সোমবার, ১৮ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
একতরফা নির্বাচন গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত: মাহবুব তালুকদার  » «   উপজেলা নির্বাচন: দ্বিতীয় ধাপের ভোট গ্রহণ শেষ, চলছে গণনা  » «   পুলিশ কেন জনগণের বন্ধু নয়?  » «   ভোটার শূন্য ভোটকেন্দ্রে, দোল খাচ্ছেন নিরাপত্তা কর্মীরা  » «   অসুস্থতার কারণে খালেদা জিয়ার গ্যাটকো মামলার শুনানি পিছিয়েছে  » «   বাংলা ভাষার বঙ্গবন্ধু’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   চাঁদপুরের ৫০০ বছরের পুরনো মসজিদ সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত  » «   কাঙালের ধন চুরি…  » «   সুপ্রিম কোর্টের ১৩ দিনের অবকাশ শুরু  » «   গোলাপগঞ্জের একটি কক্ষে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ভোট পড়েনি একটিও!  » «   সৌদি এয়ারলাইনসের দুই নারী ক্রুর অন্তর্বাসে মিলল সোনার বার  » «   উপজেলা নির্বাচন: ৪ ঘন্টায় ভোট পড়েছে মাত্র ৬টি!  » «   উপজেলা নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকালে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার মৃত্যু  » «   হাসিনাকে ট্রুডোর ফোন, জানালেন নিন্দা-শোক  » «   উপজেলা নির্বাচন: বেলা বাড়ার সাথে বাড়ছে সিলেটে ভোটারদের উপস্থিতি  » «  

গুহায় ফুটবলারদের যেভাবে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন কোচ!



নিউজ ডেস্ক::গুহায় আটকে পড়া ১২ কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচকে দীর্ঘ ১৮ দিন পর উদ্ধার করে সুদক্ষ ডুবুরি দল। তাদেরকে উদ্ধারে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও শ্বাসরুদ্ধকর এক উদ্ধার অভিযান চালায় থাই সরকার। মঙ্গলবার (১০ জুলাই) তাদের উদ্ধার করতে সক্ষম হয় ১৮ সদস্য বিশিষ্ট ডুবুরি দল। তাদের এ অভিযানে সময় লাগে তিন দিন। এ উদ্ধার অভিযান কতটা ভয়াবহ ও ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, শুধু বাইরের চিত্র দেখেই তা বোঝা গেছে।

শিশুদের উদ্ধারে পর সকলের মনেই যে প্রশ্ন উদয় হয়েছে তা হলো, খাদ্য-পানি ও অক্সিজেনের অভাবের মধ্যেও এই শিশুদের কীভাবে ৯ দিন সেই অন্ধকার গুহায় বাঁচিয়ে রেখেছিলেন তাদের কোচ?

আর এরই জবাব খুজঁতে গিয়ে মিলল একাপল চ্যানথাওয়াং নামের ২৫ বছর বয়সী সেই কোচের বীরত্বের গল্প।

দলের এক সদস্যের জন্মদিন পালনে গুহায় ঢুকেছিল ওয়াইল্ড বোয়ার দলের সদস্যরা। ১১ থেকে ১৬ বছর বয়সী এই শিশুদের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন একাপল। কিন্তু তারা গুহায় ঢোকার পরই বন্যার পানি ভেতরে ঢুকে যায়। এর ফলে ভিতরে আটকা পড়ে কোচ একাপল ও তার শিষ্যরা। ভেতর থেকে যোগাযোগের কোনো উপায় না থাকায় শিষ্যদের কীভাবে বাঁচিয়ে রাখা যায়- সে ব্যাপারে নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েছিলেন একাপল।

শৈশবেই বাবা-মা ও ভাইকে হারিয়ে বেশ কিছুদিন চাচার পরিবারে ছিলেন একাপল। এরই এক পর্যায়ে কৈশরে সন্নাসী হওয়ার প্রশিক্ষণ নিতে চলে যান তিনি। দীর্ঘ ১০ বছর সেখান থাকার পর কিছুদিন আগে তিনি ফিরে এসেছিলেন অসুস্থ দাদির দেখাশোনার জন্য। এসময়ই তিনি জীবিকার জন্য স্থানীয় ফুটবল দলের সহকারী কোচের চাকরি নেন।
এই সন্নাসী হওয়ার প্রশিক্ষণই দারুণ কাজে দেয় একাপলের। শিশুদের তিনি শেখান ধ্যানের মন্ত্র। মেডিটেশনের মাধ্যমে কীভাবে শরীরের ক্ষয়িষ্ণু শক্তি ধরে রাখা যায় তা শিশুদের শেখান তিনি। এর মাধ্যমে সেই স্বল্প অক্সিজেন সমৃদ্ধ জায়গাটিতেও শক্ত মনোবল নিয়ে টিকেছিল শিশুরা।

এছাড়াও খাবার শেষ হয়ে যাওয়ায় নিজের খাবারটুকু বাচ্চাদের ভাগ করে খাওয়ান তিনি। তৃষ্ণার্ত বাচ্চাদের শেখান কর্দমাক্ত বন্যার পানি না খেয়ে গুহার দেয়ালের ছড়ার পানি পান করতে। উদ্ধারকারী দল আসা পর্যন্ত ওই পানি পান করেই বেঁচে ছিল শিশুরা।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: