বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
২৭ জুলাই খালেদার মুক্তি দাবিতে জাতিসংঘের সামনে বিক্ষোভ  » «   মৌসুমি বায়ু দুর্বল, বর্ষার বর্ষণ নেই  » «   সিলেটে দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্রের মৃত্যু  » «   হরিণাকুণ্ডুতে র‌্যাবের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত সদস্য নিহত  » «   পুলিশের সোর্স মামুন মাদক ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও  » «   ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরি, সালিসে জরিমানার টাকা ভাগাভাগি!  » «   আইনমন্ত্রীর বাসায় প্রধানমন্ত্রী  » «   ‘এদেরকে নিয়েই মান্না সাহেব দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিবেন’  » «   রাশিয়ায় বিশ্বকাপ দেখতে গিয়ে পুলিশের জালে বাংলাদেশী যুবক  » «   বিদেশ ও জেল থেকে আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ করছে শীর্ষ সন্ত্রাসীরা  » «   বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত মনোনীত রবার্ট মিলার  » «   বেবী নাজনীন অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি  » «   কোটা আন্দোলন: ছাত্রলীগের হুমকিতে ক্যাম্পাস ছাড়া চবি শিক্ষক  » «   ভেবেই ক্লাব বদল করেছেন রোনালদো  » «   ভারতে নিষিদ্ধ, অন্য দেশে পুরস্কৃত যেসব ছবি  » «  

গলার রোগ থেকে মুক্তি দেয় দাড়ি!



লাইফস্টাইল ডেস্ক::১৮০০ শতকের পর থেকেই দাড়ি রাখা হয়ে ওঠে একটা নতুন ফ্যাশন। তারপর থেকে সময় যত এগিয়েছে, তত এই ফ্যাশনের পালে হাওয়ার তেজ বেড়েছে। আর আজকের দিনে তো এই স্টাইল একবারে দাবানলের চেহারা নিয়েছে। যার আঁচ থেকে এক সময়ে বাদ যাননি আমেরিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিরাও।

আব্রাহাম লিঙ্কন হোন কি এস গ্রান্ট, অনেক মার্কিন প্রেসিডেন্টই দাড়ি রাখতে বেজায় ভালবাসতেন। তবে ধীরে ধীরে এই ট্রেন্ডে ভাটা পরতে শুরু করে দ্বিতীয় বিশ্বের সময়। আসলে সে সময় যুদ্ধের পরিবেশে ক্লিন শেভ রাখার চল শুরু হয়। তাই তো ১৯৪০ সাল পর্যন্ত সমকালীন পুরুষদের মধ্যে দাড়ি রাখার প্রবণতা সেভাবে চোখে পরেনি। তবে ক্লিন শেভ লুক বেশিদিন চলেনি। বারে বারে ফিরে এসেছে সেই দাড়ি রাখার চলই।

সত্তরের দশকে করা এক স্টাডিতে দেখা গেছে প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষেরা তাদের সারা জীবনে গড়ে ৩৩৫০ ঘন্টা সময় দাড়ি কাটার পিছনে ব্যয় করেন। যার অর্থ সারা জীবনে আমরা প্রায় ১৩৯ দিন এইভাবেই নষ্ট করে ফেলি। কিন্তু যদি দাড়ি রাখা শুরু করা যায়, তাহলে এই দিনগুলিতে আমরা পছন্দের কোনে কাজে লাগাতে পারি বা করতে পারি কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তাই ভেবে দেখুন বন্ধু, দাড়ি রাখবেন না ১৩৯ দিন নষ্ট করবেন!

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে দাড়ি থাকলে পরিবেশে উপস্থিত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ারা মুখ হয়ে শরীরের অন্দরে পৌঁছাতে পারে না। ফলে গলার কোনও রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি আরও নানাবিধ রোগও ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: