রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেটে বিএনপি নেতাকর্মীদের মারধর ও ধরপাকড়ের অভিযোগ  » «   আটকে রেখে তিন সাংবাদিককে পেটালো বুয়েট ছাত্রলীগ  » «   সিরিয়ায় মসজিদ ধ্বংস করল মার্কিন জোট  » «   বাবার স্বপ্ন পূরণে বড় চাকরি ছেড়ে আপনাদের সেবায় এসেছি: রেজা কিবরিয়া  » «     » «   নির্বাচনে ‘সংঘাত’ একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না: সিইসি  » «   জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ২৫ সদস্যের সমন্বয়ক কমিটি  » «   আফগানিস্তানে মার্কিন বিমান হামলায় ১২ শিশুসহ নিহত ২০  » «   মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা  » «   চমক থাকছে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে  » «   দুই-তিন দিনের মধ্যে ইসিতে যাবে বিএনপি  » «   কাদের সিদ্দিকী রাজাকার, বদমাইশ : মির্জা আজম  » «   নির্বাচনের ৭ দিন আগে ব্যালট পৌঁছে যাবে: ইসি সচিব  » «   রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চান ড. কামাল  » «   যুক্তরাষ্ট্র-অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড কানাডায় বোমা হামলার হুমকি  » «  

ঘরে বসেই নির্বাচন করে এমপি হওয়ার দিন শেষ



নিউজ ডেস্ক::রাজধানী জুড়ে যানজট, রাস্তায় ময়লা এবং চিকুনগুনিয়া নিয়ে মানুষ মহাদুর্যোগে আছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ। তিনি বলেছেন, আগামি এক সপ্তাহের মধ্যে যদি যানজট ও ময়লার সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে জনগণ রাস্তায় নামবে। এতে কিছু করার থাকবে না।

বুধবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর নিয়ে তিনি আরও বলেন, তিনি বলেন, জবাবদিহি করতে হবে। সামনে মহাপ্লাবন, সামনে নির্বাচন। জবাবদিহি কিন্ত করতে হবে। জবাবদিহি সেদিন জনগণ ঠিকই নেবেন। জনগণের কাছে প্রত্যেকটা প্রশ্নের জবাব দিয়ে ভোট চাইতে হবে। সেদিন বুঝবেন কত ধানে কত চাল হয়। আজ অনেকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। জনগণকে আজকে কোনও পাত্তাই দিচ্ছেন না। কিন্ত জনগণের কাছে আমাদের যেতে হবে। আর যদি মনে করেন, আগের মত একটা নির্বাচনের দিয়ে ঘরে বসেই নির্বাচন করবেন। সেটা আর হবে না। সেই দিন শেষ হয়ে গেছে। তাই আগামি এক সপ্তাহের মধ্যে যদি ময়লা আর যানজটের সমস্যার নিরসন না হয় তাহলে জনগণ কিন্তু রাস্তায় নামবে তখন আমাদের কিছু করার থাকবে না।

কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, রাস্তায় বর্জ্যের কারণে মানুষ চলতে পারছে না। দুর্গন্ধে মানুষ যাতায়ত করতে পারছে না। ড্রেনের পানি স্যুয়ারেজ লাইনের ময়লা আর বৃষ্টির পানি একাকার হয়ে গেছে। সমস্ত রাস্তা ভরে গেছে। অনেক এলাকায় এক হাটু পানি হয়ে গেছে। আমার নির্বাচনী এলাকা আর কে মিশন রোড এলাকার ২০ ফুট রাস্তার ১০ ফুটই ময়লা রাখার জন্য বরাদ্দ দিয়েছে সিটি কর্পোরেশন। মানুষ যেতে পারছে না।

চিকুনগুনিয়া নিয়ে বলেন, চিকুনগুনিয়া সম্পর্কে মন্ত্রী বললেন ভয়ের কারণ নেই। কিন্তু মোটা গুনিয়াতে তো ভয়ের কারণ আছে। মানুষ যেভাবে আক্রান্ত হচ্ছে, যে নামই দেন। মশা মারলেন না, মশার ওষুধ দিলেন না এখন বলেন চিকুনগুনিয়ায় ভয়ের কারণ নেই। আমাদের নির্ভয় দিচ্ছেন, যারা (মেয়রা) মশা মারবেন তারা তো নির্ভয় দেন না। উনারাতো মশারির ভেতর থাকেন। আজ পর্যন্ত মশা মারার উদ্যোগ দেখলাম না। সাধারণ লোকরা পানির মধ্যে বসাবাস করে। মশার মধ্যে ঘুমাতে হয় খেতে হয়। মানুষ যাবে কোথায়।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর সমালোচনা করে বলেন, মন্ত্রী বলেন ভিআইপিরা উল্টো পথে যাতায়াত করেন। হয়তো দুই একজন উল্টো পথে যাতায়াত করেন। আজ তো উল্টো পথেও যাতায়াত বন্ধ। রাস্তার দুই পথই বন্ধ। রাস্তা যখন বন্ধ হয় গোটা শহরে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। কার কাছে বলবো, কোথায় বলবো, কার কাছে বললে সমাধান হবে তাও জানি না। সমস্ত কিছু যদি একজনকেই দেখতে হয়, শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীকে। তাহলে এত মন্ত্রী, মেয়র উনাদের কাজ কি? প্রধানমন্ত্রী ছাড়া কোথাও আর কারো কিছু দেখার নেই? কাউকেই কোথাও জবাবদিহি করতে হয় না।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: