রবিবার, ১৭ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের কুকীর্তি ফাঁস!  » «   মায়ের পছন্দ ব্রাজিল, সমর্থক জয়ও  » «   পুলিশ কমিশনার‘ঈদগাহে ছাতা ও জায়নামাজ ছাড়া অন্য কিছু নয়’  » «   ‘আমিও প্রেগনেন্ট হয়েছি, অনেকবার অ্যাবরশনও করিয়েছি’  » «   গুগল পেজ ইরর দেখায় কেন?  » «   রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সিইসি কে কোথায় ঈদ করছেন  » «   ইসি সচিব : তিন সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা  » «   বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে মনু ও ধলাই  » «   বিশ্বকাপের একদিন আগে বরখাস্ত স্পেন কোচ!  » «   ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে ৭ কি.মি. যানজট  » «   শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে আলিয়ার সোজা কথা!  » «   যে কারণে ইউনাইটেড হাসপাতালে যেতে চান খালেদা  » «   খালেদা চিকিৎসা চান নাকি রাজনীতি করছেন : সেতুমন্ত্রী  » «   যানজটের কথা শুনিনি, কেউ অভিযোগও করেননি  » «   ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ‘বকশিসের নামে নীরব চাঁদাবাজি নেই’  » «  

গ্রামার স্কুলের শাখা খুলে দিতে আপিলের শুনানি রোববার



রাজধানীর লেকহেড গ্রামার স্কুলের ধানমন্ডি ও গুলশান শাখা খুলে দিতে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানির দিন পেছানো হয়েছে। আগামী ৩ ডিসেম্বর রোববার শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সকালে রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ দিন ধার‌্য করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি বলেন, লেকহেড গ্রামার স্কুলের বর্তমান কমিটি ও শিক্ষকরা জঙ্গিবাদে জড়িত কি না সে বিষয়ে একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন আমাদের হাতে এসে এসেছে। আমি এটি পড়ে দেখার সময় পাইনি। একইসাথে আদালতে লেকহেড গ্রামার স্কুলের পক্ষে ব্যারিস্টার আখতার ইমাম প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক ও কমিটির সদস্যদের বিস্তারিত ঠিকানা দাখিল করেছেন।এ ছাড়া ওই স্কুলে কোন প্রক্রিয়ায় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয় তাও আদালতে দাখিল করা হয়েছে।

সম্প্রতি হাইকোর্ট ২৪ ঘন্টার মধ্যে স্কুলটি খুলে দিতে রায় দেন হাইকোর্ট।সে রায়ের স্থগিতাদেশ চেয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। শুনানী শেষে ১৫ নভেম্বর চেম্বার বিচারপতির সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের আদালত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানী করেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার আখতার ইমাম। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এর আগে গত ৬ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ এনে গুলশান ও ধানমন্ডির লেকহেড গ্রামার স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।

পরে ৯ নভেম্বর সকালে লেকহেড গ্রামার স্কুলের নতুন মালিক খালেদ হাসান মতিন ও ১২ জন শিক্ষার্থীর অভিভাবক স্কুলটি খুলে দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সালমা জাহানের সই করা চিঠিতে চিঠিতে বলা হয়, এই প্রতিষ্ঠানটি সরকারের অনুমোদন নেয়নি। এ ছাড়া চিঠিতে বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি ধর্মীয় উগ্রবাদ, উগ্রবাদী সংগঠন সৃষ্টি, জঙ্গি কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতাসহ স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছে।

২০০৬ সালে ধানমন্ডির ৬/এ সড়কে প্রতিষ্ঠিত হয় লেকহেড গ্রামার স্কুল। গুলশানে এই স্কুলের আরো দুটি শাখা আছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: