সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
একাত্তরের গণহত্যা আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে তুলবে জাতিসংঘ  » «   এ বছর থেকেই তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত থাকছে না পরীক্ষা  » «   মসজিদে হামলা: ৮ দিনেও জ্ঞান ফেরেনি চার বছর বয়সী আলিনের  » «   মালিতে ১৩৪ মুসলিম আদিবাসীকে গুলি করে হত্যা  » «   ইভিএমএ ভোট দেই এক জায়গায়,আরেক জায়গায়  » «   ভোটকেন্দ্র দখল নিয়ে দু’পক্ষের গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ পুলিশ সদস্য  » «   আড়াই ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ৩টি!  » «   ব্রেক্সিট ঠেকাতে ফের গণভোট ও মে’র পদত্যাগ দাবিতে উত্তাল ব্রিটেন  » «   যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তে চরম হেনস্থার শিকার ৯ বছরের বালিকা  » «   রাতেই ব্যালটে সিল মারায় নির্বাচন স্থগিত  » «   বাসচাপায় সিকৃবি ছাত্র হত্যা, চালক-হেলপার গ্রেফতার  » «   উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে  » «   লাগামহীনভাবে বাড়ছে দ্রব্যমূল্য: রমজানপূর্ব মজুদদারিতে কারসাজি  » «   সন্ত্রাস ও হিংসা মোকাবেলায় একসঙ্গে কাজ করতে পাকিস্তানকে আহ্বান মোদির  » «   সংসদে লুকিয়ে চকলেট খেয়ে ক্ষমা চাইলেন ট্রুডো!  » «  

গ্রাহকের তথ্য পাচার: জনপ্রিয়তা কমছে ফেসবুকের



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: কমতে শুরু করেছে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের জনপ্রিয়তা। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র এবং জার্মানিতে চালানো এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সংক্রান্ত বিষয়ে দিন দিন ফেসবুকের ওপর আস্থা হারাচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। গ্রাহকের তথ্য পাচার ইস্যুতে ব্রিটেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদপত্রগুলোতে ক্ষমা চেয়ে বিজ্ঞপ্তি দেয়ার পর আস্থাহীনতা বেড়েছ আরও কয়েকগুণ।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, অর্ধেকেরও বেশি মার্কিন নাগরিক ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষায় ফেসবুককে নিরাপদ মনে করেন। অন্যদিকে, জার্মানির সবচেয়ে জনপ্রিয় সাপ্তাহিক পত্রিকা বিল্ড আম সোনতাগের মতে, শতকরা ষাট জন জার্মান নাগরিকই ফেসবুক এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি গ্রাহকদের ‘বিশ্বাসভঙ্গের’ বিষয়টি স্বীকার করে নিয়ে ব্রিটেনের অবজারভার এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন পোস্টের মতো বড় বড় পত্রিকায় ক্ষমা চেয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ।

তিনি বলেন, ‘আপনাদের তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য। আমরা যদি সেটা না পারি, তবে আমাদের তথ্য সংরক্ষণের অধিকার নেই।’

সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপ এবং আমেরিকার দেশগুলোর সরকারের সূক্ষ্ম তদন্তের সম্মুখীন হচ্ছে ফেসবুক। আর মার্ক জাকারবার্গ চেষ্টা করছেন তার প্রতিষ্ঠানের সুনাম ফিরিয়ে আনতে।

মূলতঃ ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তথ্য বিক্রির অভিযোগ ওঠার পরই তদন্ত শুরু হয় ফেসবুকের বিরুদ্ধে। ফেসবুকের পাচার করা তথ্য ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট হতে সহায়তা করেছিল।

বিশ্বাস ভঙ্গ
২০১৪ সালে একজন মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের তৈরি একটি অ্যাপের মাধ্যমে ফেসবুক গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য পাচার করেছিল বলেও স্বীকার করে নেন জাকারবার্গ।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এটা ছিল এক ধরনের বিশ্বাসঘাতকতা। আমি দুঃখিত এবং আমরা বর্তমানে এমন কিছু করছি না।’
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে #DeleteFacebook হ্যাশট্যাগটি ইন্টারনেটে ভাইরাল হলে, শেয়ার বাজারে ১৪ শতাংশ লোকসানের সম্মুখীন হয় ফেসবুক।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: