মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চতুর্থ ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   সুনামগঞ্জে অজ্ঞাতনামা যুবকের মরদেহ উদ্ধার  » «   বন্দরবাজার থেকে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আফগান প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা, নিহত ২৪  » «   বিভাগীয় শহরে হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার চিকিৎসাকেন্দ্র  » «   মৌলভীবাজার থেকে হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার  » «   হবিগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ১৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার  » «   উপজেলা নির্বাচন: হবিগঞ্জ আ.লীগের ১০ বিদ্রোহী প্রার্থীকে শোকজের চিঠি  » «   রোমে যে কারণে আলোচিত প্রবাসী বাংলাদেশি তরুণ  » «   বিকেলে ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী  » «   বিতর্কিত আইনে কাশ্মিরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী গ্রেপ্তার  » «   অপমানজনক বিতাড়ণের আগে সিনেট ও ডাকসু ছাড়ুন: শোভন-রাব্বানীকে ভিপি নুর  » «   পেঁয়াজ নেই, তবুও বিক্রির ঘোষণা টিসিবির!  » «   শর্ত ভেঙে ‘অযোগ্য’ প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিচ্ছে গণপূর্ত  » «   মেট্রোরেলের জন্য আলাদা পুলিশ ইউনিট গঠনের নির্দেশ  » «  

গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে ফ্রান্সে ১৫০০ জনের মৃত্যু



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: পশ্চিম ইউরোপের দেশ ফ্রান্সে গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপদাহে রেকর্ড দেড় হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। সোমবার দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের গ্রীষ্মে (জুন ও জুলাই মাসে) ফ্রান্সে প্রচণ্ড তাপদাহের কারণে প্রায় ১ হাজার ৪৩৫ জন নিহত হয়েছেন। ফ্রেন্স রেডিওকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অ্যাজনেস বুজিন বলেন, নিহতদের অর্ধেকের বয়স ৭৫ বছরের ওপরে।

তবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়ার কারণে তাপদাহের মৃত্যুর পরিমাণ ২০০৩ সালের চেয়ে কম হওয়ায় দেশটির কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি। ২০০৩ সালের গ্রীষ্মের তাপদাহের কারণে ফ্রান্সে এ বছরের চেয়ে ১০ গুণ বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

ফ্রান্সে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস (১১৪.৬ ডিগ্রি ফারেনহাইন) রেকর্ড করা হয়েছে চলতি বছরের জুনে। দেশটির রাজধানী প্যারিসে সর্বোচ্চ ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় গত জুলাইয়ে।

দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, চলতি বছরের গ্রীষ্মের ২৪ জুন থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত প্রথম তাপদাহে ফ্রান্সে ৫৬৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। পরবর্তী ২১ থেকে ২৭ জুলাইয়ে আরো ৮৬৮ জন মারা গেছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী অ্যাজনেস বুজিন বলেছেন, এদের মধ্যে ১০ জনের প্রাণ গেছে কর্মস্থলে। এ বছরের গ্রীষ্মের ভয়াবহতার কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছিল। এই সময়ে অনেক স্কুল, কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: