এতো ভিন্ন ধর্মী আর হৃদয় ছুয়ানো গান, সারেগামাপা মঞ্চে আর কোউ দিতে পারবে না,, এক মাত্র নোবেল ছাড়া। এতো দরদ দিয়ে গানটা গাইলো যে চোখের পানি ধরে রাখা যাচ্ছে না।

নদী লিখেছেন, যদি এই গানটা এখন ঐ সমস্ত লোকেরা শুনে যারা তাদের জনম দঃখীনি মা, বাবা কে বৃদ্ধা আশ্রমে রেখে চলে আসচ্ছে,, হয়তো তাদের একটু হলেও হৃদয়ে কম্পন উঠবে। নোবেল তুমি পারো একমাত্র সবার হৃদয় কম্পন করতে আবার তুমিই পারো স্টেজ কম্পন করতে।

সঞ্জিব নামের একজন লিখেছেন, ‘আমাদের নোবেল। অসম্ভব ভাল লাগার একটা গান গেয়েছেন নোবেল। বৃদ্ধাশ্রম….. নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা মানুষ হোক যাতে বাবা মাকে বৃদ্ধাশ্রমে আর যেতে না হয়। ভাল চাকরি বাকরি তো অনেকেই করে, বাবা মাকে দেখাশোনা করে ক’জন। পৃথিবীর বুক থেকে বৃদ্ধাশ্রমের বিলুপ্তি ঘটুক…’

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: