রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার খবরটি ‘টোটালি ফলস’  » «   শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে: খাদ্যমন্ত্রী  » «   জামায়াত নতুন নামে পুরনো চরিত্রে ফিরে আসে কিনা তা ভাবনার বিষয়  » «   সুস্থ থাকলে শেখ হাসিনার বিকল্প দরকার নেই  » «   নন্দলালের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন না: ইসি রফিকুল  » «   এমপি হিসেবে শপথ নিলেন সৈয়দ আশরাফের বোন ডা. জাকিয়া  » «   রোহিঙ্গাদের নৃশংসতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান মিয়ানমার সেনাপ্রধানের!  » «   যেসব শর্তে আত্মসমর্পণ করছেন ১০২ ইয়াবা ব্যবসায়ী  » «   নাসা আ্যপস চ্যালেঞ্জে বিশ্বসেরা শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়  » «   বাংলা একাডেমিতে আল মাহমুদের মরদেহ, শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে জোবায়ের অনুসারীদের ইজতেমা শেষ  » «   যেভাবে ভারতীয় সেনাবহরে হামলা চালায় জঙ্গিরা  » «   রোহিঙ্গা নিপীড়ন তদন্তে মার্চে বাংলাদেশ আসছে আইসিসি প্রতিনিধিদল  » «   ব্যাটিং ব্যর্থতায় সিরিজ হার বাংলাদেশের  » «   যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন ট্রাম্প  » «  

গলার রোগ থেকে মুক্তি দেয় দাড়ি!



লাইফস্টাইল ডেস্ক::১৮০০ শতকের পর থেকেই দাড়ি রাখা হয়ে ওঠে একটা নতুন ফ্যাশন। তারপর থেকে সময় যত এগিয়েছে, তত এই ফ্যাশনের পালে হাওয়ার তেজ বেড়েছে। আর আজকের দিনে তো এই স্টাইল একবারে দাবানলের চেহারা নিয়েছে। যার আঁচ থেকে এক সময়ে বাদ যাননি আমেরিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিরাও।

আব্রাহাম লিঙ্কন হোন কি এস গ্রান্ট, অনেক মার্কিন প্রেসিডেন্টই দাড়ি রাখতে বেজায় ভালবাসতেন। তবে ধীরে ধীরে এই ট্রেন্ডে ভাটা পরতে শুরু করে দ্বিতীয় বিশ্বের সময়। আসলে সে সময় যুদ্ধের পরিবেশে ক্লিন শেভ রাখার চল শুরু হয়। তাই তো ১৯৪০ সাল পর্যন্ত সমকালীন পুরুষদের মধ্যে দাড়ি রাখার প্রবণতা সেভাবে চোখে পরেনি। তবে ক্লিন শেভ লুক বেশিদিন চলেনি। বারে বারে ফিরে এসেছে সেই দাড়ি রাখার চলই।

সত্তরের দশকে করা এক স্টাডিতে দেখা গেছে প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষেরা তাদের সারা জীবনে গড়ে ৩৩৫০ ঘন্টা সময় দাড়ি কাটার পিছনে ব্যয় করেন। যার অর্থ সারা জীবনে আমরা প্রায় ১৩৯ দিন এইভাবেই নষ্ট করে ফেলি। কিন্তু যদি দাড়ি রাখা শুরু করা যায়, তাহলে এই দিনগুলিতে আমরা পছন্দের কোনে কাজে লাগাতে পারি বা করতে পারি কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তাই ভেবে দেখুন বন্ধু, দাড়ি রাখবেন না ১৩৯ দিন নষ্ট করবেন!

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে দাড়ি থাকলে পরিবেশে উপস্থিত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ারা মুখ হয়ে শরীরের অন্দরে পৌঁছাতে পারে না। ফলে গলার কোনও রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি আরও নানাবিধ রোগও ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: