বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
মাদরাসা ছাত্রীকে জিনে নিয়ে গেছে!  » «   রোহিঙ্গাদের এনআইডি বানিয়ে দিয়ে কোটিপতি!  » «   প্রধানমন্ত্রীর পদ হারাচ্ছেন নেতানিয়াহু!  » «   ৬০ নম্বরের পরীক্ষা দিয়ে হতে হবে ছাত্রলীগ নেতা  » «   মিয়ানমার তাদের লোকদের ফেরত নিতে রাজি হয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   রাজশাহীতে মা-ছেলে হত্যায় আ.লীগ নেতাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড  » «   অবশেষে সেই বাংলাদেশি যুবকের লাশ ফেরত দিল বিএসএফ  » «   নিউইয়র্কে হবে শেখ হাসিনা-বিল গেটস বৈঠক  » «   ‘এবার এক দেশ, এক দলের’ ইঙ্গিত বিজেপি সভাপতির  » «   রাতে আটক, ভোরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত  » «   জগন্নাথপুরে র‌্যাবের জালে আটকা পড়লেন ভূয়া ডাক্তার  » «   এবার ভিসি ফারজানার বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ  » «   রংপুর-৩ উপনির্বাচন: লাঙ্গলের ঘাঁটিতে আসিফের দিকেই ভোটের হাওয়া  » «   রিফাত হত্যা: যা বললেন সেই রিকশাচালক  » «   চতুর্থ ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী  » «  

গাইবান্ধার ৬ জনের বিরুদ্ধে পঞ্চম সাক্ষীর জবানবন্দি পেশ



downloadএকাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গাইবান্ধার জামায়াতের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ ওরফে ঘোড়ামারা আজিজসহ পলাতক ছয় আসামির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের পঞ্চম সাক্ষী আজিজুল হক সরকার (৮৮) তার জবানবন্দি পেশ করেছেন।

পরে সাক্ষীর জেরার কার্যক্রম শেষ করে পরবর্তী সাক্ষীর জবানবন্দির জন্য আগামীকাল সোমবার দিন ঠিক করেছেন আদালত। রোববার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন।

আদালতে আজ সাক্ষীকে সহযোগিতা করেন প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। এ সময় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা জজ প্রসিকিউটর ঋষিকেশ সাহা, প্রসিকিউটর শেখ মোশফেক কবির ও প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন।

জবানবন্দিতে সাক্ষী বলেছেন, একাত্তরের ১৩ অক্টোবর ঘোড়ামারা আজিজসহ রাজাকাররা আমার ভাই ময়েজ উদ্দিন, এলাকার চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ ১৪ জন নিরীহ মানুষকে গুলি করে হত্যা করে।

তিনি বলেন, আমার ভাই একাত্তরে কলেজে পড়ালেখা করতেন। একাত্তরের ৯ অক্টোবর কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার সময় আমার ভাইকে ঘোড়ামারা আজিজ, আসামি রুহুল আমীন ওরফে মঞ্জু, মো. লতিফ, আবু মুছলিম মোহাম্মদ আলী, নাজমুল হুদা ও আব্দুর রহিম মিয়াসহ রাজাকাররা ধরে নিয়ে যায়। অনেক চেষ্টা-তদবির করেও তাকে ছাড়াতে পারিনি।

তিনি বলেন, পরে আমার ভাইকে ছাড়িয়ে আনতে এলাকার চেয়ারম্যান ছইম উদ্দিন ও মেম্বার মনসুর আলী সরকার যান স্থানীয় আর্মি ক্যাম্পে। পরে জানতে পারি তাদেরকেও আটক করা হয়েছে।

সাক্ষী বলেন, আসামিরা আশেপাশের এলাকায় লুটতরাজ করতো। আমি আসামিদের আগেই চিনতাম। ট্রাইব্যুনালের ডকে আসামি আব্দুল লতিফ চিহ্নিত।

 

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: